মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৫:২০ পূর্বাহ্ন

সাংবাদিকতা মানে জাতির বিবেক,জাতির দর্পন, জাতির সেবক,কলম সৈনিক,দেশ প্রেমিক, এ বিষয়ে সকল সাংবাদিক অবগত। তাহা ছাড়া সংবাদ মাধ্যম সরকারের চারটি স্তম্ভের মধ্যে চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে স্বীকৃত। অত্যান্ত দুঃখের সহিত বলতে হচ্ছে, বর্তমানে সাংবাদিক পরিচয় দিতে লজ্জ্বা হয়,কারন যে সকল সাংবাদিক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে, দেশ ও জাতির স্বার্থে কাজ করেন এবং অপরাধ, অনিয়ম, দুর্নীতি,ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে কলম ধরেন, প্রতিবাদ করেন। তখন কিছু অপ-সাংবাদিকের কারনে প্রকৃত সাংবাদিকেরা ষড়যন্ত্র মুলক মিথ্যে মামলা সহ হামলার স্বীকার হচ্ছেন প্রতিনিয়ত। শুধু তাই নয়,দেশ ও জাতির স্বার্থে কাজ করতে গিয়ে অনেক সাংবাদিক কে অকালে জীবন পর্যন্ত দিতে হয়েছে। বর্তমানে সমগ্র দেশব্যাপী কিছু অপ-সাংবাদিক আছে, যাদের ব্যক্তিগত স্বার্থ সিদ্ধি লাভের আশায় প্রতিহিংসা বসত ও ষড়যন্ত্র মুলক প্রকৃত সাংবাদিকদের পরিকল্পিত ভাবে বিপদের মুখে, মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছেন। যা খুবই দুঃখজনক।
অপ-সাংবাদিকের কাজ হচ্ছে অপরাধীর বিরুদ্ধে কাজ না করে, অপরাধীর পক্ষে কাজ করা, অপরাধীকে শেল্টার দেয়া, দালালি করা,অপরাধকে লালন পালন করা ইত্যাদি। বর্তমানে কিছু নামধারী অপ-সাংবাদিক আছেন,চাঁদাবাজি না করলে যাদের নেশার টাকা আসেনা,সংসার চলেনা। শুধু তাই নয় নেশার টাকা যোগাতে কিছু অপ-সাংবাদিক চাঁদাবাজি, ছিনতাই, চুরি, ডাকাতি,গুম,খুন, অপহরন, মাদক ও নারী ব্যবসা সহ জগন্যতম অপরাধের সাথে লিপ্ত থাকেন। যাহা সাংবাদিকতার ইতিবাচকের মধ্যে পড়েনা। অপর দিকে সাংবাদিকতা পেশাকে পুজি করে, সাংবাদিকতার পরিচয় লাগিয়ে কিছু অপ-সাংবাদিকতা দলবদ্ধ হয়ে মানুষের সাথে প্রতারনা সহ দাপিয়ে নানা ধরনের অপরাধ করে বেড়ায়। এদের বিরুদ্ধে কোন সাংবাদিক প্রতিবাদ করার সাহস পায়না। যদি কোনো সাংবাদিক প্রতিবাদ করার চেষ্টা করে,তারা ঐ সাংবাদিক কে পরিকল্পিত ভাবে কৌশলে চিরতরে মুখ বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনা করে এই চক্রটি। তাকে হত্যা পর্যন্ত করা হয়। এরা সাংবাদিক নামে হিংস্র ভয়ংকর, গোটা সাংবাদিক সমাজটাকে তারা কুলশিত করতেছে। এরা সাংবাদিক নামে আতংক। এদের কাছ থেকে দুরত্ব বজায় থাকা উচিত। প্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বোনদের প্রতি আমার আহ্ববান অপ-সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সবাই প্রতিরোধ গড়ে তলুন। এরা দেশ ও জাতির শত্রু। এদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে সচেতন সাংবাদিক মহল