মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন

চাঁদাবাজি, খুন, চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা কিংবা কিশোর গ্যাং- প্রায় প্রতিটি বড় অপরাধের পেছনেই থাকে অদৃশ্য শক্তি। মাঠের অপরাধীরা ধরা পড়লেও ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে আড়ালের গডফাদাররা। স্থানীয় প্রভাব, রাজনৈতিক ছত্রছায়া, অর্থের জোর বা প্রশাসনিক দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে এসব গডফাদার বছরের পর বছর গড়ে তুলে অপরাধের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক।অপরাধ দমনে
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্টরা দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশকে বলছেন, রাজধানী থেকে জেলা শহর এমনকি গ্রামাঞ্চলেও এখন নানা ধরনের অপরাধের পেছনে আছে কোনো না কোনো অপরাধী সিন্ডিকেট। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রায়ই বিভিন্ন অভিযানে অপরাধীদের গ্রেপ্তারের তথ্য দিলেও বড় বড় অপরাধ চক্রের মূল হোতারা অনেক সময় আড়ালেই থেকে যায়। ফলে অপরাধ থামছে না বরং নতুন নতুন সদস্য যুক্ত হয়ে চক্রগুলো আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে। বিগত সময়ে অপরাধ চক্র এতটা জাল বিস্তার করে যা নিয়ে এখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অনেকটা ব্যতিব্যস্ত। তবে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ শুরু করায় পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করছেন সুশীল সমাজ।
নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর ঢাকায় ছিনতাই, খুন, চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসাসহ নানাবিধ অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। বিভিন্ন অপরাধে প্রতিনিয়ত গ্রেপ্তারও হচ্ছে। কোথাও কোথাও বিশেষ অভিযানও চালানো হচ্ছে চাঁদাবাজি, মাদক কারবারি ও ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে। তারপরও নানা স্থানে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড হওয়ার খবর আসছে।