মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন

পিরোজপুর জেলার ভান্ডাড়িয়া থানার ৪নং ইকড়ি ইউনিয়ন ৭নং ওয়ার্ড মধ্য আতরখালী ১৫৬ নং
সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রায় ৩০ বছর যাবŤ ব্যাপক অনিয়ম, দূর্নীতির অভিযোগ।
পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া থানার ৪নং ইকড়ি ইউনিয়নে ৭নং ওয়ার্ডে ১৫৬ নং মধ্য আতরখালী সরকারী
প্রাথমিক বিদ্যালয় দীর্ঘ ৩০ বছর যাবŤ অনিয়ম দুর্নীতি অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই সরকারী বিদ্যালয় ১৯৮৫
সালে সেটে লাইট স্কুল হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। তখন জমি দাতা যেখান থেকে জমি দান করেছেণ সেখানে ভবন
করা হয় নাই। নতুন স্কুল ভবনে জমির তফসিল অনুযায়ী ভবন করা হয় নাই। তŤসময়ে প্রধান শিক্ষক মাহমুদা
বেগম ও সহকারী শিক্ষক সুমাইয়া শিউলী ও সহকারী শিক্ষক পরিমল এই তিনজনই অনাবিজ্ঞ শিক্ষক একজন
রাজনৈতিক পেশার সাথে জড়িত দুইজন স্কুল সংলগ্র একই বাড়ীর সদস্য পরবর্তীতে ১৯৯৫ সালে স্কুল সরকারী
করণ করা হয়। তখন সভাপতি একই বাড়ীর সদস্য মো: তহিদুল ইসলাম সহ শিক্ষক থানা শিক্ষা অফিস ম্যানেজ
করে ৫,০০,০০০/- (পাঁচ লক্ষ) টাকা ঘুষ বানিজ্য করে কোনরূপ বিজ্ঞপ্তি ছাড়া বেআইনী ভাবে নিয়োগ লাভ
করেন। স্কুলের শুরুতে একই বাড়ীর সদস্য প্রধান শিক্ষক এর স্বামীর ভাই মো: সেলিম হোসেন সাবেক পতিত
সরকারের সক্রীয় সদস্য ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে তালিকাভূক্ত সভাপতি দায়িত্ব পালন করেছেন। স্কুলে
সিওরকালীন অনুদান উপবৃত্তির টাকা বিতরনে অনিয়ম করে। স্কুলের নামে তফসিল বিহীন ত্রুটিপূর্ন জমি
রেজিষ্ট্রেশন করে দিয়ে নিজে জমি দাতা হিসাবে ৩০ বছর স্কুলের নামে কোন উন্নয়ন যথাযথভাবে ব্যবহার না
করে আত্মসাত করেছেন। কোনরূপ জবাবদেহী ছিল না। স্কুলে শিক্ষকরা অনাবিজ্ঞ তারা ভালোভাবে ছাত্র-ছাত্রী
পড়াশুনা করাতে অক্ষম। ছাত্র সংখ্যা ১ম-৫ম শ্রেনী ২০ জন। যাহার কারনে স্কুল সংলগ্রএলাকা ছাত্র-ছাত্রীর
অভিভাবকগণ অন্য এলাকার ১৪৭ নং সরকারী প্রাইমারী স্কুলে পড়াশুনা করেন। একই বাড়ীর ৩ জন শিক্ষক
তাদের স্বজন ভীতি দায়িত্বহীনতা দলীয় কবলে স্কুলে সময় না দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। একই বাড়ীর সভাপতি
থাকার কারনে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক কোন জবাবদিহী নাই। ৩০ বছর ধরে একই স্কুলে চাকুরী
করে থানা সহ শিক্ষা অফিসার এবিষয় কোন পদক্ষেপ নেন নাই। পুরাতন ভবনের ইট, রড সহকারী শিক্ষক
স্কুলের পুরাতন মালামাল নিজের বাসা বাড়ীতে ব্যবহার করেছেন ছাত্রীদের দিয়া বাসার কাজ করার অভিযৈাগ
আছে। থানা শিক্ষা অফিসার স্কুলে মাঝে মধ্যে আসলেও তাকে ম্যানেজ করে অপকর্ম দুর্নীতি চালিয়ে যায়। ৩০
বছর একই বিদ্যালয় সরকারী চাকুরী করে এর নজির কোথাও নাই। একই বাড়ীর একাধিক অনাবিজ্ঞ শিক্ষক
একই বাড়ীর তর্কিত সভাপতি যৌথ যোগসাজসে যে ৩০ বছর দূর্নীতি করা হয়েছে তার যথাযথ তদন্ত করা
প্রয়োজন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হলে সরকারী স্কুলটি পরিপূর্নতা পারে এলাকাবাসীর ছেলে
মেয়েরা লেখাপড়া করার সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে এলাকাবাসী মনে করেন।