মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৮:২০ পূর্বাহ্ন

গত কয়েক দিন যাবত সোনারগাঁয়ে বেতন–ভাতা নিয়ে শ্রমিক অসন্তোষ, কাজ বন্ধ রেখে আল্টিমেটাম।নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে একটি স্টিল মিলে শ্রমিকদের বেতন ও পাওনা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলে কাজ বন্ধ রেখেছেন শ্রমিকরা। গত মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারী /২৬) খ্রী. সকালে দিকে তারা কাজ বন্ধ করে দিয়ে প্রতিবাদে নামেন। দাবি আদায় না হলে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধের সতর্কবার্তা দেন।
শ্রমিকদের অভিযোগ, মিল কর্তৃপক্ষ স্টাফদের ১৫ শতাংশ সুবিধা দিলেও সাধারণ শ্রমিকদের কোনো ধরনের শতাংশ ভিত্তিক সুবিধা বা বর্ধিত বেতন দিচ্ছে না। এতে তারা তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে দাবি করেন।
শ্রমিক মুছা অভিযোগ করে বলেন, “আমার বয়স এখন ৬০ বছর। এ অবস্থায় আমাকে ফ্যাক্টরি থেকে চলে যেতে বলা হয়েছে।”
আরেক শ্রমিক সাজেদুল ইসলাম বলেন, “আমরা যে রহিম স্টিল মিলে কাজ করি সেখানে কাজ করতে গিয়ে শরীরে ময়লা ও কালি লেগে নানা সমস্যায় পড়তে হয়।” কোম্পানির পক্ষ হতে শ্রমিক দের পরিস্কার পরিচ্ছন্ন হওয়ার সুযোগ সুবিধা থাকার পরেও কর্তৃপক্ষ বন্ধ করে দিয়েছে।
শ্রমিক জহিরুল ইসলাম দাবি করেন, “এই মিলে কাজ করতে গিয়ে আমার ডান পা কেটে ফেলতে হয়েছে। কিন্তু মিল মালিক কোনো সাহায্য-সহযোগিতা করেননি।”
এছাড়া মিলের সিইও ওহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে কিছু শ্রমিক গুরুতর নির্যাতনের অভিযোগ তোলেন। তাদের দাবি, কয়েকজন শ্রমিককে একটি কক্ষে আটকে রেখে মারধর করা হয়েছে এবং পাওনা টাকা পরিশোধ করা হয়নি। তারা এসব ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন। অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মিল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাদিকুর রহমান বলেন, “আমরা একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সুনাম অর্জন কারী শিল্প প্রতিষ্ঠান রহিম স্টিল দীর্ঘদিন যাবত যুগের পর যুগ নিয়মিত ভাবে বেতন ভাতা বোনাস দিয়ে আসছে বলে জানা যায় কোম্পানির একজন সুস্থ বিশ্ব সূত্রে। উৎপাদন মুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই নিয়ম মাফিক শ্রমিক কর্মী ও কর্মকর্তাদের বেতন ও পাওয়া না দি পরিষদ করতে সক্ষম বলে জানা যায়। স্থানীয় কিছু শ্রমিক ও সহযোগীরা নানা বিষয়ে শিল্প কারখানার বিরুদ্ধে শ্রমিকদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সমস্যা সৃষ্টি করে রাখে বলে জানা যায়। ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার কাঁচপুর রহিম স্টিল কারখানা এলাকায় নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারী)পর্যন্ত কারখানাটি বন্ধ রয়েছে বলে জানা যায় এতে করে লোকসানে জর্জরিত ও সম্মুখ এবং ক্ষতি গ্রস্ত হচ্ছে আর হারাচ্ছে রাজস্ব।