শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন
আনিসুর রহমান লিটন নৌকা মার্কার উপজেলা চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য প্রশাসন তাকে হত্যা ও হত্যার চেষ্টা মামলায় গ্রেফতার করেছিল পরবর্তীতে জামিনে বাহির হয়, জানা যায় প্রশাসনের সাথে বিশাল অংকের টাকার বিনিময়ে তার নাম চারশিট থেকে বাদ দিয়ে আদালতে কাগজ জমা দেয়া হয়। বিষয়টি আদালত আমলে নেয়নি বলে জানা যায়। তাই পুনরায় তদবির বাণিজ্য করে ছাত্র হত্যার অন্যতম আসামী আনিসুর রহমান লিটনকে মামলা থেকে বাদ দিতে একটি কুচক্রী মহল তদবির বাণিজ্য চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান লিটনকে ভারতে পালানোর সময় বেনাপোল থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তবে তাকে মামলা থেকে বাদ দেওয়ার পাঁয়তারা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি বিভিন্ন নাশকতামূলক মামলার আসামি হিসেবে কারাগারে আটক রয়েছেন। স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী মহলের সহায়তায় তাকে বাঁচাতে তৎপরতা চলছে বলে স্থানীয় সূত্র জানায় ।
রংপুর অঞ্চলে দায়ের হওয়া বেশ কিছু রাজনৈতিক মামলায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা চলছে, যেখানে আনিছুর রহমান লিটনের নামও রয়েছে,
গ্রেফতার: ২২ জুন ২০২৫-এ বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে পালানোর সময় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
পরিচিতি: তিনি তারাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এবং টানা তিনবার উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলেন ।
মামলার অবস্থা: স্থানীয় বিভিন্ন নাশকতার মামলার আসামি হিসেবে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে
অভিযোগ উঠেছে, যে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে স্থানীয়ভাবে প্রভাব খাটিয়ে তাকে দায়মুক্তি দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে, যদিও এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান ।
গত ২২ জুন যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে পালানোর সময় আনিছুর রহমান লিটনকে ইমিগ্রেশন পুলিশ আটক করে। এরপর সোমবার তাকে বেনাপোল থেকে রংপুরে নিয়ে নিয়ে আসা হয়। তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিতে নিহত মাহমুদুল হক মুন্না হত্যা মামলা এবং রিকশাচালক সাইদের ওপর হামলা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা রয়েছে।
ভারতে যাওয়ার সময় বেনাপোলে রংপুরের আ.লীগ নেতা আটক
এ দুটি মামলায় লিটনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে তাকে আদালতে তোলা হয়। সেখানে তার পক্ষে জামিনে আবেদন করা হয়। এ সময় বিচারক তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তিনি মুন্না হত্যা মামলায় ৮৮ নম্বর এবং রিকশাচালক সাইদ হত্যাচেষ্টা মামলায় ২৯ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি।
আনিছুর রহমান লিটন রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলা পরিষদে তিন মেয়াদে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সরকার পতনের পর তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।