শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন
খুলনা জেলার সুন্দরবন সংলগ্ন দেশের দক্ষীণ উপকূলীয় কয়রা উপজেলায় সরকার অনুমোদিত কোন জ্বালানির পাম্প নেই। বিশেষ বিবেচনায় দোকানদারদের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল তেল ক্রয় করে খোলাবাজারে বিক্রির। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে রাস্তার ধারে বোতলে করে লিটারে উন্মুক্তভাবে বিক্রি হচ্ছিল। বিশেষ করে বাইকাররা এর বড় ক্রেতা ছিলেন।
মধ্যপ্রাচ্য সংকটের মধ্যে এসব দোকানে এখন তেল সরবরাহ মারাত্মকভাবে হোঁচট খেয়েছে। ফলে সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে বাইক চালকরা। রাস্তায় বাইকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে।
এজেন্টের মাধ্যমে যতটুকু তেল কয়রায় আসে তা রাতের আঁধারেই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। আবার গোপনে মজুদ করে রাখারও বহু অভিযোগ প্রশাসনের কাছে করলেও প্রশাসনের দৃশ্যমান কার্যকর কোন পদক্ষেপের সুফল এখনও কয়রাবসী পাচ্ছে না। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পুরো কয়রাবাসী।
বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি পেশাজীবীদের নিজস্ব প্রতিষ্ঠানে হাজির হতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
ভাড়ায় চালিত বহু মোটরসাইকেল চালকের আয়ের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। চরম অভাবে পড়ছে তাদের পরিবার।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, খোদ উপজেলা প্রশাসনের নিজেদের গাড়িও তেল পেতে হিমশিম খাচ্ছে। উপজেলার বাইরে গিয়ে একাধিক পাম্প ঘুরে প্রয়োজনীয় জ্বালানি আনতে বেগ পেতে হচ্ছে তাঁদেরও।
এমতাবস্থায় কয়রা উপজেলায় একটি সরকার অনুমোদিত পাম্প স্থাপনের দাবি জোরালো হচ্ছে সর্ব সাধারণের কন্ঠে। জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনের কাছে কয়রাবাসীর প্রথম চাওয়া এখন এটাই।
কয়রা উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল বাকীকে সার্বিক বিষয়ে অবহিত করলে তিনি জানান, “তেলের পাম্প তো এখানে নাই। পাম্প না থাকলে তো তেল ওভাবে পাওয়া ডিফিকাল্ট। তেল আসতেছে। যেভাবে তেল এখানে আসে সেভাবেই নিয়ে আসার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।”