মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন

পুলিশিং কেবল দায়িত্ব পালন নয়—এটি এক ধরনের নৈতিক অঙ্গীকার। সেই অঙ্গীকারের বাস্তব প্রতিফলন হয়ে উঠেছেন ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার ৩ নম্বর ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মোঃ সোহেল রানা। পেশাগত দক্ষতা,নিরলস পরিশ্রম,সততা ও বুদ্ধিমত্তার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি এ পর্যন্ত ছয়বার বিভিন্ন পর্যায়ে পুরস্কৃত হয়েছেন—যা তাকে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের এক অনুকরণীয় মুখ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। পুলিশ সূত্র জানায়,এসআই সোহেল রানা নিয়মিত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অপরাধ দমন,দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি,গ্রেপ্তার কার্যক্রম, জনসচেতনতা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা রেখে আসছেন। গুরুত্বপূর্ণ একাধিক মামলার রহস্য উদ্ঘাটন ও পেশাদার তদন্ত পরিচালনার মাধ্যমে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আস্থা অর্জন করেন। স্থানীয় সূত্র ও সহকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী,দায়িত্ব পালনে তিনি যেমন কঠোর, তেমনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে আচরণে মানবিক। অভিযোগ গ্রহণ থেকে শুরু করে তদন্ত—সব ক্ষেত্রেই তিনি আইনগত কাঠামোর মধ্যে থেকে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখেন। ফলে এলাকাবাসীর মধ্যেও তার প্রতি তৈরি হয়েছে আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা। একাধিকবার পুরস্কৃত হওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, এসআই সোহেল রানা শুধু নির্দিষ্ট সময়ের ভালো কাজের জন্য নয়,বরং ধারাবাহিকভাবে পেশাগত মান বজায় রাখার কারণেই এই স্বীকৃতি পেয়েছেন। তাঁর কাজের মধ্যে দায়িত্বজ্ঞান,ঝুঁকি নেওয়ার মানসিকতা এবং সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা স্পষ্ট। পুরস্কার প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় এসআই মো. সোহেল রানা বলেন,
“এই স্বীকৃতি এককভাবে আমার নয়। এটি আমার সহকর্মী,ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সর্বোপরি সাধারণ মানুষের সহযোগিতার ফল। আমি চেষ্টা করি আইনের শাসন ও জনগণের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে।” বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন,মাঠপর্যায়ের এমন পেশাদার ও নিষ্ঠাবান পুলিশ কর্মকর্তাদের স্বীকৃতি দেওয়া হলে তা বাহিনীর অন্য সদস্যদের জন্যও অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে। একই সঙ্গে পুলিশের প্রতি জনআস্থা জোরদার হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পেশাদারিত্ব,সততা ও মানবিকতার সমন্বয় যে সম্ভব—এসআই মো. সোহেল রানা তারই একটি বাস্তব উদাহরণ হয়ে উঠেছেন ময়মনসিংহে।