মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৮:০০ পূর্বাহ্ন

ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:
পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার ঘোষেরহাট বাজারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু ভেঙে পড়ায় বিপাকে পড়েছে দুই উপজেলার মানুষ,দীর্ঘ দুই বছর পূর্বে ঘোষের হাট বাজার সংলগ্ন খালের উপরের নির্মিত সেতুটি ধসে পড়ে, স্থানীয় লোকজন চলাচলের জন্য সাঁকো তৈরি করেছেন, সাঁকো দিয়ে শুধু পথচারী চলাচল করছে,দুই উপজেলার যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে, যানবাহন চলাচল বন্ধ হওয়ায় পাশের জেলা বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলা সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে, ফলে দুই উপজেলার হাজার হাজার মানুষ ভোগান্তির মধ্যে রয়েছে।
মোড়েলগঞ্জ উপজেলার ১০ন; চরহোগলাবুনিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা মো: আবুল কালাম পেশায় ভ্যানচালক বলেন, আমরা প্রতিদিন যাত্রী ও মালপত্র নিয়ে মোরেলগঞ্জ থেকে ইন্দুরকানি উপজেলা যাতায়াত করতাম, তিনি আরো বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি ভেঙে পড়ায় আমরা যাতায়াত করতে পারছি না, এতে আমাদের উপার্জন অনেক কমে গেছে।
মো:সোলাইমান হোসেন (রনি) নামে আরো একজন মোটরসাইকেল চালক বলেন, মোটরসাইকেল চালিয়ে সংসার চালাই আমরা, প্রতিদিন ইন্দুরকানী থেকে যাত্রী নিয়ে মোড়েলগঞ্জ হয়ে শরণখোলা, মোংলা পর্যন্ত যাতায়াত করি, তবে সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে ভেঙে যাওয়ায় আমরা বিপাকে পড়েছি।
৪নং ইন্দুরকানী সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব, ইব্রাহিম মাতুব্বর বলেন, সেতুটি দিয়ে প্রতিদিন শিক্ষার্থীসহ হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে, সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় সব শ্রেণীর মানুষের সমস্যা হচ্ছে,তিনি আরো বলেন, আমি সেতুটি দ্রুত নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।
ইন্দুরকানী উপজেলার ঘোষেরহাট বাজারের ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক জনাব, মোঃ আখতারুজ্জামান (লাভলু) বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় অনেক কষ্ট করে লোকজন যাতায়াত করছে,ফলে এটি ভেঙে দুই উপজেলার মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে, তিনি আরো বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে এটি নির্মাণের আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি।
ঘোষেরহাট বাজার কমিটির সাবেক সেক্রেটারি জনাব, আ: লতিফ সিকদার বলেন, কয়েক বছর আগেই সেতুটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছিল স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি),দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে সেতুটি ভেঙে পড়ার পরেও এর জন্য কোন বরাদ্দ হয়নি।
ইন্দুরকানি উপজেলা প্রকৌশলী লায়লা মিথুন বলেন,ঘোষেরহাটের সেতুটি নির্মাণের জন্য প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে,তিনি আরো বলেন, বর্তমানে প্রকল্পগুলো বরাদ্দ স্থগিত থাকায় কোন কিছু করা যাচ্ছে না।