মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন

তারিখ ৭/৯/২০২৫ সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ছয়টার সময় বাগেরহাট হযরত খানজাহান আলী মাজার জিয়ারত করার উদ্দেশ্যে যাই।এর আগে পরে খানজাহান আলী মাজার জিয়ারত করতে গেলে দর্শনার্থীদের ভোগান্তির শিকার হতে হয় এভাবে বেশ কিছু প্রতিবেদন আমার নজরে আসে।তাই একদিকে ওলীর মাজার জিয়ারত করার উদ্দেশ্য অন্যদিকে হয়রানি মুলক প্রতিবেদন এর সত্যতা অনুসন্ধান এর উদ্দেশ্য নিয়ে যাওয়া। তবে আগে যে প্রতিবেদন দেখেছি তার সাথে ১০০ ভাগ মিল রয়েছে। প্রথমে আমি মাজার জিয়ারত করতে গেলে গেইটের বাহিরে একটি দান বাক্স যেখানে মহিলাদের জন্য রাখা হয়েছে। এবং ভিতরে একটা দান বাক্স যেখানে পুরুষদের জন্য নির্দিষ্ট রয়েছে। আমি উক্ত দান বাক্স এ মনের ইচ্ছায় নিয়ত করে কিছু টাকা দানকরি। পরবর্তীতে মাজার জিয়ারত এর উদ্দেশ্য নিয়ে ভিতরে যাবার মুহুর্তে ছবিতে দাঁড়ানো এক ব্যক্তি এছাড়াও একজন হুজুর বেশে পাঞ্জাবি টুপি পড়া একটা ছেলে গেইটে আগরবাতি ও কিছু তাবিজ নিয়ে বসে থাকতে দেখি। পরবর্তীতে মাজার জিয়ারতের আগে হুজুর বেশে যে ছেলেটি সে আমাকে ভিতরে নিয়ে গিয়ে একটা কাপড় দিয়ে ঢাকা কালো পাথর এর কাছে নিয়ে যায় এবং আমাকে হাঁটু গেড়ে বসায় এবং নিজেও বসে।আমার হাত দুটো পাথরের উপড় রাখতে দিল তার হাত দুটো রেখে এরপর আমার ছেলে মেয়ে কয়টা এটা জানতে চায় এরপর দোয়া দরুদ পড়তে থাকে এক পর্যায় দোয়ার ভিতরে বলে আমাকে উদ্দেশ্য করে আমি যেন শিরনি করতে ১০২০ টাকা দেই তখন আমি বুঝতে পারলাম আগের সমস্ত প্রতিবেদন সত্য আমি বললাম আমি কেন ১০২০ টাকা দিবো তখন বলল আপনার বালা মুসিবত দূর হবে যে নিয়তে আসছেন তা পুরন হবে। এরপর আমার আইডি কার্ড বের করে আমার পরিচয় দিলাম এখন বলে ভাই এখানে এই পরিচয় দেয়া লাগে না। আপনি মাজার জিয়ারত করেন।এই কথা বলে চলে গেল গেইটে। এরপর যখন গেইটে গেলাম এখন বলে ভাই আপনি চারশত বিশ টাকা দিবেন শিরনি করবো এই জন্য আমি বললাম এটা আমার মনের খুশিতে যদি কিছু দেই। শেষ পর্যন্ত বলে ভাই আমরা তিনটা লোক এখানে থাকি আমি ১০০ টাকা দিলাম পরে বলে ভাই ২০০ টাকা দেন আমি ৫০ টাকা দিয়ে বললাম সব অসৎ উদ্দেশ্য ছেড়ে দাও এবং এটা দিয়ে চা খাবে। এখন আসল কথায় যাই বাংলাদেশের ভিতরে অনেক অলি আল্লাহর দেশ দরবার রয়েছে সেখানে কিছু অসাধু খাদেম রয়েছে যাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে বিভিন্ন মতে বিশ্বাসী লোক বিভিন্ন মাজার অথবা দরবারে যায়। প্রত্যেকটি মাজার অথবা দরগায়ে সাধারণ মানুষকে ভূল বুঝিয়ে এই সমস্ত মাজারের অসাধু নামধারী খাদেমগন সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে বিভিন্ন ভাবে তাদের কাছ থেকে টাকা পয়সা হাতিয়ে নেয়।আপনারা যারাই বাগের হাট খানজাহান আলী মাজার জিয়ারত করতে যাবেন এই সমস্ত দালাল থেকে এবং অসাধু খাদেম থেকে সাবধানে থাকবেন এবং এদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবেন। পরিশেষে জনস্বার্থে বাগেরহাট জেলার ডিসি, বাগেরহাট জেলা পুলিশ সুপার মহোদয় বাগেরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বাগেরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ এর কাছে বিনীত ভাবে অনুরোধ করবো খানজাহান আলী ( র:) এর মাজার জিয়ারত করতে গিয়ে যেন সাধারণ জনগন ভোগান্তিতে না পরে অতি দ্রুত এই বিষয় পদক্ষেপ নিবেন।