যৌন দুর্বলতায় ভুগছেন বা যাদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে এমন চাটুকার বিজ্ঞাপন দিয়ে স্পর্শকাতর বিষয়কে সামনে এনে বি ডাবলু বি বিজনেস উইথ ব্লিসিংস প্রাইভেট লিমিটেড, সুস্বাস্থ্য রোগমুক্তি ও সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য নিয়মিত ফ্রুট এন্ড পেডস সেবন করুন । ইত্যাদি সুন্দর ছবি সম্মিলিত প্রত্যেকটা তৈরি করে বিভিন্ন সাধারণ মানুষকে তাদের প্রদেয় ওষুধের দ্রুত কাজ করবে এমন লোভ দেখিয়ে এমএলএম পদ্ধতিতে বিক্রি করছে পণ্য। এমন অভিযোগ উঠেছে বি ডব্লিউ বি বিজনেস উইথ ব্লিসিং এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম মোড়লের বিরুদ্ধে। এসব এমএলএম ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন সময় তাদের নাম পরিবর্তন করে এক এক সময় একের নাম দিয়ে সমাজে আবির্ভাব ঘটিয়ে ঝটপট অফিস সাজিয়ে মানুষের কাছ থেকে টাকা পয়সা নিয়ে সময় বুঝে কেটে পড়ে। কখনো ভুয়া জমির ব্যবসা কখনো বিল্ডিং এর ব্যবসা কখনো ঔষধের ব্যবসা কখনো বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স দ্রব্যের ব্যবসা সবকিছু মিলিয়ে এমএলএম পদ্ধতিতে হাতিয়ে নেওয়ার নিত্য নতুন কায়দায় তারা সিদ্ধ হস্ত। এছাড়া তারা সারা বিশ্বের বড় বড় ইউনিভার্সিটির চিকিৎসা রিসার্চ সেন্টার গুলো যেখানে ফেইলুর সেখানে তারা ডায়াবেটিসের মতো ওষুধ দিয়ে এবং ডায়াবেটিস চিরতরে নিরাময় হয়ে যাবে বলে চাটুকার বিজ্ঞাপন দিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে মহাপ্রতারণা করে আসছে। তাদের লেখা আমাদের ওষুধের নাম ইউরি এইড আবার প্রশ্ন করেন আপনি কি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত আপনি কি ইনসুলিন গ্রহণ করেন তাহলে এখনই চলে আসেন আমাদের দপ্তরে আমাদের ওষুধ সেবন করলে চিরতরে ডায়াবেটিস বিদায় নিবে। এখানে এসেছে এমন একজন ভুক্তভোগী কেয়ার সাথে কথা হলে তিনি বলেন তাদের চাটুকার কথাবার্তা শুনে তাদের কাছ থেকে আমি ওষুধ কিনে সেবন করলে আমার ডায়াবেটিস আগের চেয়ে আরো বেড়ে যায়। এসব বিষয় নিয়ে ভুক্তভোগী ঊষা এবং চম্পার সাথে কথা হলে তারা জানায় আমরা মেয়েলি সমস্যা নিয়ে সেখানে গিয়েছিলাম, আমাদেরকে জানায় আমাদের কাছ থেকে পণ্য কিনতে হবে এবং আরো কেউ পণ্য কিনবে কিনা তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে আপনার পাশে ডান পাশে একজন থাকবে বাম পাশে একজন থাকবে এভাবে আপনারা প্রথমে ভর্তি হবেন এবং পরবর্তী তাদেরকে ভর্তি করবেন তাহলে তাদের কাছ থেকেও আপনি কমিশন পাবেন মোটামুটি আমাদের সাথে কাজ করলে বছর ঘুরে আসলে আপনার একাউন্টে প্রায় এক থেকে দুই লাখ টাকা জমা হবে। খোঁজ নিয়ে জানা যায় তাদের এখানে অফিস করার আগে খিলক্ষেত সহ ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় অফিস ছিল ওই এলাকার মানুষের সাথে প্রতারণা করার পর সেখান থেকে পালিয়ে নাম পরিবর্তন করে এখানে নতুন করে আবার আস্তানা গড়ে বসে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় কিছু অসাধু প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং এলাকার কিছু সন্ত্রাসী টাইপের লোকজনকে নিয়মিত মাসোয়ারা দিয়ে তাদের এই অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে