1. amarpranerbd@gmail.com : news :
  2. amarpranerbangladesh@gmail.com : PRANER BD REPORTER : PRANER BD REPORTER
  3. editor.amarpranerbd.official@gmail.com : Newsdesk :
শিরোনাম :
টঙ্গীতে শান্তা জুয়েলার্সের মালিক কাস্টমারের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ,থানায় একাধিক লিখিত অভিযোগ বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গাইবান্ধায় আনন্দ র‍্যালি ও সমাবেশ শ্রীপুরের মানুষের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার পুরাতন খলনায়ক নতুন করে আবির্ভাব। কুড়িগ্রামে পালিত হলো বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ডিবির বিশেষ অভিযান: ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৭,  সরফভাটা ওয়েলফেয়ার সোসাইটির উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবী ও গুণীজন সংবর্ধনা কবে হবে সুন্দরবন দস্যুমুক্ত আজ থেকে নিষেধাজ্ঞা শেষে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বনে ফিরছেন জেলে-বাওয়ালিরা কেশবপুরে জামায়াতে ইসলামীর ইউনিট দায়িত্বশীল সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত সওজ’র গাফলতি চরমে,অকেজো হচ্ছে কোটি টাকার ফেরি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে চৈতী কম্পোজিট  লিঃকে ৭৫ লক্ষ ৪ হাজার টাকা জরিমান ধার্য করা হয় 

শ্রীপুরের মানুষের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার পুরাতন খলনায়ক নতুন করে আবির্ভাব।

মো:মাসুম রেজা শ্রীপুর (উপজেলা) প্রতিনিধি
  • Update Time : Tuesday, September 1, 2026,
  • 20 Time View

শ্রীপুরের মানুষের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার পুরাতন খলনায়ক নতুন করে আবির্ভাব।

মো:মাসুম রেজা শ্রীপুর (উপজেলা) প্রতিনিধি

গাজীপুরের শ্রীপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ঘুস-দুর্নীতি চরম আকার ধারণ করেছে। বাড়তির টাকা ছাড়া মিলছে না কাঙ্ক্ষিত কোনো সেবা, যার ফলে সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের পড়তে হচ্ছে চরম ভোগান্তিতে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, সাব-রেজিস্ট্রার সোহেল রানা গত বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি শ্রীপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে যোগদান করেন। যোগ দেওয়ার পর থেকেই তিনি নানা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। দিনে দিনে তাঁর বেপরোয়া কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন স্থানীয় দলিল লেখক ও স্ট্যাম্প ভেন্ডার সমিতির সদস্যরা। একপর্যায়ে তাঁরা দলিল সম্পাদন বন্ধ রেখে তিন দিনের ধর্মঘট ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। সাব-রেজিস্ট্রার সোহেল রানার দুর্নীতির প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে স্মারকিলিপিও দেওয়া হয়। তবে প্রশাসনিক ব্যবস্থা না নেওয়ায় তিনি বীরদর্পে তাঁর বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, তিনি চুক্তি অনুযায়ী মোটা অংকের টাকা পেলে বড় ধরণের জাল-জালিয়াতি ও অনিয়মেও পিছুপা হন না।সরকারি নিয়মকানুন উপেক্ষা করে নিজের খেয়াল খুশিমতো অফিস পরিচালনা করেন তিনি। লেনদেনের জন্য উমেদার জাহিদ পিএস ও মুকাররম হোসেনকে নিয়োগ দিয়েছেন বলেও জানা গেছে, অফিসের কিছু কর্মকর্তা ডিলিংস সহ লেনদেনের সাথে জড়িত আছে বলে জানা যায়,

উপজেলার টেপিরবাড়ী ইউনিয়নের টেপিরবাড়ী মৌজার সিএস ৫৩ নং দাগের জমি বন বিভাগের নামে গেজেটভুক্ত। অথচ সেই দাগের সাড়ে ৩৩ শতাংশ জমি কিনেছেন ঢাকার উত্তরার ৬ নম্বর সেক্টরের ৫ নম্বর রোডের বাসিন্দা তৌহিদুল আলম মিলকি। তিনি এই বনভূমিতে গোডাউন নির্মাণ করে বিভিন্ন কোম্পানির কাছে ভাড়া দেওয়াসহ রিসোর্ট ব্যবসাও পরিচালনা করছেন।
তৌহিদুল আলম মিলকির কাছে দাতা সেজে ওই গেজেটভুক্ত বনভূমি বিক্রি করেছেন ফেনী সদর উপজেলার চাড়িপুর এলাকার শফিকুর রহমানের ছেলে আবদুর রহিম নাহিদ। তিনি তৌহিদুল আলম মিলকির ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত।
তৌহিদুল আলম মিলকি ৭২ লাখ ৫০ হাজার টাকায় ওই বনভূমি কেনার পর গত বছরের ১৭ নভেম্বর শ্রীপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে তাঁর নামে সাফ-কবলা দলিল রেজিস্ট্রি করা হয় (দলিল নম্বর ১২৯৮২/২৫)। সাব-রেজিস্ট্রারের সঙ্গে অবৈধ চুক্তি করে এ দলিল রেজিস্ট্রি করিয়ে দিয়েছেন তেলীহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ী এলাকার দলিল লেখক হাদিউল ইসলাম (সনদ নম্বর ১১১)।

দলিলটি রেজিস্ট্রি করতে নেওয়া হয়েছে নানা কৌশল ও চাতুরীর আশ্রয়। জমির অবস্থান অনুযায়ী সিএস ৫৩ নং দাগের পরিবর্তে জোট দাগ এসএ ১৭০ উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে, আরএস হিসেবে ১০৬৯ নং দাগ উল্লেখ করা হলেও সেটি ৫৩ নং দাগ থেকে সৃষ্টি। অর্থাৎ আরএস দাগের সঙ্গে ওই এসএ দাগের কোনো যোগসূত্র নেই।
এ ছাড়া দলিলে উল্লেখ করা হয়েছে, দাতা আবদুর রহিম নাহিদ ২০২০ সালের ১০ নভেম্বর উপজেলা ভূমি অফিসের ১০৪০/২০২০-২১ নম্বর নথির আদেশ মোতাবেক নামজারি ও জমাভাগ করিয়ে খাজনা পরিশোধ করেছেন। কিন্তু অনুসন্ধানে জানা যায়, উপজেলা ভূমি অফিস থেকে জালিয়াতি করে ফাইল গায়েব করে ফেলা হয়েছে। ৩নং পাতায় টেপিরবাড়ী মৌজার কথা বলা হলেও, রাজাবাড়ী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের প্রহল্লাদপুর মৌজার নামজারি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে গাজীপুর সদরের সুলতান উদ্দিনের নামে—যার সঙ্গে এই আবেদনের তথ্যের কোনো মিল নেই।
এ দিকে দাতা আবদুর রহিম নাহিদ ২০১০ সালের ২৭ এপ্রিল নিবন্ধিত ৬৬২৪ নম্বর সাফ-কবলা দলিলমূলে ওই জমির মালিক বলে দাবি করেন। তখনকার সাব-রেজিস্ট্রার ছিলেন আনোয়ারুল হক। অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে সেই সময়ও দলিল লেখক হাফিজ উদ্দিন (সনদ ২৬৯) রেজিস্ট্রি করিয়ে দেন।
*বন বিভাগের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা:*
উক্ত বায়া দলিলে বন বিভাগের নামে গেজেটভুক্ত সিএস ৫৩ ও আরএস ১০৬৯ নং দাগ স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। ২০০৬ সালে সরকার এক প্রজ্ঞাপন জারি করে গেজেটভুক্ত বনভূমির নামজারি, জমাভাগ, ভূমি উন্নয়ন কর আদায় এবং রেজিস্ট্রি কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেয়। কিন্তু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশে জালিয়াতির মাধ্যমে অপকর্ম অব্যাহত রাখা হয়েছে, এতে বিপুল পরিমাণ বনভূমি হাতছাড়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাব-রেজিস্ট্রারের নির্দেশনায় গেজেটভুক্ত বনভূমির সিএস দাগের পরিবর্তে একটি এসএ জোট দাগ বসিয়ে এবং আরএস দাগ ঠিক রেখে দলিল জমা দেওয়া হয়। পরে তা ‘স্বাক্ষরে রেজিস্ট্রি’ সম্পন্ন করা হয়, যেখানে মোটা অংকের টাকার লেনদেন হয়েছে বলে অভিযোগ।
অন্যদিকে, জমি কেনার আগেই তৌহিদুল আলম মিলকি ওই বনভূমিতে অবৈধভাবে গোডাউন নির্মাণের কাজ শুরু করেন। সাতখামাইর বিট অফিসের লোকজন সেখানে গিয়ে বাধা দিলেও পরে লেনদেনের মাধ্যমে বিষয়টি রফা করা হয়। শেড নির্মাণ শেষ করে তা ‘ডিবিএল গ্রুপের’ কাছে ভাড়া দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়।

Facebook Comments Box

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 প্রানের বাংলাদেশ