মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন

বছরের পর বছর যুগের পর যুগ দ্বীন হীন মূর্খ মানুষ গুলো আবেগের স্রোতে বিবেক টাকে ভাসিয়ে ভয়াবহ শিরকে লিপ্ত হচ্ছে এই খানজাহান আলী মাজার সংশ্লিষ্ট দিঘির কুমিরের নিকট মানত ভক্তির সাথে সম্পৃক্ত থেকে। তারা মনে করেছে যে- এই কুমিরের নিশ্চয়ই কোন শক্তি ক্ষমতা কেরামতি রয়েছে।
ঐ মাজারের কর্মরত খাদেম রা এই ধোঁকার মাধ্যমে তাদের নিকট থেকে হাস- মুরগী, গরু- ছাগল ইত্যাদি লুটে নিয়ে সেইটা তারাই খেয়ে এবং বিক্রি করে ফায়দা লুটে নিয়েছে বছরের পর বছর।
চারপাশের সচেতন জ্ঞানী মানুষ আলেম এইটা দেখেও মুখ বুজে না দেখার ভান করে গিয়েছে শত শত বছর।
বাঁধা দিতে মন চাইলেও ভয় করে প্রতিহত করতে পারেনি। কিন্তু চিন্তা করুন মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ’লার কি অশেষ রহমত লিলা খেলা।
ফাতেমা নামক একটি মেয়ের ঐ কুমিরের দ্বারা মৃত্যু হওয়ার অছিলায় দীর্ঘ বছরের কুসংস্কার শিরক থেকে এই সমাজের মানুষ কে হেফাজত করেছেন।
কিন্তু যাঁরা অসৎ লেবাসধারী ভন্ড প্রতারক মাজারের খাদেম গন এবং মাজারের চারপাশের এবং এই সমাজের মূর্খ নামধারী মুসলিম গুলো এই কুমির কে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আহ্বান করছে আন্দোলন ও করে যাচ্ছে নানান ভাবে।
কিন্তু তারা জানে না যে- এইটা মহান আল্লাহ তাআলার কুদরতে ঐ কুমির যে মানুষ কে বছরের পর বছর যুগের পর যুগ শিরিকে লিপ্ত করছে, তাকে ঐ দিঘি থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ
পরিশেষে এইটাই বলবো! যাঁরা শিরকে লিপ্ত হয়েছ তোমরা মন থেকে তওবা ইস্তেগফার করে মহান রবের সঠিক পথে ফিরে এসো। এক মহান রবের নিকট মাথা নতো করো সিজদাহ্ আদায় করো। তারই নিকট সাহায্য প্রার্থনা করো। রবের সাথে কাউকে শরিক কোরো না । মাঝারি জিনিস শুয়ে আছে তিনি যে ইবাদত করে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করেছেন বলে আপনি মনে করছেন আপনি ঠিক তেমনটাই করেন এটাই হবে তার প্রতি ভক্তি এবং আল্লাহর প্রতি সম্মান।
সম্মান ভক্তিবাদতের শিরকে নয় ।।