1. amarpranerbd@gmail.com : news :
  2. amarpranerbangladesh@gmail.com : PRANER BD REPORTER : PRANER BD REPORTER
  3. editor.amarpranerbd.official@gmail.com : Newsdesk :
শিরোনাম :
টঙ্গীতে শান্তা জুয়েলার্সের মালিক কাস্টমারের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ,থানায় একাধিক লিখিত অভিযোগ বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গাইবান্ধায় আনন্দ র‍্যালি ও সমাবেশ শ্রীপুরের মানুষের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার পুরাতন খলনায়ক নতুন করে আবির্ভাব। কুড়িগ্রামে পালিত হলো বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ডিবির বিশেষ অভিযান: ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৭,  সরফভাটা ওয়েলফেয়ার সোসাইটির উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবী ও গুণীজন সংবর্ধনা কবে হবে সুন্দরবন দস্যুমুক্ত আজ থেকে নিষেধাজ্ঞা শেষে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বনে ফিরছেন জেলে-বাওয়ালিরা কেশবপুরে জামায়াতে ইসলামীর ইউনিট দায়িত্বশীল সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত সওজ’র গাফলতি চরমে,অকেজো হচ্ছে কোটি টাকার ফেরি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে চৈতী কম্পোজিট  লিঃকে ৭৫ লক্ষ ৪ হাজার টাকা জরিমান ধার্য করা হয় 

মু’তার যুদ্ধ ইসলামের ইতিহাসের এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও আবেগময় ঘটনা।

আব্দুল্লাহ আল মামুন (প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ) :
  • Update Time : Sunday, May 24, 2026,
  • 56 Time View

রাসূলুল্লাহ( সা:) ৮ হিজরিতে প্রায় ৩০০০ সাহাবির একটি বাহিনী প্রেরণ করেন মু’তা অঞ্চলে (বর্তমান জর্ডান এলাকায়)। কারণ, মুসলিম দূতকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা হয়েছিল, যা ছিল চুক্তি ভঙ্গের গুরুতর অপরাধ। এই বাহিনীর নেতৃত্ব ধারাবাহিকভাবে তিনজন সাহাবির হাতে ছিল:-

প্রথমে যায়েদ ইবনে হারিসা
এরপর জাফর ইবনে আবু তালিব
এবং পরে আব্দুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা

রাসূল(সা:) নির্দেশ দিয়েছিলেন,যদি একজন শহীদ হন, তবে পরবর্তীজন নেতৃত্ব গ্রহণ করবেন। মুসলিম বাহিনী সেখানে পৌঁছে দেখে বিপরীতে রোমান ও তাদের মিত্রদের বিশাল সেনাবাহিনী। সংখ্যায় মুসলমানরা খুবই কম ছিল, কিন্তু তাদের ঈমান ছিল পাহাড়ের মতো দৃঢ়।

প্রথমে যায়েদ ইবনে হারিসা বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হন। তিনি ঘোড়া থেকে নেমে যুদ্ধ শুরু করেন, যেন কেউ মনে না করে তিনি পালাচ্ছেন। তিনি ইসলামের পতাকা শক্ত করে হাতে ধরেন। শত্রুর আঘাতে তাঁর ডান হাত কেটে যায়। তিনি সাথে সাথে বাম হাতে পতাকা তুলে নেন। এরপর বাম হাতও কেটে ফেলা হয়।
তবুও তিনি পতাকা মাটিতে পড়তে দেননি।
তিনি নিজের বুক ও শরীর দিয়ে পতাকাকে আঁকড়ে ধরে রাখেন। অবশেষে তিনি অসংখ্য আঘাতে শহীদ হন।

মদিনায় বসেই রাসূলুল্লাহ (সা:) আল্লাহর পক্ষ থেকে যুদ্ধের খবর পান। তিনি সাহাবিদের জানান, যায়েদ শহীদ হয়েছেন, তারপর জাফর শহীদ হয়েছেন, এরপর আব্দুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা শহীদ হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, আল্লাহ তাঁকে জান্নাতে দুই ডানা দিয়েছেন এবং তিনি সেখানে উড়ছেন। এজন্য তাঁকে “জাফর আত-তাইয়ার” (ডানাওয়ালা জাফর) বলা হয়।

মু’তার যুদ্ধের গল্প শুধু ইতিহাস নয়, এটা জীবনের জন্য এক নীরব অনুপ্রেরণা। হজরত জাফর ইবনে আবু তালিব আমাদের শেখান:-

একজন মানুষ কতটা দৃঢ় হতে পারে, যখন সে তার বিশ্বাসকে ভালোবাসে। দুটি হাত হারানোর পরও তিনি পতাকা ছাড়েননি। কারণ তার কাছে পতাকা শুধু কাপড় ছিল না, এটা ছিল সত্য, দায়িত্ব আর আদর্শের প্রতীক।

>দায়িত্ব যাই হোক, মাঝপথে ছেড়ে দিও না
>চাপ এলে ভেঙে পড়ো না, শক্ত থাকো
>সত্য ও নীতির সাথে আপস করো না
>লক্ষ্য বড় হলে কষ্ট ছোট মনে হয়

জীবনে অনেক সময় আমরা ছোট সমস্যায় থেমে যাই। “যে মানুষ নিজের বিশ্বাস ধরে রাখতে পারে, সে কখনো হেরে যায় না।” জাফর ইবনে আবু তালিব–এর জীবন আমাদের জন্য একটি বার্তা: সত্যের পথে দাঁড়িয়ে থাকাই আসল শক্তি।

Facebook Comments Box

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 প্রানের বাংলাদেশ