মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার চীফ রিপোর্টার হিসেবে দায়িত্ব পেলেন রবিউল আলম রাজু বিশেষ অভিযানে সাভারে ৩ ছিনতাইকারী-ডাকাত সদস্য গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ মনোহরদীতে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সহিষ্ণুতা ও সম্প্রীতি সুদৃঢ়করণের লক্ষ্যে আন্তঃধর্মীয় নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে ডুবন্ত জাহাজে মিলল যুবকের অর্ধগলিত লাশ মনোহরদীতে,জমির জবর দখলের জেরে, বোনের প্রাপ্য জমি পাওয়ার লক্ষ্যে ভাইয়ের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, নীলফামারী ডোমার বীজ আলু খামারে ২শ একর জমিতে ধৈইঞ্চা চাষ, নীলফামারী ডোমার বিএডিসিতে নতুন সম্ভাবনা ২১১ একর জমিতে আউশ ধানের চারা রোপন, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানা বিএনপি নিকলীতে ৫২ লিটার চোলাই মদসহ নারী গ্রেপ্তার, স্বামী-সন্তান পলাতক পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে পিরোজপুরে জেলা পরিষদের বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম শুরু ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অস্থির লৌহজং, দুর্ভোগে জনজীবন বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উদযাপন কোয়ান্টামের আয়োজনে আট শতাধিক স্বেচ্ছা রক্তদাতাকে সম্মাননা পুলিশের সিভিলিয়ান কর্মচারী শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী বিএনপি’র পরিচয়ে বেলাল হোসেন ও হাসিনা শিরিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী বোম্বাই মরিচ চাষে আগ্রহ বাড়ছে বরিশালের চাষিদের কেরানীগঞ্জে ৪ বছরের শিশুকে চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে ধ”র্ষ”ন চেষ্টার অভিযোগে যুবক আটক। মিরপুরে সিগারেট চোরাই কারবারি কামালের পক্ষে ছাত্রদল পরিচয়ে সজীবের হুমকিতে ভুক্তভোগীর থানায় সাধারণ ডায়েরি রক্তে রাঙা সীমান্তে লাগাতার হত্যাকাণ্ড ও জোরপূর্বক ‘পুশ-ইনে নীরব বাংলাদেশ বাংলা টিভির সামাদুল হককে ঘিরে একের পর এক অভিযোগ ভুয়া আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং পারমিট, এনআইডি জালিয়াতি করে সম্পদের পাহাড় গড়েছে বাবুল জনরায়ের জয়: ঘাগড়া ইউপি চেয়ারম্যান সাইদুর রহমানের প্রশাসনিক ক্ষমতা পুনর্বহাল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান, এমপির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন মানবাধিকার সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর গুম ও খুনের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যবৃন্দ। গ্যাসের সংকট দ্রুত নিরসনে সরকারের নানা উদ্যোগ পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ গ্রেফতার টঙ্গীতে জলাবদ্ধতা নিরসনে সেচ পাম্প স্থাপন ও ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রমে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী শাহীন আহমদ রিজভী হোয়াইক্যংয়ের কথিত ঠিকাদার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী যুবদল নেতা ফরিদ ও মৎস্যজীবি দল নেতা আজম ইয়াবাসহ আটক খুলনায় দৌলতপুর ওজোপাডিকো মসজিদে ফজরের নামাজের সময় গুলি, আহত ১ মোবাইল ফোন কিনে না দেওয়ায় স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা মাঠে ও অফিসে রুকুনোজ্জামান রোকন: জনসেবায় মসিক প্রশাসকের নতুন দৃষ্টান্ত ফুটবল বিশ্বকাপের জমকালো আসরত নিজের পোশাকে লাল-সবুজ পতাকা আর বাংলার বাঘ রয়েল বেঙ্গল টাইগারের ছবি দেখাইয়া বিশ্বদরবারো বাংলাদেশ রিপ্রেজেন্ট করলো এবং বিশ্ববাসীর নজড় কাড়লো সিলেটি ফুয়া সঞ্জয় ।
জরুরী নোটিশ :
জরুরী নোটিশ এবং সতর্কবার্তা ""গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক  মিডিয়া ভুক্ত পত্রিকা দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশে কর্তব্যরত সকল সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ।  কিছু কুচুক্তি মহল বিভিন্ন গণমাধ্যমের আইডি কার্ড নকল করে বিভিন্ন প্রকার অপরাধে জড়াচ্ছে কিছুদিন পর পর পত্রিকার এসব খবরে আমরা বিভ্রান্ত। এরকম বেশ কয়েকজন অপরাধী দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার আইডি কার্ড নকল করেছে এমন প্রমাণিত হওয়াতে আমরা তাদের বিরুদ্ধে  তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছি। এবং সংবাদ প্রকাশ করে এসব অপরাধীদের সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নাই বলে আমরা ঘোষণা দিয়েছি।  সেই সাথে আমরা আমাদের প্রদত্ত বিগত দিনের সকল আইডি কার্ড পরিবর্তন করে স্ক্যানিং কোড সিস্টেম করে নতুন আঙ্গিকে আইডি কার্ড তৈরি করেছি।  দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশে কর্তব্যরত সকল সাংবাদিকদের কে সম্মানের সাথে জানাচ্ছি আপনারা  আপনাদের পুরনো আইডি কার্ড পত্রিকা অফিসে জমা দিয়ে সেই সাথে নতুন করে ভোটার আইডি কার্ড এবং  আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল সনদের সত্যায়িত ফটোকপি সহ জমা দিয়ে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নতুন আইডি কার্ড সংগ্রহ করার জন্য নির্দেশ দেয়া গেল। পত্রিকা কর্তৃপক্ষের এই নির্দেশ যারা অমান্য করবে তাদেরকে পত্রিকা কর্তৃপক্ষ বহিষ্কৃত বলে গণ্য করবেন। আপনাদের জ্ঞাতার্থে আরও জানাচ্ছি যে  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশক্রমে সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতার মান নির্ণয় সহ সাংবাদিকদের ডাটাবেজ তৈরি করছেন, মাননীয় সাবেক বিচারপতি প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ইতিমধ্যে এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতি দিয়েছেন। পুনরায় আপনার ভোটার আইডি কার্ড এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা অভিজ্ঞতার সনদ সকল কিছু সত্যায়িত করে নতুনভাবে দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার   কর্তৃপক্ষকে জমা দিয়ে পুরনো কার্ডটি ফেরত দিয়ে নতুন আইডি কার্ড নেওয়ার জন্য নির্দেশ রইল।  আদেশক্রমে --আব্দুল্লাহ আল মামুন--প্রকাশক ও সম্পাদক--দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ ।

৭ নভেম্বর: রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমানের উত্থানের ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণ ও তাঁর আদর্শের বাস্তবতা

আওরঙ্গজেব কামাল : / ৮৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন

৭ নভেম্বর: রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমানের উত্থানের ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণ ও তাঁর আদর্শের বাস্তবতা

আওরঙ্গজেব কামাল :

 

৭ নভেম্বর মানে এক ঐতিহাসিক দিন। যেটি ছিল বাংলাদেশের জন্য অথ্যন্ত গুরুত্ব পূর্ণ। সেদিন রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান যা উপহার দিয়েছিল এবং পথের আলো জালিয়েছিল সেই আলোতে বা মরুহুম জিয়াউর রহমান এর দেখানো পথে কি বিএনপি চলছে? হয়তো অনেকে আমার এই লেখা দেখে অনেক কিছু ভাববেন কিন্ত আমি যেটা বুঝাতে চেয়েছি সেটা হল ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর—ভোরের
বাতাসে তখন ছিল এক অদ্ভুত উত্তেজনা। শহর থেকে গ্রাম, নগর থেকে জনপদ—সবখানেই মানুষ নেমেছিল পথে। রেডিওতে ভেসে এলো এক কণ্ঠস্বর—‘আমি জিয়া বলছি’। মুহূর্তেই যেন মুক্তিযুদ্ধের ২৬ মার্চের দিনটির স্মৃতি ফিরে এলো জনমানসে। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল মানুষ, বুকের ওপর থেকে সরে গেল ভার। পথে
পথে উল্লাস‘সিপাহী-জনতা ভাই ভাই’, ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’, ‘জিয়াউর রহমান
জিন্দাবাদ’। জনতার সঙ্গে সেনাদের মিলনে যেন গড়ে উঠেছিল ইতিহাসের নতুন অধ্যায়।এই দিনটিকে অনেক বিশ্লেষক বলেন বাংলাদেশের রাজনীতির “টার্নিং পয়েন্ট”একটি দিন, যখন বিশৃঙ্খলা থেকে দেশ ধীরে ধীরে খুঁজে পায় স্থিতি ও দিকনির্দেশনা। ৭ নভেম্বরের বিপ্লবের মধ্য দিয়ে সেনা ও জনগণের এক অভূতপূর্ব ঐক্য গড়ে উঠেছিল, যার নেতৃত্বে ছিলেন তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান।১৯৭৫ সালের ঘটনাপ্রবাহের প্রত্যক্ষদর্শী কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ, বীর বিক্রম মনে করেন—এই দিনটি ছিল দেশের সার্বভৌমত্ব
রক্ষার এক বিপ্লবী অধ্যায়। তাঁর ভাষায়, “১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ রাতে জিয়াউর
রহমানই প্রথম সশস্ত্র বিদ্রোহের ডাক দেন। যুদ্ধের সূচনালগ্নে তাঁর কণ্ঠে
স্বাধীনতার ঘোষণা গোটা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে।তিনি আরও বলেন, “স্বাধীনতার পর যখন দেশ একদলীয় শাসনে পর্যবসিত হলো, তখন সেনাবাহিনীর ভেতরে অসন্তোষ
জমা হচ্ছিল। খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে ৩ নভেম্বরের অভ্যুত্থান ছিল ওই
অসন্তোষেরই পরিণতি, কিন্তু সেই অভ্যুত্থান সেনাদের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি। ৭ নভেম্বরের বিপ্লব মূলত সেই পরিস্থিতিরই প্রতিক্রিয়া, যা দেশের সার্বভৌম স্বার্থে এক নতুন পথ খুলে দেয়।অলি আহমেদের মতে, “জিয়াউর রহমান সেনাবাহিনীতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনেন, কৃষি, শিল্প ও প্রশাসনে সংস্কার আনেন এবং জাতিকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলেন। তিনি রাজনীতিতে আসতে চাননি, কিন্তু পরিস্থিতি তাঁকে রাষ্ট্রনেতার আসনে বসতে বাধ্য করে।বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ মনে করেন, “১৫ আগস্ট থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত ছিল সেনাবাহিনীর সবচেয়ে অস্থির সময়। খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে ৩
নভেম্বরের অভ্যুত্থানে জিয়াউর রহমানকে বন্দি করা হয়—এটা সেনাদের কাছে অপমানজনক ছিল।তাঁর মতে, কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে গঠিত বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা পরিস্থিতিকে জটিল করে তোলে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেনারা নিজেরাই জিয়াকে মুক্ত করে সেনাপ্রধান হিসেবে পুনঃস্থাপন করেন। “জিয়া তখন চেইন অব কমান্ড পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর মর্যাদা ফিরিয়ে আনেন,” বলেন তিনি। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “৭ নভেম্বর ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য এক টার্নিং পয়েন্ট। এই দিনেই দেশে বহুদলীয় রাজনীতির পথ খুলে যায়, সামরিক ও বেসামরিক উভয় ক্ষেত্রেই শুরু হয় নতুন যাত্রা।তাঁর মতে, “জিয়াউর রহমানের মুক্তি কেবল একজন সৈনিকের মুক্তি ছিল না, বরং তা ছিল স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রতীক।রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, “৭ নভেম্বরের মাধ্যমে রাষ্ট্রে যে শৃঙ্খলা ও স্থিতি ফিরে আসে, তা ছিল জাতির জন্য নতুন আশার সূচনা। বন্দি জিয়াউর রহমানের মুক্তি জনগণের আত্মবিশ্বাস পুনরুদ্ধারের প্রতীক হয়ে দাঁড়ায়।তিনি আরও বলেন, “এ দিনটিকে দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা ভুল হবে। ৭ নভেম্বর জাতির স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ঐক্যের প্রতীক। সৈনিক ও জনতার সংহতির যে চিত্র সেইদিন দেখা গিয়েছিল, তা বাংলাদেশের ইতিহাসে
বিরল।৭ নভেম্বরের সকালটি কেবল একটি রাজনৈতিক ঘটনা নয়; এটি ছিল ইতিহাসের এমন এক মুহূর্ত, যখন একটি জাতি আবার নতুন করে আত্মপ্রত্যয়ী হয়েছিল।রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে জিয়াউর রহমানের উত্থান, তাঁর নেতৃত্বে গণতন্ত্র ও
জাতীয়তাবাদের পুনর্জাগরণ—সব মিলিয়ে ৭ নভেম্বর চিরকাল স্মরণীয় থাকবে বাংলাদেশের ইতিহাসে এক সন্ধিক্ষণ হিসেবে। জিয়াউর রহমান বিশ্বাস করতেন গণতন্ত্রই জাতির শক্তির মূল। তাই তিনি বহুদলীয় রাজনীতি পুনরায় চালু করেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেন, প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণে উদ্যোগ নেন।
পরবর্তী সময়ে তাঁর নেতৃত্বেই গঠিত হয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
(বিএনপি)—একটি দল যা দেশের সার্বভৌমত্ব, উন্নয়ন ও গণতন্ত্রকে মূল আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করে। প্রশ্ন আসে—জিয়াউর রহমান যে পথ দেখিয়েছিলেন, আজকের বিএনপি কি সেই পথে চলছে? জিয়া যে আত্মনির্ভর, গণতান্ত্রিক, নৈতিক রাজনীতির ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, সেই আদর্শে টিকে থাকা এখন সময়ের চ্যালেঞ্জ। আজ দলের ভেতরে নানা অভিযোগ উঠছে—দলীয় অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, নেতৃত্ব সংকট, কিছু স্থানে চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ। শহীদ জিয়া কখনো এমন রাজনীতি চায়নি। তিনি বিশ্বাস করতেন—রাজনীতি মানে জনসেবা, স্বচ্ছতা ও আত্মনিবেদন। কিন্তু আজ অনেক ক্ষেত্রেই সেই আদর্শ
থেকে দলটি বিচ্যুত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।তাঁর দর্শনের মূল ছিল “জনগণের ক্ষমতায়ন”—আজকের রাজনীতিতে সেই দর্শনকে পুনরায় ধারণ করাই হতে পারে বিএনপির জন্য প্রকৃত শ্রদ্ধাঞ্জলি। আজও সেই দিনের শিক্ষা আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জাতির ঐক্য ও আত্মবিশ্বাসই উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি। বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন শুধু ক্ষমতার লড়াই নয়—এটি হবে আদর্শের লড়াইও। জিয়াউর রহমানের রাজনীতির মূল ছিল “জনগণের কাছে ক্ষমতা ফেরত দেওয়া”। আগামী নির্বাচনে বিএনপি যদি সত্যিই তাঁর আদর্শে ফিরে যেতে চায়, তবে আগে দলকে জনগণের সঙ্গে পুনরায় সংযুক্ত হতে হবে—দলীয় নেতৃত্বে শুদ্ধি, তৃণমূলে
আস্থা এবং আদর্শভিত্তিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। নয়তো জিয়ার নাম
ব্যবহার করেও তাঁর আদর্শ থেকে বিচ্যুতি ইতিহাস কখনো ক্ষমা করবে না। ৭
নভেম্বর আমাদের শেখায়—রাষ্ট্র তখনই শক্তিশালী হয়, যখন জনগণ ও সেনা,
শ্রমিক ও কৃষক, শহর ও গ্রাম একসঙ্গে দাঁড়ায়। জিয়াউর রহমানের উত্তরাধিকার
শুধু একজন নেতার নয়—এটি এক চেতনার নাম। সেই চেতনা হলো—স্বাধীনতা, আত্মনির্ভরতা ও ঐক্যের বাংলাদেশ। আজ, যখন দেশ আবার রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড়িয়ে, তখন শহীদ জিয়ার আদর্শই হতে পারে জাতির পথপ্রদর্শক—যদি তাঁর
উত্তরসূরিরা সত্যিই সেই পথ অনুসরণ করতে প্রস্তুত থাকে।

 

লেখক ও গবেষক:
আওরঙ্গজেব কামাল
সভাপতি
ঢাকা প্রেস ক্লাব

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *