মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৯:০০ পূর্বাহ্ন

এ আর মজিদ শরীফ :
মানুষের প্রকৃত সৌন্দর্য তার মনের মধ্যে নিহিত থাকে। সমাজে কিছু মানুষ থাকেন, যারা নিঃস্বার্থভাবে অন্যের পাশে দাঁড়ান, ভালোবাসা ছড়িয়ে দেন এবং মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। তেমনই একজন ব্যতিক্রমধর্মী এবং ভালো মনের মানুষ হলেন বিএম আলমগীর। তাঁর জীবনের আদর্শ, কর্মপ্রবাহ এবং মানবিক চিন্তাধারা তাকে আমাদের সমাজে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
বিএম আলমগীর একজন বিনয়ী, সদাচারী ও দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। তিনি সব সময় সত্য, ন্যায় ও মানবিকতাকে জীবনের মূল স্তম্ভ হিসেবে গ্রহণ করেছেন। তাঁর জীবনযাত্রা সাধারণ হলেও তার মনোভাব অসাধারণ। ছোট বড় সবাইকে সম্মান করা, গরিব-দুঃখীর পাশে দাঁড়ানো, এবং কারো বিপদে এগিয়ে আসা—এগুলো তার স্বভাবেরই অংশ।
বিএম আলমগীরের সবচেয়ে বড় গুণ হলো তাঁর সামাজিক দায়বদ্ধতা। তিনি বিশ্বাস করেন, সমাজের উন্নয়ন প্রতিটি মানুষের সম্মিলিত দায়িত্ব। এই বিশ্বাস থেকে তিনি নিয়মিত নানা সমাজসেবামূলক কাজে অংশগ্রহণ করেন। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার খরচ বহন করা, অসুস্থদের চিকিৎসা সহায়তা প্রদান, এলাকার রাস্তা-ঘাট উন্নয়নে নিজের সাধ্যমতো ভূমিকা রাখা—এসবই তার জীবনের অংশ।
তিনি কোনো প্রচারবিমুখ না হয়ে নীরবে কাজ করতে পছন্দ করেন। তাঁর সাহায্যপ্রাপ্ত অনেকেই জানান, আলমগীর ভাই কখনো সাহায্যের জন্য ‘না’ বলেন না, বরং যতটুকু পারেন, মন খুলে দেন।
বিএম আলমগীর শুধু একজন ব্যক্তি নন, তিনি এক জীবন্ত অনুপ্রেরণা। তরুণ সমাজ তার কাছ থেকে শিখতে পারে কিভাবে একজন সাধারণ মানুষও অসাধারণ কাজ করতে পারে। তাঁর সততা, নিষ্ঠা ও সহানুভূতিশীলতা বর্তমান সমাজে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
আজকের এই আত্মকেন্দ্রিক সমাজে বিএম আলমগীরের মতো ভালো মনের মানুষ আমাদের জন্য আশার আলো। তিনি প্রমাণ করেছেন, ভালো মানুষ হতে সম্পদ নয়, প্রয়োজন একটি মানবিক মন, সহানুভূতির হাত এবং দায়িত্ববোধ। বিএম আলমগীরের মত মানুষদের সংখ্যা বাড়লে সমাজ আরও সুন্দর, মানবিক এবং বাসযোগ্য হয়ে উঠবে।