মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১০:৪০ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক :
৭১ টিভিতে প্রচারিত একটি প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ)।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পিডিবিএফের ভারপ্রাপ্ত যুগ্ম পরিচালক শরিফ উদ্দিন তালুকদার।
লিখিত বক্তব্যে পিডিবিএফ জানায়, গাড়ি ক্রয়, জনবল নিয়োগ, আসবাবপত্র সংগ্রহ ও বোর্ড সদস্যদের মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়া—এসব কার্যক্রম সম্পূর্ণ নিয়ম মেনেই সম্পন্ন হয়েছে। তাদের দাবি, এসব বিষয়ে ৭১ টিভির প্রতিবেদনে যে তথ্য প্রচারিত হয়েছে, তা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে উপস্থাপন করা হয়েছে। পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সাংবাদিক সুশান্ত সিনহার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে বলা হয়, তিনি অতীতে প্রতিষ্ঠানবিরোধী একটি চক্রের সঙ্গে যুক্ত থেকে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করেছেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পিডিবিএফের অতিরিক্ত পরিচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ব্যক্তির পক্ষে নয়, প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এসেছি। এমডি পদের গাড়ি ব্যক্তিগত না, প্রাতিষ্ঠানিক সম্পদ। যে ব্যক্তি এমডি পদে থাকবেন, গাড়ি ব্যবহার করতে পারবেন। সংবাদে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে, এতে প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে।’
পিডিবিএফের অডিট বিভাগের যুগ্ম পরিচালক শাহেদুর রহমান খান বলেন, “এমডি নিয়োগ সরকার ও বোর্ড অফ গভর্নর নির্ধারণ করেন। আমরা কাউকে নিয়োগ দেইনি। প্রশাসনিক নিয়মে দায়িত্ব ভারপ্রাপ্ত এমডিকে দেওয়া হয়েছে।”
জনাব সুশান্ত কুমার সিনহা কর্তৃক পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ)-এর বিরুদ্ধে অসভ্য, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ পরিবেশনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন বক্তারা কথা বলেন এবং সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন সেই সাথে প্রেস লিস্ট অনুযায়ী তথ্যপ্রকাশ করেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে । আপনারা অবগত আছেন যে, মহান জাতীয় সংসদের ‘পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন আইন, ১৯৯৯ (২৩ নং আইন)-এর মাধ্যমে একটি সংবিধিবদ্ধ স্ব-শাসিত সংখা হিসেবে ‘পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিডিএফ) প্রতিষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধিযুক্ত এ সরকারি প্রতিষ্ঠানটি দেশের দারিদ্র ও সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর আর্ত-সামাজিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে অগ্রণী ভূমিকা রেখে চলেছে। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় পিডিবিএফ-এ বিগত ১৫ বছরে ফ্যাসিস্ট সরকার বাণিজ্যিক দৃষ্টিভঙ্গি সম্পন্ন, দলীয় আজ্ঞাবহ ও পক্ষপাতদুষ্ট বেসরকারি ব্যক্তিদের নিয়োগ প্রদান করে। উক্ত সময়ে নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালকগণের অনেকেই নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিভিন্ন গ্রুপ তৈরি ও সিবিএ-এর সাথে আঁতাত করে নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎসহ বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক কর্মকান্ডের উৎস হিসেবে পিডিবিএফ-কে ব্যবহার করেছেন। ফলে দুর্নীতি ও রাজনৈতিক প্রস্তাবের কারণে প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের কাঙ্খিত অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হয়েছে। অপেশাদার নেতৃত্বের ফলে কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে মারাত্মক বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্য এবং উৎপাদনশীলতা হ্রাস পেয়েছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় হতে পরিচালক, প্রশাসন হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত জনাব মোঃ মাহমুদ হাসান (যুগ্মসচিব)-কে প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় হতে ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব প্রদান করা হলে পিডিবিএফ-এর অগ্রযাত্রায় নতুন অধ্যায় সূচিত হয়। বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক পিডিবিএফ-এর কার্যক্রমকে গতিশীল করার লক্ষ্যে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জনবল নিয়োগ ও পিডিবিএফ-এর আইন ও প্রবিধানমালা সংস্কারের মতো গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন। প্রতিষ্ঠানে নীতি ন্যায্যতাকে প্রাধান্য দিয়ে তাঁর দৃঢ় অবয়ান, বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং দুরদর্শী সিদ্ধান্তে যখন পিডিবিএফ-এ কর্মপরিবেশ ফিরে এসেছে এবং একটি নবজাগরণ সৃষ্টি হয়েছে এবং দুর্নীতিবাজদের সকল অনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের পথ বন্ধ হয়েছে। ঠিক তখনই প্রতিষ্ঠানের ভিতরের ও বাইরের গুটিকয়েক দুষ্কৃতিকারীরা বর্তমান ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক গৃহীত সকল ইতিবাচক কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করার হীন চক্রান্তে মেতে উঠেছে। বিগত সরকারের আমলের সিবিএ নামধারী আওয়ামী ফ্যাসিস্ট চক্রের দোসর, দুর্নীতির দায়ে চাকরিচ্যুত ও পিডিবিএফ-এর অভ্যন্তরের গুটিকয়েক স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি মূলত তাঁদের অন্যায় ও দুর্নীতির সাম্রাজ্য পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য বিভিন্ন অপকৌশল ও অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। বিগত ১৫ বছর যেভাবে তারা স্বার্থ চরিতার্থ করেছে ঠিক একইভাবে পূর্বের ন্যায় অনৈতিক সুবিধা চরিতার্থ করার লক্ষ্যে এখনও সার্চ কমিটির মাধ্যমে স্বড়যন্ত্রে তৎপর রয়েছে।
গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের ৪র্থ স্তম্ভ বলা হয়ে থাকে। গণমাধ্যমের প্রতি আমাদের পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে। তবে, কখনো কখনো স্বার্থান্বেষী মহল হীনস্বার্থ চরিতার্থ করার লক্ষ্যে অসত্য বানোয়াট ভিত্তিহীন তথ্য পরিবেশনের মাধ্যমে কোনো কোনো দুর্নীতিগ্রস্থ গণমাধ্যমের কর্মীকে বিপথগামী করার অপচেষ্টা চালায়। বিগত স্বৈরাচারের আমলেও বিভিন্ন সময় আমরা কোনো কোনো গণমাধ্যমকে স্বৈরাচারের দোসর হিসেবে ভূমিকা পালন করতেও দেখা গেছে। জুলাই গণ-অভ্যুথানের পর গণমাধ্যম পেশাদারিত্ব ও বস্তুনিষ্ঠতা সমুন্নত রেখে চেতনা ফিরে পাওয়ার এখন সময় এসেছে। কিন্তু দুঃখের সাথে জানানো যাচ্ছে যে, বিগত ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে একটি টিভি চ্যানেলে সাংবাদিক সুশান্ত সিনহা পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) সম্পর্কে অসত্য, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ পরিবেশন করে। যা দেখে আমরা খুব একটা বিস্মিত হইনি। কারণ এটি এমন একটি চ্যানেল যারা বিগত স্বৈরাচার সরকারকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে গণমাধ্যম জগতে অদ্বিতীয় দোসর হিসেবে তুমিকা রেখেছে। আর যে সাংবাদিকের মাধ্যমে এটি প্রচার করা হয়েছে সেই সাংবাদিক সম্পর্কেও দেশবাসী অবগত। ২৫ জুলাই এর পট পরিবর্তনের পর পবিত্র সাংবাদিকতা পেশাকে প্রকৃত পেশাদারিত্ব ও বস্তুনিষ্ঠতার সাথে সমন্বিত করার এখন সময় এসেছে। অন্যথায়, এ জাতীয় গণমাধ্যম ভবিষ্যতে ক্রমশ জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। আর সাংবাদিক নামধারী এ ধরনের অসৎ, দুর্নীতিগ্রস্ত, অপেশাদার সাংবাদিকের হাতে ক্যামেরা থাকলে পবিত্র এ পেশার মানমর্যাদা ভুলুষ্ঠিত হবে। এ জাতীয় মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করা হলে দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে ও জাতি বিভ্রান্ত হবে। এক্ষেত্রে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, সাংবাদিক জনাব সুশান্ত কুমার সিনহা এক যুগ আগে থেকেই এ প্রতিষ্ঠান বিরোধী একটি দুষ্কৃতিকারী সিন্ডিকেটের সাথে আঁতাত করে অন্যায়কারীদের পক্ষ হইতে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করে অপরাধী চক্রকে সুরক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। পতিত স্বৈরাচারের দোসর হিসেবে তিনি পুরো সময়টাই সাংবাদিকতার মত মহান পেশাকে কলুষিত করেছেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এই সময়েও তিনি তার খোলস পরিবর্তন করলেও অপসংবাদিকতা ও অপেশাদার সুলভ কর্মকাণ্ড পরিহার করতে পারেননি। পিডিবিএফ-এ যখনই কোনো ইতিবাচক কার্যক্রমের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় তখনই তিনি অপরাধীদের চক্রের প্ররোচনায় অণুত আঁতাত করে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা, বানোয়াট, বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচারে লিপ্ত হন। বিগত জুন, ২০২৫ মাসে পিডিবিএফ প্রধান কার্যালয়ে তার আগমন ও অনুমতি ছাড়াই গোপনে ভিডিও ধারণ, দাম্ভিকতাপূর্ণ মন্তব্য তার সুস্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করে। তিনি পিডিবিএফ প্রধান কার্যালয়ে এসে কর্মকর্তাদের উপস্তিতিতে বলেন, এর আগেও অনেক এমডিকে বিদায় করেছি, এবারও তাই হবে। তাঁর এহেন অপেশাদার সুলভ আচরণের বিষয়ে সরকারি সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরে পত্র মারফত অবহিত করা হয়েছে বলে জানান সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তারা। সাংবাদিক সুশান্ত সিনহা বিগত ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে ৭১ টিভিতে পিডিবিএফ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদবি, প্রতিষ্ঠানের গাড়ি ক্রয়,পরিচালক নিয়োগ, জনবল নিয়োগ, গাড়িতে ফ্ল্যাগ স্ট্যান্ড ব্যবহার, আসবাবপত্র ক্রয়, উর্ধ্বতন কর্মকতার পদোন্নতি ও দায়মুক্তি এবং বোর্ড সদস্য শব্দ বাতিল সংক্রান্ত বিষয়ে অসত্য, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ পরিবেশন করেন। সাংবাদিক সুশান্ত সিনহা কর্তৃক যে মিথ্যা, বানোয়াট ও অপুত উদ্দেশ্য প্রণোদিত সংবাদ পরিবেশন করেছেন সে বিষয়ে প্রকৃত সত্য নিম্নরূপ। পদবীতে ভারপ্রাপ্ত ব্যবহার না করা। প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় কর্তৃক জনাব মোঃ মাহমুদ হাসান (যুগ্মসচিব)-কে ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব দেয়ার পর দাপ্তরিক চিঠিপত্রে তিনি ভারপ্রাপ্ত শব্দটি ব্যবহার করেন। কোন কোন ক্ষেত্রে ভারপ্রাপ্ত শব্দটি বাদ পড়ে থাকতে পারে। এটি কোন উদ্দেশ্য প্রণোদিত নয়। কেননা, তিনি সর্বদাই তাঁর পদবী মাযহাবের ক্ষেত্রে ‘যুগ্মসচিব’ ব্যবহার করে থাকেন। এক্ষেত্রে আইন বা নিয়মের কোন ব্যত্যয় হয়নি। গাড়ি ক্রয় : প্রকৃতপক্ষে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহোদয় পিডিবিএফ-এ যোগদানের পূর্বেই বোর্ড অব গভর্নর্স কর্তৃক প্রধান কার্যালয় ও আঞ্চলিক কার্যালয়ের জন্য ৩টি গাড়ি ক্রয়ের অনুমোদন ছিল এবং গাড়ি ক্রয়ের প্রক্রিয়াও চলমান ছিল। বর্তমান ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক শুধুমাত্র পূর্বের সিদ্ধান্তের আলোকে অনুমোদিত ৩টি গাড়ি ক্রয় সম্পন্ন করেছেন। পিডিবিএফ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদটি গ্রেড-১ সমমর্যাদার পদ । সে বিবেচনায় বোর্ডের অনুমোদনক্রমে পিডিবিএফ-এর ব্যাবস্থাপনা পরিচালকের জন্য জীপ গাড়ি ক্রয় করা হয়েছে। বিগত ২০০৪ সালের পর থেকে পিডিবিএফ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের জন্য কোনো গাড়ি ক্রয় করা হয়নি। এক্ষেত্রে নিয়মের কোনো হেরফের হয়নি। এমডি নিয়োগ প্রদান জনাব মোঃ মাহমুদ হাসান (যুগ্মসচিব), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক ন্যাস্ত হয়েছেন এবং প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় কর্তৃক ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়েছেন। তিনি কেবলমাত্র ন্যায়ের সাথে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব প্রতিপালন করছেন। পিডিবিএফ-এর ব্যাবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে কাজ করার অভিলাষ তাঁর ছিলনা এবং এখনও নেই । সরকারের অভিপ্রায় অনুযায়ী স্বাভাবিক নিয়মেই তিনি ফের অন্যত্র পদায়িত হবে। জনবল নিয়োগ: পিডিবিএফ-এ দীর্ঘদিন নিয়োগ বন্ধ থাকায় জনবল শূন্যতায় প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। তাছাড়া, পিডিবিএফ সাম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় ১৩৫টি উপজেলায় জনবল নিয়োগের আবশ্যকতা দেখা দেয়। যে কারণে সরকারের অভিপ্রায়ে দপ্তর/সংস্থার শূন্যপদে জনবল নিয়োগের নির্দেশনা থাকায় বোর্ডের অনুমোদনক্রমে অত্যন্ত স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে ৩টি গ্রেডে মোট ১৬৬৫ জনবল নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে। এ নিয়োগ জনগণের কাছে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত ও দেশের সর্ব মহলে প্রশংসা পেয়েছে। গাড়িতে পতাকা ব্যবহারে মোঃ মাহমুদ হাসান সরকারের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসেবে যে সকল সুবিধা পেতে পারে তাও তিনি পুরোপুরি ব্যবহার করেননি । উপস্থিত সকল সাংবাদিকদের আহবান জানানো হয় সুশান্ত সিনহা যে সংবাদ প্রচার করেছেন আপনারা তা অনুসন্ধান করুন তার সংবাদের সত্যতা যাচাই করুন আপনাদের অনুসন্ধানে যদি পিডিবিএফ এর বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কোন অসততা দুর্নীতি অনিয়ম পান তাহলে সকল পত্রিকায় প্রধান শিরোনামে প্রকাশ করুন আর যদি সুশান্তের সংবাদ মিথ্যা হয় তাহলে সাংবাদিকতার এই মহান পেশার পবিত্রতা বজায় রাখতে ও দুর্নীতিবাজ প্রতারক মিথ্যাবাদী ঠক সাংবাদিকের মুখোশ উন্মোচন করুন সাংবাদিকদের প্রতি মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অটুট রাখতে এ ধরনের অপসংবাদিকতা বন্ধ হওয়া আবশ্যক। সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তারা ৭১ টিভির পরিবেশিত অসত্য প্রতিবেদনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় এবং পিডিবিএফ ঘৃনাভরে এ সংবাদ প্রত্যাখ্যান করেছে বলে উল্লেখ করেন ।