1. amarpranerbd@gmail.com : news :
  2. amarpranerbangladesh@gmail.com : PRANER BD REPORTER : PRANER BD REPORTER
  3. editor.amarpranerbd.official@gmail.com : Newsdesk :
শিরোনাম :
ডিবির বিশেষ অভিযান: ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৭,  সরফভাটা ওয়েলফেয়ার সোসাইটির উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবী ও গুণীজন সংবর্ধনা কবে হবে সুন্দরবন দস্যুমুক্ত আজ থেকে নিষেধাজ্ঞা শেষে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বনে ফিরছেন জেলে-বাওয়ালিরা কেশবপুরে জামায়াতে ইসলামীর ইউনিট দায়িত্বশীল সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত সওজ’র গাফলতি চরমে,অকেজো হচ্ছে কোটি টাকার ফেরি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে চৈতী কম্পোজিট  লিঃকে ৭৫ লক্ষ ৪ হাজার টাকা জরিমান ধার্য করা হয়  প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মোহনগঞ্জে পতাকা উত্তোলন ও রেলিতে এমপি বাবর- নবনির্মিত প্রশাসনিক ভবন উদ্বোধন ও বৃক্ষরোপণ মানুষের কল্যাণে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম – মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে ৪ নং পৈল ইউনিয়ন বাসীকে ভালবাসা ও শুভেচ্ছা জানালেন ফ্রান্স প্রবাসী ৪ নং পৈল ইউনিয়নের  চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শেখ সোহেল রানা ভাই ।  শিবচরে গণউন্নয়ন সমবায় সমিতির প্রতারণায় নিঃস্ব নিম্নআয়ের মানুষ মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন

এমএলএম প্রতারণার গড ফাদার আব্দুর রহিম নামে বেনামে কোম্পানী খুলে প্রতারণা করে চলছে প্রশাসনের নাকের ডগায়

Reporter Name
  • Update Time : Tuesday, June 17, 2025,
  • 207 Time View

 

স্টাফ রিপোর্টার :

 

নামে আছে কামে নাই। কাগজপত্রে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া ফ্রেন্ডশীফ ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতাল এবং লাইফ লাইন ইউনির্ভাস হসপিটাল থাকলেও বাস্তবে এর কোন দেখা মিলেনা। প্রতারকদের প্রথম প্রজেক্ট লাইফ লাইন ইউনির্ভাস হসপিটাল এবং ২য় প্রজেক্ট বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া ফ্রেন্ডশীফ ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতাল ও ৩য় প্রজেক্ট বিভিন্ন ধানক্ষেতের জমি ভাড়া করে আবাসন প্রকল্পের নামে চিটারি।

এই চক্রের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগের সাথে দালিলিক প্রমাণাদি দিলেও এখন পর্যন্ত আব্দুর রহিমকে গ্রেফতার করা হয়নি। তার কার্যক্রম বন্ধ করা হয়নি। সে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন নামে কোম্পানী করে নতুন ফর্মুলা নিয়ে সাধারণ মানুষকে লোভ দেখিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। এরকম অভিনব এক এমএলএম ব্যবসা শুরু করেছে আব্দুর রহিম। পিতা-আব্দুল খালেক, মাতা-আয়শা খাতুন, ঠিকানা: গ্রাম-ছোট হাপানিয়া, ডাকঘর: ইন্তাজগঞ্জ, থানা-হরিরামপুর, জেলা-মানিকগঞ্জ।

অস্ট্রেলিয়ান পাসপোর্টধারী এই ব্যক্তি প্রথমে লাইফ লাইন হেলথ কেয়ার নামে বসুন্ধরার জে সি এক্স ভবনের লিফটের-১১ তলায় একটি প্রতিষ্ঠান সরকারি নিয়মনীতি এবং লাইসেন্সের তোয়াক্কা না করেই খোলেন। হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর তথা ডিজি হেলথ এর অনুমাতি এবং ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া হাসপাতালের শেয়ার বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় এবং কর্মচারী ও শেয়ার হোল্ডারদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে ঐ কোম্পানী বন্ধ করে নতুন একটি কোম্পানী খুলে, যার নাম বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া ফ্রেন্ডশীফ ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতাল লিমিটেড যা জয়েন্ট স্টোক কর্তৃক নিবন্ধনকৃত। এই কোম্পানীতে আব্দুর রহিম সহ মোট ৫ জন ডিরেক্টর যাদের কাছ থেকে তিনি অর্থ গ্রহন করেন এবং এখানেও হাসপাতালের নামে শেয়ার বিক্রি করেন। অন্যান্য ডিরেক্টারগণ তার কুটচাল ধরতে পেরে তারা রেজিগনেশন লেটার দিয়ে উক্ত কোম্পানী থেকে অব্যাহতি নেন বলে জানা যায়।

এই কোম্পানীর ঠিকানা: ক/৮৬/১, প্রগতি স্মরনী রোড, কুড়িল সিমেক্স শিমুল ত্রিশা ট্রেড সেন্টার ৬ষ্ঠ তলা, ঢাকা-১২২৯। এখান থেকেও অর্থ আত্মসাত করেও অন্যান্য ডিরেক্টারদের সাথে আলোচনা ছাড়াই তিনি লাইফ লাইন হেলথ কেয়ারের পূর্বের ঠিকানা জেসি এক্স ভবনের লিফটের-১১, পূর্বের ঠিকানায় রেইন ফরেষ্ট গ্রুপ নামে আর একটি প্রতিষ্ঠান খুলেন এবং তদরুপ শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের পায়তারা করেন। সম্প্রতি গাজীপুরে ধানক্ষেতের মধ্যে রেইন ফরেষ্ট অস্ট্রেলিয়ান সিটি নামে সাইন বোর্ড তুলেন যা দিয়ে পূর্বের ন্যায় অর্থ আত্মসাতের পায়তারা করছেন। উক্ত জমিতে সরকারি কোন অনুমতি নেই। পরিবেশ ছাড়পত্র নাই, গৃহায়নের কোন অনুমতি নাই এবং কোম্পানীর নামে কোন জমি রেজিষ্ট্রি ও নাই শুধু মাত্র গ্রাহকদের সাথে প্রতারনার নিমিত্তে নাম কাওয়াস্তে এই সাইন বোর্ড উত্তোলন করেন। উল্লেখ্য প্রতি মাসে তিনি এক একটি অফিস পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন নতুন লোক নিয়োগ দিয়ে তার অর্থ আত্মসাতের প্রতারনার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। ভুয়া কোম্পানীর মাধ্যমে আব্দুর রহিম একই ব্যক্তি বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়ে ধরা-ছোয়ার বাহিরে আছেন। কিন্তু কর্মচারী এবং শেয়ার হোল্ডারগণ বার বার হামলা মামলা ও প্রতারণার শিকার হচ্ছে।

বিষয়টি নিয়ে হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব সেহেলী পারভীনের সাথে কথা বললে তিনি জানান, এই বিষয় গুলো সংশ্লিষ্ট থানা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং ভূমি মন্ত্রণালয়, সেই সাথে দূর্নীতি দমন কমিশনের নজরদারী বাড়িয়ে এসব প্রতারকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এই প্রতারকরা যেন নামে বেনামে আর কোন এমএলএম টাইপের ব্যবসা করতে না পারে, সাধারণ মানুষদেরকে লোভের ফাঁদে ফেলে প্রতারিত করতে না পারে, এদেরকে গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখি করা এখন সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

৫ই আগস্টের ছাত্র গণঅভ্যূত্থানের পর কোন প্রতারক, ঠক ও ভন্ডদের স্থান বাংলার মাটিতে হবেনা। সবাই আসবে আইনের আওতায়। এমনটাই প্রত্যাশা সবার। আগে সোনার বাংলা পরে অন্যসব। সাধু সাবধান।

 

 

Facebook Comments Box

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 প্রানের বাংলাদেশ