1. amarpranerbd@gmail.com : news :
  2. amarpranerbangladesh@gmail.com : PRANER BD REPORTER : PRANER BD REPORTER
  3. editor.amarpranerbd.official@gmail.com : Newsdesk :
শিরোনাম :
সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে র‍্যাব-৬ এর কাছে ৪ বাহিনীর ৫২ বনদস্যুর আত্মসমর্পণ বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজের নকশা অনুমোদন, এরপরও প্রধান প্রকৌশলীর চেয়ারে খালেকুজ্জামান-দ্বিতীয় পর্ব গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু নাসের চৌধুরীকে ঘিরে ৩৫ e-GP টেন্ডারে প্রশ্ন গণপূর্তে সরকারি অর্থ ব্যয়ে অনিয়মের অভিযোগ,তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জাকির হোসেনকে ঘিরে উঠছে নানা প্রশ্ন মহেশখালীতে চেকপোস্টে ৮ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারঃ আটক-২ টঙ্গীতে শান্তা জুয়েলার্সের মালিক কাস্টমারের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ,থানায় একাধিক লিখিত অভিযোগ বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গাইবান্ধায় আনন্দ র‍্যালি ও সমাবেশ শ্রীপুরের মানুষের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার পুরাতন খলনায়ক নতুন করে আবির্ভাব। কুড়িগ্রামে পালিত হলো বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ডিবির বিশেষ অভিযান: ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৭, 

লিখিত অভিযোগের পরও দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেই: গণপূর্ত কর্মকর্তা পূষন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

শাপলা আক্তার
  • Update Time : Tuesday, August 4, 2026,
  • 73 Time View

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন | দ্বিতীয় পর্ব

 

খাগড়াছড়ি গণপূর্ত বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী পূষন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো প্রশাসনিক বা বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, একাধিক দপ্তরে লিখিতভাবে অভিযোগ দেওয়া হলেও এসব অভিযোগের তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।

প্রথম পর্বে পূষন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগের বিষয় তুলে ধরা হয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয় পর্বে অভিযোগ দাখিলের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা, তদন্তের অগ্রগতি এবং অভিযোগগুলো যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে অনুসন্ধান করা হয়েছে।

একাধিক দপ্তরে লিখিত অভিযোগ

অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং দুর্নীতি দমন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগপত্রে চট্টগ্রাম গণপূর্ত বিভাগের রক্ষণাবেক্ষণ শাখায় দায়িত্ব পালনকালে প্রকল্প বাস্তবায়ন, বিল অনুমোদন, সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, ঠিকাদারি কার্যক্রম এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণসহ বিভিন্ন বিষয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, এসব অভিযোগের সঙ্গে সরকারি অর্থ ব্যয়ের বিষয় জড়িত থাকায় সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের নথিপত্র ও আর্থিক লেনদেন যাচাই করা জরুরি।

অভিযোগের পর তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন

অভিযোগকারীদের দাবি, লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়ার পরও এখন পর্যন্ত তদন্তের দৃশ্যমান অগ্রগতি বা প্রশাসনিক পদক্ষেপের বিষয়ে প্রকাশ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

তবে কোনো তদন্ত একেবারেই হয়নি—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগও নেই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অভ্যন্তরীণ পর্যায়ে কোনো যাচাই-বাছাই বা তদন্ত চলমান থাকলে তার তথ্য প্রকাশ্যে না-ও থাকতে পারে। তাই অভিযোগকারীরা চান, বিষয়টি প্রাতিষ্ঠানিকভাবে দ্রুত যাচাই করে তদন্তের বর্তমান অবস্থা স্পষ্ট করা হোক।

তাঁদের মতে, একজন সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠলে তা দীর্ঘদিন অনিষ্পন্ন অবস্থায় রাখা উচিত নয়। অভিযোগ সত্য হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। আবার অভিযোগের সত্যতা না মিললে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও যেন অমূলক অভিযোগের বোঝা না থাকে, সে বিষয়টিও নিশ্চিত করা জরুরি।

নথিপত্রেই মিলতে পারে অভিযোগের উত্তর

অভিযোগকারীরা বলছেন, উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সময়ের সরকারি নথিপত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

এ জন্য প্রকল্পের অনুমোদনপত্র, দরপত্রসংক্রান্ত নথি, কার্যাদেশ, প্রাক্কলন, পরিমাপ বই, বিল-ভাউচার, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের তথ্য, কাজের বাস্তব অগ্রগতি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনুমোদন ও সুপারিশ যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

প্রয়োজনে প্রকল্পের বাস্তব কাজ সরেজমিনে পরিদর্শন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, ঠিকাদার ও অন্যান্য ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়ারও দাবি উঠেছে।

নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

অভিযোগকারীদের মতে, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে কোনো পক্ষের প্রভাবমুক্ত ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সরকারি অর্থের ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে তা উদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

অন্যদিকে, তদন্তে অভিযোগের সত্যতা না মিললে পূষন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগও যথাযথভাবে নিষ্পত্তি করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তাঁরা।

তৃতীয় পর্বে থাকছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমিকা

ধারাবাহিক অনুসন্ধানের তৃতীয় পর্বে অভিযোগে উত্থাপিত বিভিন্ন প্রকল্প ও কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধান প্রকাশ করা হবে।

নথিপত্র ও যাচাইযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্টদের নাম, পদবি, দায়িত্ব পালনের সময়কাল এবং নির্দিষ্ট প্রকল্প বা সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাঁদের ভূমিকা তুলে ধরা হবে। কোন প্রকল্পে কার দায়িত্ব ছিল, কোন পর্যায়ে কার অনুমোদন বা সুপারিশ ছিল এবং অভিযোগের সঙ্গে তাঁদের ভূমিকা নিয়ে কী ধরনের প্রশ্ন উঠেছে—এসব বিষয়ও প্রতিবেদনে উপস্থাপন করা হবে।

তবে তদন্ত বা আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে কোনো ব্যক্তি বা কর্মকর্তাকে অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন করা হবে না। অভিযোগের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য ও ব্যাখ্যাও গুরুত্বসহকারে তুলে ধরা হবে।

তৃতীয় পর্বে থাকছে—নথিতে যাঁদের নাম, প্রকল্পে তাঁদের দায়িত্ব ও ভূমিকা এবং অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য।

বক্তব্য পাওয়া যায়নি

এ বিষয়ে অভিযুক্ত উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী পূষন চক্রবর্তীর বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একইভাবে গণপূর্ত অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকেও অভিযোগগুলোর বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে যথাযথ গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।

চলবে…

Facebook Comments Box

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 প্রানের বাংলাদেশ