সাভার বিরুলিয়া ফুটকোট ব্রিজের কাছাকাছি মন্দিরের দেবোওর সম্পত্তি অমল চন্দ্র দাস এবং বলরাম সাহা নামে দুইজন ব্যক্তি অবৈধভাবে দোকান ভাড়া দিয়ে মন্দিরের জায়গায় নিজেরা ঘরবাড়ি করে নিয়ম বহির্ভূতভাবে অর্থ হাতিয়ে প্রতারণা করে আসছে। এসব বিষয় নিয়ে বিভিন্ন সাংবাদিক মানবাধিকার কর্মী তাদের কাছে গেলে যাকে যেভাবে পারছে টাকা পয়সা দিয়ে ম্যানেজ করছে এবং স্থানীয় সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকেও টাকা পয়সা দিয়ে এই অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।
মন্দিরের নামে থাকা দেবোত্তর সম্পত্তি বেআইনিভাবে ভাড়া দেওয়া এবং স্থায়ী পাকা নির্মাণ করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি সুরক্ষা ও আইনি জটিলতার সঙ্গে সম্পর্কিত। এই ধরনের ঘটনায় সাধারণত স্থানীয় প্রশাসন বা সরকারের ভূমি ও ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়।অভিযোগের মূল বিষয়সম্পত্তির অপব্যবহার: দেবোত্তর (দেবতার উদ্দেশ্যে উৎসর্গীকৃত) সম্পত্তি ব্যক্তিগত বা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা।অবৈধ নির্মাণ: মন্দিরের জমিতে নিয়মবহির্ভূতভাবে পাকা দোকান বা বিল্ডিং তোলা।অর্থ আত্মসাৎ: সম্পত্তি ভাড়ার মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থ মন্দিরের তহবিলে না দিয়ে ব্যক্তিগতভাবে হাতিয়ে নেওয়া।করণীয় ও প্রতিকারপ্রশাসনিক অভিযোগ: জেলা প্রশাসক (ডিসি) বা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা।আইনি পদক্ষেপ: জবরদখল বা অর্থ আত্মসাতের বিরুদ্ধে দেওয়ানি বা ফৌজদারি আদালতে মামলা করা।ধর্মীয় বোর্ড: হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি জানানো।এই বিষয়টি সম্পর্কে আপনার কি আরও কোনো নির্দিষ্ট তথ্য জানা প্রয়োজন, যেমন:অভিযোগ জানানোর নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া করার জন্য ইতিমধ্যে বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছু কিছু হিন্দু সম্প্রদায়।