
পাইকগাছায় সামাজিক বনায়নের গোলপাতা কেটে বিক্রির লাখ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বনায়ন সমিতির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
রবিবার সকালে পাইকগাছা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সামনে সামাজিক বনায়নের গোলপাতা কর্তনের সময় স্থানীয়দের উপস্থিতিতে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এ সময় সমিতির সদস্য রশিদ জানান, সমিতির সেক্রেটারি জামিরুল ইসলামের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতি বছর গোলপাতা কর্তন ও বিক্রি করা হয়ে থাকে। তিনি বলেন, “গত বছর প্রায় ৩ লাখ টাকার গোলপাতা বিক্রি হয়েছে। এ বছর প্রায় ৫ লাখ টাকার বিক্রি হতে পারে।” স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক বনায়নের আওতাধীন গোলপাতা বিক্রি হলেও এর অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হচ্ছে না। বরং একটি চক্র নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে অর্থ আত্মসাৎ করছে।
এ বিষয়ে পাইকগাছা সামাজিক বনায়ন সমিতির সম্পাদক জামিরুল ইসলাম বলেন, “আমরা ২০১৪ সাল থেকে এভাবেই গোলপাতা বিক্রি করে আসছি। কারো অধীনে আমরা না।” তবে তিনি সরকারি অনুমোদন বা অর্থ জমা সংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি বলে জানা গেছে।
এদিকে উপজেলা বন বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বিষয়টি সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো মন্তব্য করতে পারেননি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।