
ঢাকার দোহার উপজেলার নুরুল্লাহপুরে চার শতাধিক বছরের পুরোনো গ্রামীণ মেলা। প্রতি বছর মাঘে মিলে এই মেলা।ঢাকা ছাড়াও পার্শ্ববর্তী নারায়ণগঞ্জ, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুর, মানিকগঞ্জ জেলার ব্যবসায়ীরা আসেন নুরুল্লাহপুরের মেলায়।স্থানীয় বাসিন্দা ও পীরের ভক্তানুরাগীরা প্রতি বছর মাঘী পূর্ণিমার দিনে উপজেলার কুসুমহাটি ইউনিয়নের সুন্দরীপাড়া গ্রামের নুরুল্লাহপুরে হযরত শালাল শাহ্ দরবারে ওরশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশ-বিদেশ থেকে তাঁর ভক্ত অনুরাগীরা আসেন। এবার উদযাপন হচ্ছে ৪১৮তম ওরশ।শালাল শাহ ছাড়াও তাঁর বংশে সাতজন দরবার প্রতিষ্ঠা করে ওরস করে থাকেন। একে কেন্দ্র করে ১০-১৫ দিন ধরে প্রায় তিন চার কিলোমিটার জায়গাজুড়ে বসে এই মেলা। এ সময় মেলাকে ঘিরে আশেপাশের দশগ্রামে উৎসবের আমেজ বয়ে যায়। মেলার প্রথম দিন অনুষ্ঠিত হয় ধামাইল এটি মেলার মূল আকর্ষণ। ধামাইলের পরেরদিন আয়োজন করা হয় মৎস্যমুখীর আর মৎস্যমুখীকে ঘিরে মেলার মাঠে বসে মাছের মেলা এই মাছের মেলায় সারা বাংলাদেশ থেকে জেলারা আসেন বড় বড় মাছ নিয়ে বিক্রির জন্যে এ সুযোগে আশেপাশের ভোযন রশিকরা তাদের মনের মত মাছ কিনেন। মেলার পুরো সপ্তাহ যেনো উৎসবে ম ম করে এই এলাকাজুরে।