মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার চীফ রিপোর্টার হিসেবে দায়িত্ব পেলেন রবিউল আলম রাজু বিশেষ অভিযানে সাভারে ৩ ছিনতাইকারী-ডাকাত সদস্য গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ মনোহরদীতে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সহিষ্ণুতা ও সম্প্রীতি সুদৃঢ়করণের লক্ষ্যে আন্তঃধর্মীয় নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে ডুবন্ত জাহাজে মিলল যুবকের অর্ধগলিত লাশ মনোহরদীতে,জমির জবর দখলের জেরে, বোনের প্রাপ্য জমি পাওয়ার লক্ষ্যে ভাইয়ের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, নীলফামারী ডোমার বীজ আলু খামারে ২শ একর জমিতে ধৈইঞ্চা চাষ, নীলফামারী ডোমার বিএডিসিতে নতুন সম্ভাবনা ২১১ একর জমিতে আউশ ধানের চারা রোপন, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানা বিএনপি নিকলীতে ৫২ লিটার চোলাই মদসহ নারী গ্রেপ্তার, স্বামী-সন্তান পলাতক পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে পিরোজপুরে জেলা পরিষদের বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম শুরু ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অস্থির লৌহজং, দুর্ভোগে জনজীবন বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উদযাপন কোয়ান্টামের আয়োজনে আট শতাধিক স্বেচ্ছা রক্তদাতাকে সম্মাননা পুলিশের সিভিলিয়ান কর্মচারী শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী বিএনপি’র পরিচয়ে বেলাল হোসেন ও হাসিনা শিরিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী বোম্বাই মরিচ চাষে আগ্রহ বাড়ছে বরিশালের চাষিদের কেরানীগঞ্জে ৪ বছরের শিশুকে চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে ধ”র্ষ”ন চেষ্টার অভিযোগে যুবক আটক। মিরপুরে সিগারেট চোরাই কারবারি কামালের পক্ষে ছাত্রদল পরিচয়ে সজীবের হুমকিতে ভুক্তভোগীর থানায় সাধারণ ডায়েরি রক্তে রাঙা সীমান্তে লাগাতার হত্যাকাণ্ড ও জোরপূর্বক ‘পুশ-ইনে নীরব বাংলাদেশ বাংলা টিভির সামাদুল হককে ঘিরে একের পর এক অভিযোগ ভুয়া আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং পারমিট, এনআইডি জালিয়াতি করে সম্পদের পাহাড় গড়েছে বাবুল জনরায়ের জয়: ঘাগড়া ইউপি চেয়ারম্যান সাইদুর রহমানের প্রশাসনিক ক্ষমতা পুনর্বহাল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান, এমপির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন মানবাধিকার সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর গুম ও খুনের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যবৃন্দ। গ্যাসের সংকট দ্রুত নিরসনে সরকারের নানা উদ্যোগ পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ গ্রেফতার টঙ্গীতে জলাবদ্ধতা নিরসনে সেচ পাম্প স্থাপন ও ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রমে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী শাহীন আহমদ রিজভী হোয়াইক্যংয়ের কথিত ঠিকাদার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী যুবদল নেতা ফরিদ ও মৎস্যজীবি দল নেতা আজম ইয়াবাসহ আটক খুলনায় দৌলতপুর ওজোপাডিকো মসজিদে ফজরের নামাজের সময় গুলি, আহত ১ মোবাইল ফোন কিনে না দেওয়ায় স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা মাঠে ও অফিসে রুকুনোজ্জামান রোকন: জনসেবায় মসিক প্রশাসকের নতুন দৃষ্টান্ত ফুটবল বিশ্বকাপের জমকালো আসরত নিজের পোশাকে লাল-সবুজ পতাকা আর বাংলার বাঘ রয়েল বেঙ্গল টাইগারের ছবি দেখাইয়া বিশ্বদরবারো বাংলাদেশ রিপ্রেজেন্ট করলো এবং বিশ্ববাসীর নজড় কাড়লো সিলেটি ফুয়া সঞ্জয় ।
জরুরী নোটিশ :
জরুরী নোটিশ এবং সতর্কবার্তা ""গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক  মিডিয়া ভুক্ত পত্রিকা দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশে কর্তব্যরত সকল সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ।  কিছু কুচুক্তি মহল বিভিন্ন গণমাধ্যমের আইডি কার্ড নকল করে বিভিন্ন প্রকার অপরাধে জড়াচ্ছে কিছুদিন পর পর পত্রিকার এসব খবরে আমরা বিভ্রান্ত। এরকম বেশ কয়েকজন অপরাধী দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার আইডি কার্ড নকল করেছে এমন প্রমাণিত হওয়াতে আমরা তাদের বিরুদ্ধে  তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছি। এবং সংবাদ প্রকাশ করে এসব অপরাধীদের সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নাই বলে আমরা ঘোষণা দিয়েছি।  সেই সাথে আমরা আমাদের প্রদত্ত বিগত দিনের সকল আইডি কার্ড পরিবর্তন করে স্ক্যানিং কোড সিস্টেম করে নতুন আঙ্গিকে আইডি কার্ড তৈরি করেছি।  দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশে কর্তব্যরত সকল সাংবাদিকদের কে সম্মানের সাথে জানাচ্ছি আপনারা  আপনাদের পুরনো আইডি কার্ড পত্রিকা অফিসে জমা দিয়ে সেই সাথে নতুন করে ভোটার আইডি কার্ড এবং  আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল সনদের সত্যায়িত ফটোকপি সহ জমা দিয়ে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নতুন আইডি কার্ড সংগ্রহ করার জন্য নির্দেশ দেয়া গেল। পত্রিকা কর্তৃপক্ষের এই নির্দেশ যারা অমান্য করবে তাদেরকে পত্রিকা কর্তৃপক্ষ বহিষ্কৃত বলে গণ্য করবেন। আপনাদের জ্ঞাতার্থে আরও জানাচ্ছি যে  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশক্রমে সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতার মান নির্ণয় সহ সাংবাদিকদের ডাটাবেজ তৈরি করছেন, মাননীয় সাবেক বিচারপতি প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ইতিমধ্যে এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতি দিয়েছেন। পুনরায় আপনার ভোটার আইডি কার্ড এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা অভিজ্ঞতার সনদ সকল কিছু সত্যায়িত করে নতুনভাবে দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার   কর্তৃপক্ষকে জমা দিয়ে পুরনো কার্ডটি ফেরত দিয়ে নতুন আইডি কার্ড নেওয়ার জন্য নির্দেশ রইল।  আদেশক্রমে --আব্দুল্লাহ আল মামুন--প্রকাশক ও সম্পাদক--দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ ।

বিদেশগামীদের মেডিকেল পরীক্ষার নামে চরম ভোগান্তি

আসমা হক মিষ্টি : / ৫৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন

অর্থনৈতিক ও সামাজিক সূচকগুলোতে প্রতিবেশী দেশগুলোকে পেছনে ফেলে বর্তমানে সামনের সারিতে বাংলাদেশ। বর্তমান বিশ্বের অনেক স্বল্পোন্নত দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য আদর্শ হিসেবে দেখা হচ্ছে বাংলাদেশকে। বাংলাদেশ বিগত এক দশকের বেশি সময় ধরে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ছয় শতাংশের ওপরে রাখতে সক্ষম হয়েছে যদিও করোনা মহামারির সময়ে এই ধারা কিছুটা কমে যায়।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে যে কয়েকটি নিয়ামক সবথেকে বেশি ভূমিকা রেখেছে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে বৈদেশিক রেমিটেন্স। বাংলাদেশের টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বৈদেশিক রেমিট্যান্স কাজ করছে এবং আয়ের বাহ্যিক উৎস হিসাবে বিদেশ থেকে পাঠানো রেমিট্যান্স জিডিপি এবং অর্থপ্রদানের ভারসাম্যে যথেষ্ট অবদান রাখছে। বৈদেশিক মুদ্রার এই প্রবাহ শুধুমাত্র দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে স্থিতিশীল করে না বরং জ্বালানি খরচ এবং বিনিয়োগকেও উৎসাহিত করে, যার ফলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়।
সম্প্রতি প্রকাশিত বাংলাদেশ ব্যাংক এর প্রতিবেদন অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে রেমিটেন্স আহরণের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, এশিয়া মহাদেশে রেমিটেন্স আহরণে প্রথমে আছে ভারত, এরপর পাকিস্তান, তৃতীয় বাংলাদেশ, চতুর্থ নেপাল এবং পঞ্চম অবস্থানে আছে শ্রীলঙ্কা। সেই প্রবাসীদের ঠুনকো সমস্যায় বা ঘুষ দিতে না পেরে মেডিকেল টেস্টের নামে প্রতিদিন শত শত বিদেশ যাত্রীর স্বপ্ন ভেঙ্গে যাচ্ছে।
প্রবাসী শ্রমিকদের ভিসা চূড়ান্ত হলে তাদের জন্য একটি মেডিকেল টেস্ট করা প্রয়োজন। তবে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের ভিসা নিশ্চিত না হলেও মেডিকেল পরীক্ষার নামে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার বেশি হাতিয়ে নিচ্ছে বিভিন্ন সংস্থা। তবে এসব বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় দায়ী নয়। এছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে অভিযোগ দিলেও তারা তেমন গুরুত্ব দেয় না এবং তদারকির ব্যবস্থাও নেই বলে অভিযোগ করেছেন বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী।
বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন দেশ বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতার, কুয়েত, ওমান, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, এশিয়া, বাহরাইন থেকে যারা আসতে চান তারা কোনো উপায় না পেয়ে বিভিন্ন সংস্থায় যোগাযোগ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে চিকিৎসা ব্যয় বাবদ বিদেশে যাওয়া প্রত্যেক শ্রমিকের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয়। এজেন্সি মালিকদের দিয়ে মেডিকেল সেন্টারগুলো দখলে নিচ্ছে।
সম্প্রতি এই ধরনের প্রতারণা বেড়েছে বলে মনে করছেন বিপুল সংখ্যক প্রবাসী। কয়েকদিন আগে কুয়েতে আসা সিলেটের বুরহান নামের এক প্রবাসী বলেন, আমার ভিসা পাওয়ার পর আমি সিলেটের একটি এজেন্সিতে গিয়ে ভিসা করিয়েছি। সেখান থেকে, এজেন্সি একটি মেডিকেল সেন্টারে পরীক্ষা করে ১০০ শতাংশ ফিট হওয়ার জন্য ১৫ হাজার টাকা নেয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে মৌলভীবাজার এক বাসিন্দা জানান, কুয়েতে এসে তিনি মেডিকেল স্লিপ নিতে গামকা অফিসে যান। ওই এজেন্সির ওই ব্যক্তি তাকে বলেন, কীভাবে মেডিকেল হয়, কন্ট্রাকে নাকি নরমালে। কন্টাক্ট করালে শতভাগ ফিট করানোর দায়িত্ব তাদের। আর কন্ট্রাক্ট ছাড়া করালে যদি কোনভাবে আনফিট আসে তবে সে দায়ভার নিজের।
আর কন্ট্রাক্ট ছাড়া করালে যদি কোনভাবে আনফিট আসে তবে সে দায়ভার নিজের।
বাংলাদেশের ঢাকা থেকে সম্প্রতি রতন মিয়া নামের এক ব্যাক্তি কুয়েত আসেন। আসার পুর্বে মেডিকেল রিপোর্ট করার সময় একটি মেডিকেল সেন্টারে যান সেখানে তিনি ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে রিপোর্ট আনেন। কুয়েত আসার পর পুনরায় মেডিকেল করালে তিনি আনফিট হন। এরপর তিনি দেশে চলে যান। তিনি জানান টাকার বিনিময়ে দেশে রিপোর্ট ফিট করানোর যায়। এখন তার মাথায় হাত। প্রচুর অর্থ ব্যয় করে বিদেশে এসে এখন দেশে চলে গেছেন খালি হাতে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সাবলম্বী হতে মানুষ ভিটেমাটি বিক্রি করে দেশের বাইরে যায়। অথচ দালাল বা এজেন্সিগুলো মেডিকেলের নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে সর্বস্বান্ত করছে বিদেশ গমনেচ্ছুদের। অযথা রিপোর্টে লিখে দিচ্ছে জন্ডিস আছে মাত্রাতিরিক্ত সেই সাথে বুকে প্রচুর দাগ। কিন্তু অন্য মেডিকেল সেন্টারে পরিক্ষা করালে সব রিপোর্ট সঠিক আসে। থাকে না কোন প্রকার আনফিট হওয়ার লক্ষ।।
ভুক্তভোগীরা আরো জানান, বিদেশগামীদের কাছ থেকে মেডিকেল টেস্টের নামে কিছু প্রতিষ্ঠান অবৈধ পথে বাণিজ্য করছে। যারা টাকা দিতে পারে না তাদের এজেন্সির সংকেতে আনফিট দেখানো হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো রেমিট্যান্সে দেশের অর্থনীতির চাকা অনেকটা সচল থাকলেও পদে পদে হয়রানি, প্রতারণা, দালালদের দৌরাত্ম্য আর ভোগান্তিতে পড়তে হয় বিদেশগামীদের।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, শ্রমিকদের বিদেশ যাত্রার ক্ষেত্রে মেডিকেল চেকআপ বাধ্যতামূলক। দেশে সরকারি-বেসরকারি ও বিশ্বমানের বেশ কিছু মেডিকেল সেন্টার থাকলেও হাতে গোনা কিছু ডায়াগনস্টিক সেন্টারে করানো হয় বিদেশ গমনেচ্ছুদের মেডিকেল টেস্ট। এসব মেডিকেল বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিন্ডিকেটের হাতে থাকায় ভোগান্তির শেষ নেই। তারাও এই বিষয়ে সবকিছু জানেন। তারপরও কোন প্রতিকার নেই।
মধ্যপ্রাচ্যে গমনেচ্ছুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারগুলোর সমন্বয়কারী সংস্থা হলো গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল অ্যাপ্রুভড মেডিকেল সেন্টার অ্যাসোসিয়েশন (গামকা)। সংস্থাটির বিরুদ্ধে সিন্ডিকেট ও দালালদের দৌরাত্ম্য নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। প্রতারণা, অবস্থার বা সেবার মান তেমন উন্নতি হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পদস্থ কর্মকর্তাদের খুব দহরম-মহরম।
মেডিকেল ফিটনেস কার্ড সংগ্রহের প্রতিটি ধাপে ভোগান্তি ও হয়রানির শিকার হতে হয় বিদেশগামীদের। সাধারণ মেডিকেল পরীক্ষায় ১ থেকে ২ হাজার টাকা খরচ হলেও গামকার অধীন হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নেওয়া হয় ১০থেকে ৩০ হাজার টাকা। এ ছাড়া দালালদের বকশিশ তো রয়েছেই। দেশে মানসম্মত সরকারি-বেসরকারি বেশ কিছু হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার থাকলেও বিদেশ গমনেচ্ছুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বাছাই করা হয় অঞ্চলভিত্তিক হাতে গোনা কয়েকটা প্রতিষ্ঠানকে। যেগুলো নির্বাচনের প্রধানতম ভিত্তি হলো রাজনৈতকি। সরকার দলীয় নেতারা এগুলো নিয়ন্ত্রণ করেন।
সূত্র জানায়, এসব পরীক্ষা বাইরের কোনো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে করালে সর্বোচ্চ ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকা লাগতে পারে। কিন্তু শ্রমিকদের পকেট কাটছে গামকার মেডিকেল সেন্টারগুলো। আর টাকা না দিলে আনফিট দেখানোর অভিযোগও অনেক। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি সেন্টারে পুরুষ-মহিলা ডাক্তার ও টেকনিশিয়ান থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু এসব মেডিকেল সেন্টারেই মহিলা ডাক্তার ও টেকনিশিয়ান খুব কম পাওয়া যায়।
বিদেশগামী প্রবাসীরা যারা বিদেশ এসেছেন তারা জানান দেশের মেডিকেল পরিক্ষার নামে হয়রানি যত দ্রুত সম্ভব লাগাম টেনে ধরে ভোগান্তি থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্থা গ্রহণ করলে কিছুটা হলে বিদেশগামীরা এসব সিন্ডিকেট থেকে পরিত্রাণ পাবে। দেশের রেমিট্যান্স বৃদ্ধি এবং রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের ভোগান্তি নিরসন করতে সরকারকে এই খাতটি দলীয় নিয়ন্ত্রণমুক্ত করতে হবে। অন্যতায় এর নেতিবাচক প্রভাব দেশ ও জাতির জন্য কোনোভাবেই কল্যাণ বয়ে আনবে না।

Facebook Comments Box


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *