মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন

নীলফামারীর ডিমলার পার্শ্ববর্তী জলঢাকা উপজেলার বালা গ্রাম চৌপথি সংলগ্ন মিজানুর রহমান কৃষি কলেজের পূর্ব পাশে জমি দখল নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৈধ কাগজপত্র ও দীর্ঘদিনের ভোগদখল থাকা সত্ত্বেও একদল প্রভাবশালী ব্যক্তি রাজনৈতিক ক্ষমতা ও অর্থবলে জমি বেদখলের পাঁয়তারা চালাচ্ছে।
ভুক্তভোগী আব্দুল হালিম, পিতা ঈসা মামুদ, এবং হামিদুর রহমান, পিতা একই, জানান— তাদের পরিবার প্রায় ৬০ থেকে ৭০ বছর ধরে এই জমি ভোগদখল করে আসছে। জমিটি মূলত সিএস রেকর্ডীয় মালিক ছলিমন নেছা তার জীবদ্দশায় একমাত্র কন্যা শহিরন নেছাকে কবলা সূত্রে বিক্রি করেন। পরবর্তীতে শহিরন নেছা মৃত্যুর আগে তার একমাত্র কন্যা হালিমন নেছার নামে হস্তান্তর করেন।
হালিমন নেছা জীবদ্দশায় তার তিন পুত্রকে ৪৫ শতাংশ জমি লিখে দেন, যা পরবর্তীতে বি.এস. খতিয়ানে বৈধভাবে তাদের নামে প্রচারিত হয়। পরিবারটি সেই সময় থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে জমিটি ভোগদখল করে আসছে।
অপরদিকে, একই এলাকার তইবার রহমান (পিতা মৃত মতিয়ার হোসেন), খাতির ও সাইদুল হোসেন (পিতা মৃত আবুল হোসেন) গং এস.এ খতিয়ানের কিছু ভ্রান্ত তথ্য দেখিয়ে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে জমিটি দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বাদীপক্ষের আব্দুল হালিম গং বিষয়টি ন্যায়বিচারের আশায় নীলফামারী বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৪৪/৪৫ ধারায় মামলা দায়ের করেন। আদালত বাদীপক্ষের পক্ষে রায় প্রদান করে বিবাদীপক্ষকে বেদখল হতে নিষেধ করেন।
তবুও আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে বিবাদীপক্ষ প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
অসহায় বাদীপক্ষ বলেন,আমরা কাগজপত্রসহ বৈধ মালিক হয়েও ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। এখন জীবন ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিয়েই শঙ্কায় আছি।”
এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও এলাকাবাসী।