মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন

পারিবারিক জমিজমা নিয়ে ঝামেলায় হস্তক্ষেপে ভুক্তভোগী পরিবারের সাক্ষাৎকার ও কৃষকলীগ নেতা মাজহারুল ইসলাম রুবেল এর বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে ছবি দিয়ে একাধিক সংবাদ প্রকাশ হয়। সম্পাদক সহ গাজীপুরের গাছার সাংবাদিকের নামে গাজীপুর আদালতে মামলার ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠেছে। অনতিবিলম্বে মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে সাংবাদিকবৃন্দ।
মঙ্গলবার ( ৭ অক্টোবর ) গাজীপুর জেলার বিভিন্ন সাংবাদিকগন সাংবাদিকের নামে দায়ের করা মিথ্যা মামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
সাংবাদিক শাকিল বলেন, কৃষকলীগ নেতা পরিচয় গোপন রেখে বাদশা মিয়া স্কুল এন্ড কলেজের এডুহক কমিটির সভাপতি হলেন ও লাকি সরকারের পারিবারিক সমস্যা জায়গা জমি নিয়ে বিবাদে হস্তক্ষেপ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের জেরে শাহীন আল মামুন, সম্পাদক ও প্রকাশক, সিএনএনবাংলা.টিভি। সামসুদ্দিন জোয়েল, রিপোর্টার, সিএনএনবাংলা.টিভি। মোসা. আছমা আক্তার লাকী, স্বামী-মো. এনামুল সরকার মো. গোলাম কিবরিয়া, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, সাপ্তাহিক জাগ্রত জনতা। মো. নুরুজ্জামান শেখ, বার্তা সম্পাদক, সাপ্তাহিক জাগ্রত জনতাকে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলায় আসামি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর বক্তব্য প্রচার করে সাংবাদিকরা ভুক্তভোগীর নামে মামলা হতে পারে তাই বলে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে মামলা দায়ের করা হয়েছে, যা স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর সরাসরি আঘাত ফেলেছে। আমরা, বাংলাদেশের সাংবাদিক সমাজ, এই ধরনের হয়রানিমূলক মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
গাজীপুরের সাংবাদিকরা বলেন, আমরা অবিলম্বে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এই মিথ্যা মামলাটি প্রত্যাহারের জোর দাবি জানাচ্ছি। একই সাথে, ভবিষ্যতে কোনো সংবাদকর্মী যাতে এ ধরনের হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। গণতন্ত্র ও সুশাসনের জন্য স্বাধীন সাংবাদিকতা অপরিহার্য। সাংবাদিকদের নির্ভয়ে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। আমরা আশা করি, সরকার ও প্রশাসন এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
অপর এক বিবৃতিতে ঢাকার ক্রাইম পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক আবু সাইদ মৃধা বলেন সাংবাদিকদের নামে ইদানীং মিথ্যে মামলা ও হামলার ঘটনা ঘটছে। যা স্বাধিন সাংবাদিকতার অন্তরায়। এজন্য সাংবাদিক নিরাপত্তা আইন প্রনায়ন জরুরী। সংবাদ প্রকাশে রুষ্ট হয়ে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমরা তা দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি করছি। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসুচি গ্রহন করতে বাধ্য হবে গোটা দেশের ঐক্যবদ্ধ সাংবাদিকরা।
সিনিয়র সাংবাদিক মুজাহিদুল ইসলাম বলেন অপরাধীর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় রুষ্ট হয়ে সম্পাদকসহ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানী মুলক মামলা দায়ের করেছে। এর তীব্র নিন্দাসহ প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এ মিথ্যা মামলা অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার দাবি করছি।
গাছা সাংবাদিক ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফয়জুল ইসলাম আরিফ বলেন, সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশ করা একজন সাংবাদিকের পেশাগত দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালনের জেরে যদি একজন সাংবাদিককে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করা হয়। তবে তা দেশের সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ন করে। এটি মুক্ত ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পরিপন্থী। দ্রুত সম্পাদকসহ সাংবাদিকদের নামে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। নয়তো কঠোর কর্মসুচি গ্রহনে বাধ্য হবে দেশের সাংবাদিকরা।