মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন

জাহাঙ্গীর আলম:
সুনামগঞ্জ জেলা বিভিন্ন উপজেলায় বর্তমান সময়ে মাদক ব্যাবসায়ীদের চলছে জমজমাট মাদক বাণিজ্য, বিদেশি মদ,ইয়াবা, গাজা,ফেনসিডিল,জুয়া, ও নারীর ব্যাবসা। গণমাধ্যম কর্মীরা তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে বিভিন্ন হুমকি দিয়ে চাপ সৃষ্টি করা হয়,মাঝে মাঝে তাদের বক্তব্যে অনুধাবন করা যায়, কিছু রাজনৈতিক নেতাদের ক্ষমতা ও সংবাদ কর্মীদেরও তাদের উপর ছত্রছায়া রয়েছে। প্রতিটি গ্রাম অঞ্চলে ছড়িয়েছে বিষাক্ত মাদক বিধি রোগ, তাদের নতুন নতুন কৌশলের মনে হয় সবই পরাজয়। এলাকার সচেতন নাগরিক প্রতিবাদ করলেও তাদের বিভিন্ন হুমকি দিয়ে প্রাণ বাঁচানো ঝুঁকি হয়ে পড়ে। তাই আজকাল চোখের সামনে কোন নেশা গ্রস্ত জিনিস বিক্রি হলেও অনেক দেখেও প্রাণের ভয়ে না দেখার অভিনয় করে দিন কাটান। অনেক ভালো ভদ্র পরিবারের ছেলেরা আজ মাদক ব্যাবসা ও মাদক সেবন বেঁচে নিয়েছে। যারা মাদক সেবনে আসক্ত হয়েছে তারা সময় মত মাদক কিনতে না পারলে,চুরি ডাকাতি করতে বাধ্য হোন। আর বর্তমানে রাতারাতি ধনী হতে যুবক সহ বিভিন্ন মহিলারা মাদক ব্যাবসা কে বেচে নিয়েছেন, কেউ আবারো নারী দিয়ে রমরমা দেহ ব্যাবসায় মরিয়া উঠেছেন,এই অবৈধ মাদক সম্রাটদের কেউই লাগাম টেনে ধরতে পারছেন না,জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করলেও শত্রুই পরিণত হয় সংবাদকর্মীরা,সুনামগঞ্জের পাহাড়ি এলাকা থেকে শুরু করে সকল উপজেলায় মাদকের মিলনমেলা প্রতিযোগিতা শুরু করেছে মাদক ব্যাবসায়ী ও মাদক সেবন কারীরা। লক্ষ লক্ষ টাকার জুয়ার আসর বসে বিভিন্ন গ্রামে বা বসত ঘরে। মনে হয় দেখার কেউ নেই। এই মাদক ব্যাবসায়ীদের লাগাম টেনে ধরতে না পারলে যুব সমাজ ধংসের পথে হাঁটছে। সর্ব প্রথম তাদের পিছনে থাকা শক্তি কে খুঁজে বের করে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দিলেই মাদকের লাগাম টেনে ধরা সম্ভব। মাদক ব্যাবসায়ীদের কাছ থেকে মাসিক চুক্তিতে টাকা নেয় যারা তাদের উপরে আইন প্রয়োগ করতে পারলেই, সুন্দর সমাজ গঠন করা সম্ভব। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো ট্রল জারি করে কাজ করলেই নেশা জগৎ কে ধমন করা সম্ভব।