1. amarpranerbd@gmail.com : news :
  2. amarpranerbangladesh@gmail.com : PRANER BD REPORTER : PRANER BD REPORTER
  3. editor.amarpranerbd.official@gmail.com : Newsdesk :
শিরোনাম :
সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে র‍্যাব-৬ এর কাছে ৪ বাহিনীর ৫২ বনদস্যুর আত্মসমর্পণ বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজের নকশা অনুমোদন, এরপরও প্রধান প্রকৌশলীর চেয়ারে খালেকুজ্জামান-দ্বিতীয় পর্ব গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু নাসের চৌধুরীকে ঘিরে ৩৫ e-GP টেন্ডারে প্রশ্ন গণপূর্তে সরকারি অর্থ ব্যয়ে অনিয়মের অভিযোগ,তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জাকির হোসেনকে ঘিরে উঠছে নানা প্রশ্ন মহেশখালীতে চেকপোস্টে ৮ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারঃ আটক-২ টঙ্গীতে শান্তা জুয়েলার্সের মালিক কাস্টমারের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ,থানায় একাধিক লিখিত অভিযোগ বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গাইবান্ধায় আনন্দ র‍্যালি ও সমাবেশ শ্রীপুরের মানুষের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার পুরাতন খলনায়ক নতুন করে আবির্ভাব। কুড়িগ্রামে পালিত হলো বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ডিবির বিশেষ অভিযান: ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৭, 

দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের দখল ও দূষণে ১২ টি নদ-নদী মৃত প্রায়

সৌভিক পোদ্দার, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি
  • Update Time : Wednesday, April 15, 2026,
  • 92 Time View

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রবেশদ্বার খ্যাত ঝিনাইদহ জেলার ছয়টি উপজেলার বুক চিরে বয়ে গেছে বারো টি নদ নদী। নদ নদীর গুলোর দৈর্ঘ্য প্রায় ৪২২.০৩ কিলোমিটার। জেলায় দুইটি নদ কপোতাহ্ম ও কুমার। ১০ (দশ) টি নদী
নবগঙ্গা, বেগবতী, চিত্রা, ভৈরব, ডাকুয়া,গড়াই কালিগঙ্গা, ইছামতী, বেতনা ও কোদলা।

দখল, দূষণ ও নাব্যতা সংকটে মৃতপ্রায় এসকল নদ-নদী। বিশেষ করে নবগঙ্গা, বেগবতী, চিত্রা, কুমার ও ভৈরব অবৈধ দখলে, শিল্প ও গৃহস্থালির বর্জ্যে দূষণে এবং নাব্যতা হ্রাসের কারণে মৃতপ্রায়। প্রভাবশালীরা নদী দখল করে ভবন, দোকানপাট নির্মাণ ও পুকুর খনন করেছে। কোথাও আবার নদী এখন পরিণত হয়েছে মরা খালে। শুষ্ক মৌসুমে এগুলো চাষাবাদের জমিতে পরিণত হয়।

সম্প্রতি জেলার ১২ (বারো) টি নদ-নদীতে পানি উন্নয়ন বোর্ড ৪১৩টি অবৈধ দখলদার সনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে। এদের মধ্যে সদর উপজেলায় ১৫ টি (পনেরো) শৈলকুপায় ২২৩টি, হরিনাকুন্ডেু ৫৬টি, কালিগঞ্জে ৬২টি, কোটচাঁদপুরে ১০টি মহেশপুর উপজেলায় ৪৭টি। এ ছাড়াও নদীতে বাঁধ দিয়ে পুকুর তৈরি মাছ চাষ এবং প্রায় সকল নদ-নদীতেই নদীপাড়ের জমির মালিকেরা বিভিন্ন প্রজাতির ফসলের চাষ করে থাকে।

পৌর শহরগুলোতে ড্রেনের ময়লা সরাসরি নদীতে ফেলায় পানি দূষিত ও দুর্গন্ধযুক্ত হয়ে পড়েছে। নদী পাড়ের ছোট ছোট কারখানার বর্জ্য সরাসরি নদীতে ফেলা হচ্ছে। নদী পাড়ের এলাকার গৃহস্থালির বর্জ্য এবং কিছু স্থানে সরাসরি টয়লেটে বর্জ্য সরাসরি নদীতে ফেলা হচ্ছে। এতে করে দূষণ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

 

সম্প্রতি নবগঙ্গা নদী থেকে ৫ (পাঁচ) টি স্থানের পানির নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। একটি স্থানের পনিতে সকল উপাদানের মাত্রা সহনীয় রয়েছে। বাকি চারটি নমুনা পরীক্ষায় একটিতে সহনীয় মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি এ্যামোনিয়াম নাইট্রোজেন এবং চারটিতেই অতিরিক্ত মাত্রায় অজৈব ফসফরাস পাওয়া গেছে।

খননের অভাব এবং উজান থেকে পানি প্রবাহ না থাকায় নদীগুলো পানিশূন্য হয়ে পড়েছে। দখল ও দূষণে নষ্ট হচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য। ধ্বংসের মুখে জীববৈচিত্র্য। হারিয়ে যাচ্ছে দেশি প্রজাতির মাছ। মৎস্যজীবীরা জীবিকার তাগিদে পেশা বদলাতে বাধ্য হচ্ছে। দূষিত পানিতে গোসলের ফলে চর্মরোগসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ।

 

পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মুন্তাছির রহমান বলেন, নদী পরিবেশের অন্যতম নিয়ামক। নদী দূষণ রোধে জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতায় পরিবেশ অধিদপ্তর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জন কুমার দাস বলেন, আমরা অবৈধ দখলদারদের তালিকা তৈরি করেছি। জেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় নদ-নদী হতে সকল প্রকার দখলদারদের উচ্ছেদ করা হবে। চিত্রা ও নবগঙ্গা নদী খননের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদ বলেন, নদী দখলমুক্ত করতে তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড চাহিদা দিলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ মাসেই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে সকল প্রকার দখলদারদের উচ্ছেদ করা হবে। নবগঙ্গা ও চিত্রা নদীর দূষণ রোধ করে প্রয়োজনীয় খননের ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন

Facebook Comments Box

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 প্রানের বাংলাদেশ