1. amarpranerbd@gmail.com : news :
  2. amarpranerbangladesh@gmail.com : PRANER BD REPORTER : PRANER BD REPORTER
  3. editor.amarpranerbd.official@gmail.com : Newsdesk :
শিরোনাম :
গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু নাসের চৌধুরীকে ঘিরে ৩৫ e-GP টেন্ডারে প্রশ্ন গণপূর্তে সরকারি অর্থ ব্যয়ে অনিয়মের অভিযোগ,তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জাকির হোসেনকে ঘিরে উঠছে নানা প্রশ্ন মহেশখালীতে চেকপোস্টে ৮ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারঃ আটক-২ টঙ্গীতে শান্তা জুয়েলার্সের মালিক কাস্টমারের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ,থানায় একাধিক লিখিত অভিযোগ বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গাইবান্ধায় আনন্দ র‍্যালি ও সমাবেশ শ্রীপুরের মানুষের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার পুরাতন খলনায়ক নতুন করে আবির্ভাব। কুড়িগ্রামে পালিত হলো বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ডিবির বিশেষ অভিযান: ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৭,  সরফভাটা ওয়েলফেয়ার সোসাইটির উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবী ও গুণীজন সংবর্ধনা কবে হবে সুন্দরবন দস্যুমুক্ত আজ থেকে নিষেধাজ্ঞা শেষে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বনে ফিরছেন জেলে-বাওয়ালিরা

৫ নং ঘাটভোগের সচিব শেখ নবীর হোসেন গং কতৃক মিথ্যা জালিয়াতি মামলা থেকে অব্যাহতি এবং সঠিক তথ্য সম্প্রচায়ের দাবিতে সাংবাদিক সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী মুরসালিন

এসএম নুর ইসলাম
  • Update Time : Wednesday, November 5, 2025,
  • 63 Time View

খুলনা রূপসা উপজেলা ৫ নং ঘাটভোগ ইউনিয়নের সচিব সেখ নবীর হোসেন,
কম্পিউটার অপারেটর মুকুল, গ্রাম পুলিশ নুর আলম এবং জয়নাল আবেদীন ও সাখাওয়াত শেখ
কর্তৃক জাল সনদ, হয়রানি এবং জমি আত্মসাৎ এর মিথ্যা মামলার বিষয়ে আইনীসেবা ও
সঠিক তথ্য সম্প্রচায়ের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেন ৪ তারিখ নভেম্বর
সম্মানীত- জাতির বিবেক সাংবাদিক বন্ধুরা
আমি মোঃ মুরসালিন শেখ, গ্রাম আলাই পুর ২নং ওয়ার্ড ও
৫নং ঘাটভোগ ইউনিয়ন রূপসা,খুলনা
এখানে আমার আলোচ্য বিষয় হচ্ছে প্রথমে ১০-০৩-১৯৯৩ তাং আমায় দাদীর পৈত্রিক সম্পত্তি
আমার বাবাকে দিয়ে যায়। জমি দিয়ে যাওয়ার মূল
বিষয় হচ্ছে আমার দাদার মৃত্যুর পর দাদীকে আমার অন্য চাচারা খুব
মারধর করতো এবং নির্ঘাতন করে আমার দাদার বাড়ি থেকে আমার বাবাকে ও দাদীকে বের করে দেওয়ার জন্য ইং ১০-৩-৯৩ তারিখে রেজিস্ট্রি অফিসে দান পত্র দলিল দিয়ে যায় আমার বাবার নামে। তারপর আমার দাদী বৃদ্ধ বয়সে হঠাৎ অসুস্থতা জনিত কারণে (২৩-০৪-১৯৯৩) ইং তারিখে মৃত্যু বরণ করেন। দাদীর মৃত্যুর পর আমাদের জমির দলিল টিকেট ও অন্যন্য পুরুত্বপূর্ণ কাগজ ও টাকা পয়সা আমাদের বাড়ি ২ বার লুট করে জয়নাল আবেদিন ও সাখাওয়াত শেখ এবং তারা আবার ঐ সময় ৩০ ও ৩১ ধারা মামলা করে আমাদের নামে তখন মামলার রায় আমরা পায়। এভাবে আমাদের জমিতে আমরা নামজারি ও খাজনা সঠিক ভাবে কর্তন করে বসবাস করতে থাকি।তারপর ২০১২ সালে মৃত্যু সনদ চালু হলে আমরা আমার দাদীর
একটি মৃত্যু সনদ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে তুলে রাখি। আমাদের জমি এস এ ১০০ খতিয়ানে জমির মধ্যে ১২.৭৯ শতক জমি আমাদের। তারপর হঠাৎ উক্ত জমিতে একটি দোকান বানাতে গেলে ছোট চাচা জয়নাল আবেদীন বাধা দিয়ে বলে এ জমিতে দোকান দিতে পারবেনা। পরবর্তীতে আমরা চলে আসলে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে শালিসি সভা হয়। কিন্তু জয়নাল আবেদীন গং শালিশীর বিচারের দাবী মানতে নারাজ হয়। তারপর কিছুদিন পর কোর্ট থেকে আমাদের জমির জালিয়াতি মামলার নোটিশ আসে। নোটিশে দেখি দাদির মৃতু সনদ জাল জালিয়াতি করে একটা ডিজিটাল মৃত্যু সনদ তৈরী করেছে এবং এটা কে প্রমাণ হিসেবে দেখিয়ে মিথ্যা মামলা করে। মামলা লড়াইয়ের স্বার্থে আমি ও আমার মামা আমরা

আলাই পুর ঘাটভোগ ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে দেখি, ভুলুম বইতে কাটাকাটি করেছে এবং কারো কারো কাছ থেকে জানা যায় প্রায় ৭০-৮০ হাজার টাকার বিনিময়ে তারা এই জাল জালিয়াতি করেছে। এবং পরবর্তী এই ব্যপারটা নিয়ে চেয়ারম্যানের কাছে গিয়ে বিষয় টি খুলে বলি। চেয়ারম্যান মহোদয় ঘটনা শুনে উভয়পক্ষকে নোটিশের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদে ডাকে। চেয়ারম্যানের নোটিশ পেয়ে জয়নাল আবেদীন শাখায়ত সেখানে হাজির হয়নি। পরবর্তীতে চেয়ারম্যান আমাদের কোর্টের মাধ্যমে এগোনোর পরামর্শ দেয়। তারপর আমরা কোর্টের সকল অপরাধীর বিরুদ্ধে জাল জালিয়াতির মামলা করি। এ মামলা টা বর্তমান চলমানাধীন রয়েছে।ইউনিয়ন পরিষদের সচিব জালিয়াতীর মাধ্যমে ওয়ারেশ কায়েম প্রদান করে। তার সঙ্গী হিসেবে থাকে উদ্যোক্তা মুকূল ( নিজের মেয়ে জামাই) এবং গ্রাম পুলিশ নুর আমিন। প্রথম জালিয়াতি ডিজিটাল সনদটি আবেদনের তারিখ ২২ জুন ২০২৫ প্রায় এবং আবেদনটি ইসুর তারিখ ৭ই মে দেখা যায় প্রায় এক মাসে ব্যবধান, আবেদনের অনেক আগেই তারা পেয়ে যায় । দ্বিতীয় জালিয়াতি ব্লুম বুক কেটে সত্যিই মৃত্যু তারিখ কেটে বানোয়াট/ মিথ্যা একটি তারিখ সেখানে বসানো হয়। তৃতীয় জালিয়াতি, মৃত্যু সনদ এর আবেদনে চেয়ারম্যান এবং সংরক্ষিত মহিলা আসনের মেম্বারের স্বাক্ষর দেখা যায়, চেয়ারম্যান মেম্বারের দাবি স্বাক্ষর দুটি তাদের নয়। বর্তমানে ডিজিটাল আবেদনকৃত মৃত্যু সনদ বা ওয়ারেস কাম সনদটি অননুমোদিত করে রাখা হয়। অর্থাৎ কেউ অন্য কম্পিউটারে সার্চ দিলে এটা খুঁজে পাবে না। তবে তদন্তের স্বার্থে কর্তৃপক্ষ আগেই মৃত্যু সনদটিকে তুলে নেয়। ঊর্ধ্বতন বা যথাযথ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হোক, আমাদের কাছে সকল বিষয়ের বাস্তবিক প্রমাণাদি সংরক্ষিত রয়েছে। প্রয়োজনের সেগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সরবরাহ করবো।আমাদের দাবি যারা জনগণের সেবক হয়ে আমাদের মত নিরীহ মানুষদের এভাবে ঠকাচ্ছে,জাল জালিয়াতির মাধ্যমে মানুষকে হয়রানি করছে, তদন্ত সাপেক্ষে তাদের উপযুক্ত বিচারের মুখোমুখি করা হোক। যেন জাতি বুঝতে পারে আইন সকলের জন্য সমান। সেই সাথে আমাদের প্রাপ্য জমি টুকু ফিরিয়ে দেয়া হোক। এবং মিথ্যা জালিয়াতি মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হোক। ধন্যবাদ।

Facebook Comments Box

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 প্রানের বাংলাদেশ