মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন

এস এম নুর ইসলাম :
খুলনা জেলায় রূপসা উপজেলার নন্দনপুর গ্রামের মানুষের সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যম আঠারোবাকী নদী পার হয়ে খুলনায় যেতে হয় নন্দনপুর পথের বাজার খেয়াঘাট থেকে।এটি এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।
খুলনা রূপসার পথের বাজার ঘাটে সরেজমিনে দেখা যায়, খেয়াঘাটে ট্রলার দিয়ে মানুষ ওঠা-নামা করার যে সিঁড়িটি ভেঙে যাওয়ার পর এটা যাত্রীদের যাতায়াতের জন্য কোন রকম ভাবে কাঠ বাঁশ দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল যা ভেঙ্গে এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। কোনোমতে মানুষ ওঠা-নামা করছেন। প্রতিদিন সরকারি বেসরকারি- চাকরিজিবী, ছোট বড় ব্যবসায়ী ও স্কুল কলেজে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী শিশু বাচ্চা ও বৃদ্ধ সহ হাজার হাজার মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়েই পার হচ্ছেন। খুলনা জেলা রূপসা উপজেলার ২ নং শ্রীফলতলা ইউনিয়নের নন্দরপুর গ্রামের পথের বাজার খেয়া ঘাট। এলাকাবাসীর শহরে প্রবেশের একমাত্র মাধ্যম নন্দনপুর পথের বাজার খেয়াঘাট ।
এই ঘাটটি পার হতে যাত্রীদের ভাড়া দেওয়া লাগে মাত্র দশ টাকা, বিকল্প ঘাট হিসেবে যদি তিন কিলোমিটার দূরের আইচগাতী ইউনিয়নের সেনের বাজার ফেরিঘাট পার হয়ে শহরে প্রবেশ করতে হয় তবে অতিরিক্ত ভ্যান ভাড়া গোনা লাগে দিনের বেলায় ৪০ থেকে ৫০ টাকা আর রাতের বেলায় ৫০ থেকে ৬০ টাকা। রূপসার নন্দনপুর পথের বাজার ঘাট থেকে বড় বড় ব্যবসায়ী ও সরকারি চাকরিজীবীগণ আগে পারাপার করলেও এখন তারা জীবনের ঝুঁকি এড়াতে বেছে নিয়েছেন তিন কিলোমিটার দূরে সেনের বাজার ঘাট। এদিকে শিক্ষার্থী, দিনমজুর ও ছোট ব্যবসায়ীরা অর্থ বাঁচাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পার হয় নন্দনপুর পথের বাজার ঘাট।
ঘাটের ট্রলার মাঝিরা মাঝে মাঝে কাঠ বাঁশ দিয়ে খেয়াঘাট সংস্কার করে থাকেন যাত্রী হারানোর ভয়ে। রূপসা উপজেলার নন্দনপুর গ্রাম সহ আশেপাশের এলাকার সাধারণ জনগণ জানান, বিভিন্ন নির্বাচনের সময় প্রার্থীরা ঘাট করে দেওয়ার আশ্বাস দিলেও কোন স্থায়ী সমাধান হয়নি আজও।আমি নিজে ঘাট থেকে পড়ে আর একটুর জন্য হাসপাতালের মুখ থেকে বেঁচে গেছি তবুও পড়ে গিয়ে পায়ে ও নিলদাঁড়ায় যে আঘাত আমি পেয়েছি তা মনে থাকবে আমার আজীবন। আমার বদলে যদি কোন ৬০ উর্ধ বয়ষ্ক মুরব্বি হতো তবে বুঝতে পারতো বছরে কয়দিন” উক্ত বিষয়ে এলেকা বাসী আরো বলেন, আমরা নন্দনপুর পথেরবাজার ঘাটের স্থায়ী সমাধান বিগত কয়েক বছর ধরে পায়নি। নন্দনপুরবাসী এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেতে চাই এলাকার সাধারণ জনগণ।
এ বিষয়ে নন্দনপুর পথের বাজার খেয়া ঘাটের জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে সরে জমিনে দেখার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।