মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১০:২৫ পূর্বাহ্ন

আমিনুল হক রিপন-চট্টগ্রাম :
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আওতাধীন ১৫ থানা ও ৪৩ সাংগঠনিক ওয়ার্ডে আগামী ১০ দিনের মধ্যে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির আকার হবে ৪১ থেকে ৫০ সদস্যের। দলের ‘আন্দোলন-সংগ্রামে’ অংশ নেয়ার পাশাপাশি সামাজিক মর্যাদা আছে এমন ব্যক্তিরাই প্রাধান্য পাবেন আহ্বায়ক কমিটির শীর্ষ পদে। আহ্বায়ক কমিটি গঠনের দুই মাসের মধ্যে কাউন্সিল করা হবে থানা ও ওয়ার্ডে। যারা কাউন্সিলে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হবেন তারা আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব হতে পারবেন না। একইসঙ্গে নগর বিএনপির বিদ্যমান কমিটিতে যারা পদে আছেন তারা থানা বা ওয়ার্ডে যে কমিটি হবে তার সদস্য বা অন্য কোনো পদ পাবেন না। যদি কেউ থানা বা ওয়ার্ড কমিটির পদ চান সেক্ষেত্রে তাকে নগর কমিটি থেকে পদত্যাগ করতে হবে। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমান। উদ্বোধক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের অধীন বিএনপির মহানগর ও জেলাসমূহে সম্মেলন ও কাউন্সিল করার দায়িত্ব পাওয়া বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান। এবারের সভায় নগর বিএনপির কমিটির আকার বৃদ্ধিরও প্রস্তাব এসেছে। একইসঙ্গে আকার বৃদ্ধি করলে সেক্ষেত্রে দলের মহিলা নেত্রীদের মধ্যে একজন প্রতি প্রতিনিধি এবং হিন্দু-বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ বা ভিন্ন ধর্মাবলম্বী থেকে একজন প্রতিনিধি রাখার প্রস্তাব করা হয়। এসব প্রস্তাবনা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেন অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান এবং তৃণমূলে দলকে ‘শক্তিশালী’ ও নেতাকর্মীদের ‘সুসংগঠিত’ করতে বিএনপির চট্টগ্রাম মহানগর নেতৃবৃন্দের প্রতি নির্দেশনা আছে কেন্দ্রের। এক্ষেত্রে কাউন্সিলের মাধ্যমে ইউনিট, ওয়ার্ড ও থানা কমিটি গঠন করতে বলা হয়। আগামী ৬০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে সম্মেলন ও কাউন্সিলের মাধ্যমে কমিটি পূর্ণাঙ্গ করতে নির্দেশনাও দিয়েছে কেন্দ্র। গত ৩ ডিসেম্বর মহাগরের ১৫ থানা ও ৪৩ সাংগঠনিক ওয়ার্ডের কমিটি বিলুপ্ত করে নগর বিএনপি। । এর একদিন পর ৫ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সভা করেন অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান। এতে ৮০ দিনের মধ্যে মহানগর ও উত্তর সহ ছয় জেলার তৃণমূল থেকে অর্থাৎ ইউনিয়ন থেকে উপজেলা, ওয়ার্ড থেকে পৌরসভা এবং উপজেলা ও পৌরসভা থেকে জেলা কাউন্সিল সম্পন্ন করার তাগিদ দেন।
মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শওকত আজম খাজা (দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত) বলেন, প্রথমে থানায় আহ্বায়ক কমিটি করা হবে। থানা কমিটি ওয়ার্ডে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করে দিবে। এরপর ইউনিট কমিটি গঠন শেষে পুনরায় ইউনিট থেকে ওয়ার্ড ও থানায় কাউন্সিলের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে। সভায় আরো উপস্থিত ছিলে কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান শামীম , হারুনুর রশিদ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক বি এন পি চট্টগ্রাম বিভাগ , এছাড়া ও মহানগর বি এন পির আহবায়ক এরশাদ উল্লাহ, সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান সহ মহানগর নেত্রিবৃন্দ।