গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও পূবাইল থানা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম খান বিকির বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসত্য, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। একটি সুবিধাবাদী চক্রের কাল্পনিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি।
এক বিশেষ সংবাদ বিবৃতিতে অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম খান বিকি বলেন, একটি চিহ্নিত ও স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর দীর্ঘদিনের কষ্টার্জিত রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ও সামাজিক সুনাম বিনষ্ট করার লক্ষ্যে নীল নকশা অনুযায়ী অপপ্রচারে নেমেছে। মনগড়া ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে সাধারণ মানুষ এবং স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করাই এই চক্রের মূল লক্ষ্য।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “তৃণমূলের আপামর জনগণের আস্থা, ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়ে আমি দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে সক্রিয় রয়েছি। জনগণের অধিকার আদায় ও এলাকার সার্বিক কল্যাণে সততার সাথে কাজ করাই আমার রাজনীতির মূল ভিত্তি। কিন্তু আমার এই রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা ও স্থানীয় জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা পেছনের দরজা দিয়ে চরিত্র হননের নোংরা খেলায় মেতে উঠেছে। এ ধরনের কাপুরুষোচিত চক্রান্ত করে আমার গণমুখী অবস্থানকে দুর্বল করা যাবে না।”
বিবৃতিতে তিনি এলাকার সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ, সমর্থক ও বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানান, তারা যেন কোনো ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গুজবে কান না দেন। যেকোনো সংবাদের সত্যতা যাচাই-বাছাই করে তথ্য গ্রহণ করার জন্য তিনি সকলের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানান।
অ্যাডভোকেট বিকি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার এই অসৎ চেষ্টা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারী ব্যক্তি ও তাঁদের নেপথ্যের ইন্ধনদাতাদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে। দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী এই অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। কোনো ষড়যন্ত্রই জনগণের সাথে তাঁর আত্মিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ককে ছিন্ন করতে পারবে না বলে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।