ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন চৈতি গার্মেন্টসের শ্রমিকরা। দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটি ন্যায্য বেতন ও ঈদ বোনাস প্রদান করছে না—এমন অভিযোগ তুলে আজ থেকে শ্রমিকরা সড়কে নেমে আসেন। এতে দেশের অন্যতম ব্যস্ত এই মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এবং হাজারো যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান এ বিষয়ে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে আসা ঈদের ছুটিতে জনাব মেহেদী মাসুদের সাথে কথা হয় দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার সাথে তিনি বলেন,দুপুর থেকে শ্রমিকরা কারখানার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে তারা সড়কে অবস্থান নিলে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের উভয় পাশে কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে অফিসগামী মানুষ, রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সসহ বিভিন্ন যানবাহন দীর্ঘ সময় আটকে থাকে। আমরাও চট্টগ্রাম থেকে এসে এখানে দীর্ঘ সময় আটকে আছি।
বিক্ষোভকারী শ্রমিকদের দাবি, বহু বছর ধরে তারা ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং প্রতি ঈদে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বোনাস যথাযথভাবে পরিশোধ করা হয় না। তারা দ্রুত বকেয়া পরিশোধ ও নিয়মিত বেতন-ভাতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
এদিকে, সড়ক অবরোধের কারণে যাত্রীদের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বিশেষ করে ঈদের সময় ঘনিয়ে আসায় এই পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত পদক্ষেপ না নেওয়া হলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।