সুনামগঞ্জ জেলার বিস্তীর্ণ , হাওরাঞ্চলের মানুষের জিবন যাত্রা যথটা নান্দনিক ঠিক ততোটাই জিবন যুদ্ধে পরিপূর্ণ।এই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের একটিই প্রাণের দাবি উন্নত কোন বিলাসিতা নয়, বরং বছরজুড়ে টিকে থাকার মতো একটি ন্যুনতম যোগাযোগ ব্যাবস্থা।প্রতি বছর বর্ষা মৌসুম শুরু হলেই এই এলাকার লাখ লাখ মানুষের জীবন থমকে যায়। যা থেকে মুক্তি পেতে এখন তারা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন, প্রতিবছর বাংলা ক্যালেন্ডারের জৈষ্ঠ মাস থেকে কার্তিক মাস পর্যন্ত হাওর এলাকা মূলত পানির নিচে থাকে,এই দীর্ঘ ছয় মাস হাওর এলাকার বসবাসকারীরা এক প্রকার জলাবদ্ধ জীবনযাপন করতে হয়, মূল ভূখণ্ডের সাথে যোগাযোগের ব্যবস্থা একমাত্র মাধ্যম হয়ে দাঁড়ায় নৌকা, কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ায় উত্তাল হাওর পাড়ি দেওয়া জীবনের ঝুঁকি হয়ে দাঁড়ায়, স্থানীয়দের মতে জরুরি চিকিৎসা বা পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে তাদের প্রতি নিয়ত মৃত্যুর সাথে বসবাস করতে হয়। হাওর বাসীর জনসাধারণ মানুষের প্রাণের দাবি ছবির আবেদন থেকে স্পষ্ট যে, হাওরবাসী সরকারের কাছে বড় কোন অবকাঠামোর চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে বারোমাসি যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর ,তাদের দাবিগুলো হলো বর্ষাকালেও যেন যাতায়াত ব্যবস্থা সচল থাকে, টেকসই রাস্তা বা সাবমসিবল রোডের উন্নয়ন, জরুরী প্রয়োজনে যেন দ্রুত মূল শহরে পৌঁছানো যায় তার নিশ্চয়তা, জীবনযাত্রা কষ্ট লাঘব করতে ন্যূনতম পরিবহন সুবিধার ব্যবস্থা, জনপ্রতিনিধির কাছে আর্জি, সুনামগঞ্জ-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান, কামরুল , মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে হাওর বাসী তাদের এই দুর্ভোগের কথা জানিয়েছেন তাদের স্বপ্ন এলাকার এই দীর্ঘদিনের অবহেলিত যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন আসবে এবং তারা ১২ মাসই নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবেন। উন্নত নয় ন্যূনতম যোগাযোগ ব্যবস্থা, নিশ্চিত করে হাওরবাসীর জীবন যাত্রার কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করা হোক, এটিই এখন সুনামগঞ্জ ১ আসনের প্রতিটি প্রান্তের মানুষের সমবেত কণ্ঠস্বর। উপসংহার হাওরবাসীর যৌক্তিক দাবি পূরণ হলে শুধু তাদের ভোগান্তি কমবে না বরং এই অঞ্চলের কৃষি ও অর্থনৈতিক চিত্রও বদলে যাবে। প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপই পারে এই কয়েক লাখ মানুষের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে।