শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৭:২৮ পূর্বাহ্ন
ত্যাগ, সাহসিকতা ও নেতৃত্বগুণে আস্থার প্রতীক এক মহীয়সী নারী,
পাহাড়ি জনপদের রাজনীতিতে দীর্ঘ পথচলার এক সাহসী ও ত্যাগী নাম মাম্যাচিং মার্মা। কেন্দ্রীয় বিএনপির উপজাতীয় বিষয়ক সম্পাদক, সাবেক বান্দরবান জেলা বিএনপির সভাপতি, সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যেই নিজের নেতৃত্বের সক্ষমতার স্বাক্ষর রেখেছেন।
দলের কঠিন সময়েও তিনি ছিলেন দৃঢ় ও অবিচল। ২০১৭ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত টানা সাত বছর বান্দরবান জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করে প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশে সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পাহাড় থেকে সমতল, ইউনিয়ন থেকে প্রত্যন্ত গ্রাম—দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে নিরলস পরিশ্রম করেছেন তিনি।
জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে জনমত গড়ে তুলতে মাঠপর্যায়ে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেন। দলীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এবং ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষার ঊর্ধ্বে উঠে বান্দরবান-৩০০ আসনের বিজয় নিশ্চিত করতে নিজে প্রার্থী না হওয়ার ঘোষণা দেন। তার এই ত্যাগ ও দূরদর্শী সিদ্ধান্তের ফলেই দীর্ঘদিন পর এ আসনে বিএনপি সংসদ সদস্য পায় বলে দলীয় নেতাকর্মীরা উল্লেখ করেন।
নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মতে, সততা, অভিজ্ঞতা ও সংগঠনের প্রতি নিষ্ঠার কারণে তিনি এখনো পাহাড়ি-বাঙালি সকল সম্প্রদায়ের কাছে গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব। তিনি তিন পার্বত্য জেলায় সবচাইতে শিক্ষিত ডিগ্রীধারী নারী। জানা যায় বিরোধীদলীয় রাজনীতি থাকাকালীন সময়ে বেশ কয়েকটি মামলার আসামিও হয়েছেন তিনি। তাই বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে তাকে দেখতে চান সর্বস্তরের মানুষ।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জীবনের এই পর্বে তাকে এ সম্মানজনক দায়িত্ব প্রদান করা হলে বান্দরবান বিএনপি পরিবার কৃতজ্ঞ থাকবে এবং তার অভিজ্ঞ নেতৃত্বে জেলার উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে সকল সম্প্রদায়ের প্রত্যাশা করেন।