থানায় প্রতিদিন আসা অভিযোগ, জিডি বা মামলার বাদীদের তিনি ব্যক্তিগত গুরুত্ব দিয়ে কথা শোনেন। অভিযোগের ধরন অনুযায়ী আইনের আলোকে বাস্তবসম্মত পরামর্শ দেন। অভিযোগকারীরা জানান, ওসি জুয়েল মিঞার শান্ত, ধৈর্যশীল ও সহজ-সরল ব্যবহার তাঁদের আস্থায় ভরিয়ে তোলে। অনেকের মতে—
“ওসি সাহেবের কাছে এলে শুধু পরামর্শই নয়, একটি নিরাপত্তার অনুভূতিও পাওয়া যায়।
স্থানীয়দের দাবি, দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই সাভার এলাকায় অপরাধের প্রকোপ দৃশ্যমানভাবে কমে এসেছে। দিন-রাত নিরলসভাবে মাঠে থেকে তিনি অপরাধ দমন, মাদকবিরোধী অভিযান, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও সার্বিক নিরাপত্তায় কাজ করে যাচ্ছেন ।
ঢাকা জেলার সাভার মডেল থানার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ জুয়েল মিঞা জনবান্ধব পুলিশিংয়ের এক উজ্জ্বল উদাহরণ স্থাপন করেছেন। তাঁর আন্তরিকতা, মানবিকতা ও পেশাদারিত্ব শুধু সাধারণ মানুষের মধ্যেই নয়, সহকর্মী পুলিশ সদস্যদের মাঝেও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।
। তাঁর নেতৃত্বে থানার কার্যক্রম হয়েছে আরও গতিশীল ও কার্যকর।
সহকর্মী পুলিশ সদস্যদের প্রতিও তাঁর রয়েছে তার সুদৃষ্টি। সদস্যদের মনোবল বাড়াতে উৎসাহ, সহযোগিতা ও নৈতিক সমর্থন দিয়ে তিনি নিজের দলে তৈরি করেছেন সুসম্পর্ক ও পারস্পরিক আস্থার পরিবেশ। সহকর্মীদের ভাষায় ওসি জুয়েল মিঞা আমাদের আপনজনের মতো। তাঁর সঙ্গে কাজ করা গর্বের।
সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধকে ধারণ করে আইন প্রয়োগে তিনি সবসময় কঠোর ও আপসহীন। দুর্নীতি, অন্যায় বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতি তাঁর অবস্থান স্পষ্ট। তিনি বিশ্বাস করেন—নাগরিকের আস্থাই পুলিশের সবচেয়ে বড় শক্তি।
সাভারের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, ওসি মোহাম্মদ জুয়েল মিঞার মানবিক ও দক্ষ নেতৃত্বে এলাকা আরও নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত হবে। তাঁর ন্যায়নিষ্ঠা, মানবিকতা ও নিষ্ঠার কারণেই তিনি শুধু একজন অফিসার ইনচার্জ নন—সাভারের মানুষের কাছে এক নির্ভরতার প্রতীক, একজন অভিভাবক।