মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১০:২৫ পূর্বাহ্ন

শাহাদাৎ হোসেন (ইমরান) :
আমার বাবার (আবুল কালাম আজাদ) নামে রাজউক বরাদ্দকৃত নির্মাণাধীন প্লটে কাজী আনোয়ার হক ও মনজুর সহ আরো কয়েকজন এসে টাকা দাবি, ভয়-ভীতি ও হুমকি প্রদান করে আসছে বলে দাবি করেছেন মো:আবু বক্কর সিদ্দিক।
বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগী আবু বকর সিদ্দিক গত সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারী) উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করে।
জিডি সূত্রে জানা যায়, আবুল কালাম আজাদ (আবু বকর সিদ্দিক) বহু বছর আগে উত্তরায় প্লট নাম্বার -৬৬,সোনারগাঁও জনপথ রোড, সেক্টর-১১ রাজউকের বরাদ্দকৃত প্লটটি পায়।বাবা মারা যাওয়ার পর দীর্ঘদিন প্লটটি খালি থাকায় দোকান নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে ।নির্মাণ কাজ সিদ্দিক এর মনোনীত ব্যাক্তি সিরাজুল ইসলাম মিঠু দ্বারা পরিচালিত হয়।গত ১৩ ফেব্রুয়ারী বিকেলে কাজী আনোয়ার হক,মনজুর আলম সহ চার/পাঁচ জন ব্যাক্তি পরস্পর যোগসাজশে একটি ভূয়া চুক্তিপত্র তৈরী করে প্লটের সামনে এসে ৫২ লক্ষ টাকা চায়। টাকা না দিতে চাইলে বিবাদীগন ভিবিন্ন প্রকার ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মনজুর আলম ওরফে মঞ্জু ৫আগস্ট সরকার পতনের পর ভোল্ট পাল্টিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদ দল বিএনপির নাম ভাংঙ্গিয়ে ভিবিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি করে।ঐ সময় তার নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে একাধিক অভিযোগ জমা পরে।এর প্রেক্ষিতে গনমাধ্যমে একাধিক সংবাদ প্রকাশ হয়। কোন এক অদৃশ্য শক্তির অন্তরালে এখোনো এসব অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে তিনি।
ভুক্তভোগী আবু বকর সিদ্দিক জানায়,আমার বাবার রাজউক বরাদ্দকৃত প্লটটি নিয়ে মামলা চলমান থাকায় কোর্টের মাধ্যমে আমরা রায় পাই।রায় পাওয়ার পর দোকান স্হাপনা নির্মাণ জন্য মনোনিত ব্যাক্তিকে দিয়ে নির্মাণ কাজ পরিচালনা কালে উল্লেখিত বিবাদিগন ভুয়া চুক্তিপত্র বানিয়ে ৫২ লক্ষ টাকা দাবি করে। আমি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা আমাকে ভিবিন্ন মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে যাচ্ছে। নিরাপত্তার স্বার্থে থানায় আমি একটি সাধারণ ডায়েরী করি।
বিষয়টি নিয়ে জিডির তদন্ত কর্মকর্তা এস আই ফরিদুজ্জামান জানান,জিডিটি তদন্তের জন্য কোর্টের অনুমতির জন্য আবেদন করা হয়েছে।অনুমতি পেলেই তদন্ত শুরু করা হবে।