
ঢাকার দোহারের মৈনট ঘাট,মিনি কক্সবাজার যেখানে আপনি আসলে মুগ্ধ হবেন তাকিয়ে থাকবেন পদ্মা নদীর অপরূপ জলরাশির দিকে। এই বিশাল জলরাশি, পদ্মায় হেলেদুলে ভেসে বেড়ানো জেলেদের নৌকা দেখা আর পদ্মার তীরে হেটে বেড়ানো, সব মিলিয়ে কিছুক্ষণের জন্য আপনার মনে হবে আপনি এখন ঢাকার দোহারে নয়, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে আছেন। মূলত এই কারণেই অনেকে মৈনট ঘাটকে বলে থাকেন মিনি কক্সবাজার। ঢাকার দোহার উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নে অবস্থিত মিনি কক্সবাজার খ্যাত মৈনটঘাট। মিনি কক্সবাজারের নামকরণ করেন দোহারের গণমাধ্যম কর্মী ও দোহার উপজেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম ফকির।
২০০৫ সালে পদ্মা পাড়ের মৈনটঘাটে এসে কক্সবাজারের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে পায় তখন আবুল হাসেম ফকির নমকরন করেন মিনি কক্সবাজার। এখন দীর্ঘ প্রসারিত বালুকাময় পদ্মাপাড় একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। সে সময় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জাফর ইকবাল লাভলু ও মরহুম মালেক দোহারী তিনি ও নাম করণে সমর্থন করেছিল। সেই নামটি আজ পদ্মার পাড়ে মিনি কক্সবাজার খ্যাত মৈনটঘাট নামে এখন সারাদেশে সুপরিচিত হয়েছে। ঢাকার দোহার উপজেলায় অবস্থিত মৈনটঘাট মিনি কক্সবাজার নাম করণ নিয়ে সিনিয়র সাংবাদিক ও দোহার উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম বলেন, এক সময় প্রায়ই আমার মৈনট ঘাটে চায়ের আড্ডায় মিলিত হতাম। একদিন আমরা তিন বন্ধু বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক জাফর ইকবাল লাভলু ও মরহুম মালেক দোহারি মৈনট ঘাটে বসে আড্ডা দেওয়ার সময় আমরা মাথায় আসলো মৈনটঘাট আজ থেকে এর নাম মিনি কক্সবাজার। প্রথমে গুগলে সার্স দেই কক্সবাজার আছে কক্সবাজার জেলায়, তবে মিনি কক্সবাজার নেই কোথাও তাৎক্ষণিক ভাবে উপস্থাপন করি মিনি কক্সবাজার মৈনটঘাট পদ্মারপাড়। তারপর শুরু হলো দর্শনার্থীদের আসা যাওয়ার পর্যটক ভ্রমণ এলাকা মৈনট এলাকা। ঘুরে বেড়ানোর জন্য ঢাকা জেলার প্রতি মানুষের অনীহা লাঘব হবে, যদি মৈনট ঘাটকে কেন্দ্র করে এখানে একটি পরিপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্র গড়ে উঠে। আজ সত্যি সত্যিই মিনি কক্সবাজার খ্যাত মৈনট এলাকা সমাদৃত হয়েছে। বর্তমানে মিনি কক্সবাজার শুধু বাংলাদেশেরই নয়, বিশ্বের পর্যটকদের কাছেও একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য। পদ্মার নীল জলরাশি, বিস্তীর্ণ বালুর সৈকত নিয়ে গড়ে উঠেছে এক অনন্য স্থান।