1. amarpranerbd@gmail.com : news :
  2. amarpranerbangladesh@gmail.com : PRANER BD REPORTER : PRANER BD REPORTER
  3. editor.amarpranerbd.official@gmail.com : Newsdesk :
শিরোনাম :
ঢাকা-চট্টগ্রামে কাস্টমস গোয়েন্দার টানা অভিযান: সিগারেট, মোবাইল-এলসিডি, মাদারবোর্ড, মদ ও স্বর্ণসহ প্রায় ১ কোটি টাকার পণ্য জব্দ জুলাই গণঅভ্যুত্থান হত্যা মামলার আসামি কলিন্সের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ টেকনাফে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিউ জামাল মার্কেটের ১০-১৫ দোকান পুড়ে ছাই ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের দুই সার্ভিস সেতু চালু,যানজট কমার আশা, সহজ হবে ধউর-আশুলিয়ার যোগাযোগ ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের দুই সার্ভিস সেতু চালু ৯ নং ওয়ার্ডকে স্মার্ট ওয়ার্ড গড়তে চান কাউন্সিলর প্রার্থী সাইদুর রহমান ইসলামপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মিজানুর রহমান মিজান মাদক জুয়া ও সব ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছেন । নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে সিসি ক্যামেরা স্থাপনে BKMEA ও NCCI-এর পক্ষ থেকে জেলা পুলিশকে চেক হস্তান্তর টেকনাফ উপজেলার ৫নং বাহারছড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে ‘মোক্তার মেম্বার’কে দেখতে চান সমর্থকরা পেকুয়ায় মাছে বিষ প্রয়োগ করে বিক্রির অভিযোগে আটক ১

কাউখালীতে মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে এলাকায় তোলপার

পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি
  • Update Time : Tuesday, November 25, 2025,
  • 88 Time View

পিরোজপুরের কাউখালীতে জোলাগীতি ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও ঘুষ গ্রহণ এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যাচাই-বাছাই না করে নিজের খেয়াল খুশিমত আয়া নিয়োগ সহ আরও যে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে প্রতিটি নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ ভুক্তভোগী আয়া প্রার্থী মিনারার স্বামী মোঃ সামসুল হুদা (ওদুদ) তিনি অভিযোগে লিখেছেন জোলাগাতী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় একজন আয়া নিয়োগের জন্য দৈনিক সংগ্রাম ও পিরোজপুর কণ্ঠ পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পেয়ে আমার স্ত্রী অধ্যক্ষের বরাবরে আবেদন করে। আবেদন পেয়ে অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রহিম মিনারার স্বামী হিসেবে আমাকে তার সাথে দেখা করার জন্য তার কাউখালী বাসায় ডাকেন এবং ৪ লক্ষ টাকা দিলে আমার স্ত্রীকে চাকুরি দিবেন বলে প্রস্তাব করেন।

টাকা দিলে প্রশ্নপত্র আগে দিয়ে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করার বিষয় নিশ্চিত করে নিয়োগ দিবেন বলে অধ্যক্ষ প্রতিশ্রুতি দেন । তার কথায় রাজি হয়ে ২১ শে আগস্ট পরীক্ষার আগের দিন রাতে অধ্যক্ষ তার চাহিদা মতো টাকা নিয়ে তার কাউখালীর বাসায় ডাকেন। এ সময় আমি আর্থিক সমস্যার কারণে তিন লক্ষ টাকা প্রদান করলে তিনি আমাকে জানান যে এর দ্বিগুণ টাকা অন্য প্রার্থীরা দিতে চায়। তবে তোমার দাদার ভিটায় মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠিত বাড়ির মানুষ হিসেবে তোমার স্ত্রীর জন্য ৪ লাখ চেয়েছি। আরো ১ লক্ষ টাকা দাও। আমি উনাকে জবাবে বলি আমার কাছে বর্তমানে টাকা নাই কয়েক দিন পরে টাকার ব্যবস্থা করে আপনাকে দিব ।

পরে তিনি ৩ লাখ টাকা গ্রহণ করে আমাকে প্রশ্নপত্র না দিয়ে কিছু প্রশ্ন মৌখিক ভাবে বলে দেন। ২২ শে আগস্ট শুক্রবার পরীক্ষায় ৪জন অংশগ্রহণ করলেও তার বলে দেওয়া প্রশ্ন না করে ভিন্ন প্রশ্ন দিয়ে রাখে । তার কারণ অন্য প্রার্থীর নিকট হইতে মোটা অংকের টাকা গ্রহণ করে তাকেই সঠিক প্রশ্ন দেওয়া হয়েছিলো । সোহরাব হোসেন এর মেয়েকে নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ দেখানো হয়েছে। অথচ সোহরাব হোসেনের মেয়ের পাশে জোলাগাতী মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম বি.এ অনার্স পড়ুয়া একজনকে প্রার্থী সাজিয়ে সোহরাবের মেয়ের পাশে বসতে দেয়। মূলত: সোহরাবের মেয়ের খাতায় ঐ মেয়ের নাম লেখেন এবং ঐ মেয়ের খাতায় সোহরাবের মেয়ের নাম লিখে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মোটা অংকের বিনিময়ে উত্তীর্ণ করা হয়েছে। এছাড়া অবৈধভাবে আমার কাছ থেকে টাকা নিলেও তার চাহিদামতো টাকা দিতে না পারায় বাড়তি টাকা নিয়ে এই ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তাকে উত্তীর্ণ করা হয়েছে। অভিযোগপথে এভাবেই লিখেছেন অভিযোগকারী। উল্লেখ্য এর পূর্বে ৩টি নিয়োগ মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে দেয়া হয়েছে বলে নাম প্রকাশ না করার স্বার্থে এলাকাবাসী জানিয়েছে।

অভিযোগকারী মিনারা এই নিয়োগ বাতিল সহ অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে মহাপরিচালক ও জেলা প্রশাসক সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিকট অভিযোগ দায়ের করেছেন বলেন জানিয়েছেন মিনারা স্বামী মোঃ সামসুল হুদা (ওসুদ)।

এ ব্যাপারে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম জানান আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অসত্য কোন ধরনের টাকা পয়সার লেনদেন হয়নাই। তবে বাড়ির একজনকে আমাদের পছন্দ ছিল। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারায় তাকে নিয়োগ দিতে পারি নাই। ওই মাদ্রাসার সভাপতি জামাত নেতা মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান অনিয়মের বিষয় অস্বীকার করেছেন।
উল্লেখ্য যে জোলাগীতি ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে একের পর এক অনিয়মের অভিযোগ সহ অবৈধ্য অর্থ লেনদেনের অভযোগ বিভিন্ন দপ্তরে দিয়েও কোনো ফলাফল পাওয়া যায় নাই । বর্তমান শিক্ষা উপদেষ্ঠা ও শিক্ষা অধিদপ্তরের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ।
সঠিক তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে এই দূর্নীতিবাজ অধ্যক্ষের আসল রহস্য ।

Facebook Comments Box

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 প্রানের বাংলাদেশ