মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন

গাজীপুরে নির্যাতিত মোটর শ্রমিক একতা ঐক্য সমগ্র বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঢাকা গাজীপুর জেলা কমিটির সকল নেতৃবৃন্দদের নিযে গাজীপুর ভোগড়া বাইপাস নুরু মার্কেটে গত ৭ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে একটি নতুন কমিটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের ৬৪ জেলা ও উপজেলা থেকে আগত নির্যাতিত মোটর শ্রমিক একতা ঐক্য সমগ্র বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সকল নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, এমন একজন ব্যক্তি জিনি সমগ্র বাংলাদেশের ৬৪ জেলার মোটর শ্রমিক ও ড্রাইভারদের মন জয় করে নেওয়া অত্যান্ত পরিশ্রমী বিনয়ী ও মানবিক উদার মনের মানুষ মানবতার ফেরিওয়ালা, জনাব মোঃ ইমরান হোসেন, সোহাগ। নবগঠিত সভাপতি, ঢাকা কেন্দ্রীয় কমিটি। ইমরান হোসেন সোহাগ বক্তব্যে বলেন এই সংগঠন হচ্ছে একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। এই সংগঠনের রিকশা শ্রমিক গার্মেন্টস শ্রমিক থেকে শুরু করে সমগ্র বাংলাদেশের ৬৪ জেলার সকল যান বাহনের শ্রমিক বিগত ৫২ বছর ধরে নির্যাতিত অবহেলিত এবং সুবিধাবঞ্চিত। যারা দেশের অর্থনৈতিক সচ্ছল রাখতে দিনরাত পরিশ্রম করে রোদ বৃষ্টি অপেক্ষা করে দেশের জনগণকে খাদে নিয়ে গাড়ির চাকা গুড়িয়ে বেড়াচ্ছে তারা আজ নির্যাতিত, অবহেলিত এবং সুবিধাবঞ্চিত। অথচ প্রত্যেকটা যানবাহনের ড্রাইভারা দায়িত্বের ভারে আল্লাহর উপর ভরসা রেখে সকালে ঘর থেকে বের হয়ে সারাদিন যানবাহনের সাথে সংক্ষিপ্ত থেকে সাধারণ মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকে, কখনো রাজনৈতিক দলের চাপ, কখনো সাধারণ জনগণের রাগ,অথচ সেই মানুষটি আপনার আমার জানমাল নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেন। সেই মানবিকতার কথা কেউ চিন্তা করে না, উল্টো তাদের বুকে ছুরি চাকু বসিয়ে তাদেরকে রক্তাক্ত করে,মেরে সমস্ত কিছু নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে,কেউ তাদের পাশে এসে দারায় না,আসুন যে মানুষটি তার সর্বোচ্চটা দিয়ে আপনাকে আমাকে নিরাপদ স্থানে সবার আগে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করে তাদেরকে আমরা মূল্যায়ন করতে শিখি, সম্মান দিতে শিখি তারাও মানুষ, তাদেরও মন আছে ক্লান্তি আছে স্বপ্ন আছে, তারা বেশি কিছু চায়না, চায় আপনার আমার ভালোবাসা ,দিন শেষে পরিশ্রমের বিনিময়ে দু পয়সা রোজগার করে নিজের ছেলে মেয়েদের মুখে দুটো ডাল ভাত তুলে দিতে। সভাপতি ইমরান হোসেন সোহাগ সাহেব আরও বলেন আমি আমার জায়গা থেকে সারা বাংলাদেশের ৬৪ জেলার ড্রাইভার হেলপার সকল শ্রমিকদের যেকোনো আপদে বিপদে পাশে থাকার চেষ্টা করব। তিনি বলেন আমি যখন সভাপতি ছিলাম না তখনো মটর শ্রমিক ভাইদের পাশে ছিলাম, এখন তো দায়িত্ব আরোও বেড়ে গেছে সকল সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবো ইনশাল্লাহ। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ আমির হোসেন। সাংগঠনিক সম্পাদক, মোহাম্মদ তারিক বিন কবির। সিনিয়র সহ-সভাপতি, মোঃ ইয়াকুব শিকদার। কার্যকরী সভাপতি, মোঃ সুমন মিয়া। যুগ্ম সম্পাদক, মোঃ বক্কর আলী। সহ-সভাপতি, মোঃ আশিক দেওয়ান। সহ-সভাপতি, মোঃ মঞ্জিল। প্রচার সম্পাদক মোঃ খোকন মিয়া। দপ্তর সম্পাদক, মোঃ শাহ আলম। অন্যান্য জেলা
ও উপজেলা শাখা থেকে আসা নেতৃবৃন্দ। ঢাকা মহানগর সভাপতি, মানিক মিয়া। সভাপতি, শহিদুল খান, গাজীপুর জেলা। সাধারণ সম্পাদক, মাসুদ মিয়া। শেরপুর। সহ-সভাপতি, মোহাম্মদ ফেরদৌস, সাধারণ সম্পাদক, মোঃ আল আমিন। সহ-সভাপতি, মোঃ রনি। গাজীপুর মহানগর। সাধারণ সম্পাদক, মোঃ রাজু। গাজীপুর মহানগর।
সাধারণ সম্পাদক, মোঃ খোকন। মাদারীপুর জেলা। সাধারণ সম্পাদক
মোঃ আশরাফ হোসেন ফরিদপুর জেলা। সভাপতি, মোঃ জসিম উদ্দিন আশুলিয়া থানা। সাধারণ সম্পাদক, মোঃ এনামুল হক, ময়মনসিংহ জেলা। উপদেষ্টা, মোঃ আলীম, শ্রীপুর থানা। সভাপতি, মোঃ ফাইজুল
শ্রীপুর থানা। সাধারণ সম্পাদক, মোঃ সাগর, কোনাবাড়ি। সাধারণ সম্পাদক, মোঃ বাপ্পি, গাছা থানা। সভাপতি, মোঃ মাসুদ রানা, কাশেমপুর থানা। সভাপতি, মোঃ আলতো মিয়া, ঈশ্বরগঞ্জ থানা। সভাপতি, শ্রী চৈতন বিশ্বাস, শেরপুর, নকলা থানা। সাধারণ সম্পাদক, জাহাঙ্গীর আলম, নকলা থানা। উপস্থিত ছিলেন, আরোও অন্যান্য জেলা উপজেলা থেকে সকল নেতৃবৃন্দ। সকলের চাওয়া একটাই নিরাপদ সড়ক চাই,সন্ত্রাস চাঁদাবাজ মুক্ত বাংলাদেশ চাই। রিক্সা শ্রমিক, গার্মেন্টস শ্রমিক, সকল যানবাহন শ্রমিক জনতা সবে মিলে একতা