গাইবান্ধায় ছেলেকে পিটিয়ে গুরুতর জখমের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ
গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধা সদর উপজেলার খামার টেংগরজানী এলাকায় পূর্ববিরোধের জেরে এক যুবককে মারধর করে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুইজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২/৩ জনকে আসামি করে গাইবান্ধা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীর মা মোছা. আখলিমা বেগম (৪৮)।
অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, গত ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখ দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে খামার টেংগরজানী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগে মোছা. আখলিমা বেগম উল্লেখ করেন, অভিযুক্তদের বাড়ির সামনে রাস্তার সঙ্গে কারেন্টের খাম্বা ও বাঁশের সহিত একটি দড়ি বাঁধা ছিল। এ ঘটনায় তার ছেলে সাদা মিয়া (৩০) দড়িটি সরানোর জন্য গেলে অভিযুক্তরা তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন।
একপর্যায়ে অভিযুক্ত মোছা. পারুল বেগম কাপড় কাচার কাঠের লাঠি দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে সাদা মিয়ার মাথায় আঘাত করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তার মাথার পেছনে গুরুতর কাটা রক্তাক্ত জখম হয় এবং পাঁচটি সেলাই দিতে হয়েছে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, মাথায় আঘাতের পর সাদা মিয়া মাটিতে পড়ে গেলে অপর অভিযুক্ত মো. মিনাল মিয়া তার বুকের ওপর বসে দুই হাত দিয়ে গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন। এ সময় আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তিনি রক্ষা পান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনার সময় স্থানীয় নুর আলম সরকার, মো. মেহেদী হাসান, মোছা. আলেয়া বেগম ও মো. সাদা মিয়াসহ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, উপস্থিত লোকজনের সামনে অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে আবারও মারধর করে হত্যার হুমকি দেন।
মারধরের ঘটনায় গুরুতর আহত সাদা মিয়াকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মোছা. আখলিমা বেগম অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।