গাজীপুরের গাছা এলাকার বোর্ডবাজার কেন্দ্রীয় মসজিদের ওয়াকফ সম্পত্তি বিক্রি ও চাঁদা তুলে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ নেতা মুজিবুর খান ও তার সহযোগী আবু সাঈদ খানের বিরুদ্ধে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ওয়াকফকৃত বোর্ড বাজারের কাঁচা বাজার, মাছ-মাংসের দোকানসহ বিভিন্ন ভিট বিক্রি করে মুজিবুর খানের পরিবার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এখনও ফুটপাত থেকে প্রতিদিন চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। টাকা না দিলে ব্যাবসা করতে দিবেনা ও মিথ্যা মামলার হুমকি দেওয়া হয় বলে জানান ভুক্তভোগীরা।
মসজিদের সাবেক মোতাওয়াল্লি গিয়াস উদ্দিন খান আদালতে মামলা করলে মুজিবুর খান রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তাকে বাজারে প্রবেশ করতে দেননি বলেও অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ স্বীকার করে মুজিবুর খান বলেন, “টাকা-পয়সা তুলেছি, তবে ব্যাংকে জমা দেইনি। টাকা আমার কাছেই রয়েছে।”
স্থানীয়দের দাবি, তিনি অতীতে সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলের ঘনিষ্ঠ ছিলেন এবং স্বর্ণের নৌকা উপহার দিয়ে আলোচনায় আসেন। আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন গাছা এলাকা এবং ছাত্র হত্যা মামলার আসামি, আওয়ামী দোসর মজিবুর খানের এই ক্ষমতার উৎস কোথায় তা জনমনে প্রশ্ন।
সহযোগী আবু সাঈদ খান ছাত্র হত্যা মামলার আসামি। তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “এগুলো ষড়যন্ত্র।” ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা মুজিবুর খান ও আবু সাঈদ খানকে গ্রেপ্তার করে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ছাড়া মসজিদ ও বাজারে শান্তি ফিরবে না। ((প্রথম পর্ব))