১. সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।
২. মানুষের যেঅন্তরে মর্যাদা লাভ হয়।
৩. পূর্বে লোকেরা ক্ষতি করে থাকলে লোকদের কাছ থেকে সাহায্য এবং নিরাপত্তা।
৪. লোকেরা যদি গীবত করে থাকে, তাহলে তার সম্মান রক্ষা পায়।
৫. আল্লাহ তার দুয়া কবুল করেন।
৬. আল্লাহ তা’আলার নৈকট্য।
৭. ফেরেশতাদের নৈকট্য।
৮. মানুষ ও জিনদের মধ্য থেকে যারা শ*য়তান তারা দূরে সরে যায়।
৯. লোকেরা তাকে সাহায্য করার জন্য, তার চাহিদা পূরণ করার জন্যে এবং তার সাহচর্য ও ভালোবাসা পাওয়ার জন্য প্রতিযোগীতা করবে।
১০. সে মৃ*ত্যুকে ভয় করবেনা। বরং আল্লাহ তা’আলার সাথে সাক্ষাৎ লাভের জন্য ও তাঁর কাছ থেকে পুরষ্কার পাওয়ার জন্যে আগ্রহী হবে।
১১. এই দুনিয়া তার দৃষ্টিতে তুচ্ছ মনে হবে এবং পরকালকে অনেক মূল্যবান মনে করবে।
১২. পরকালে অনেক বড় রাজত্ব ও মর্যাদা পাওয়ার জন্যে চেষ্টা করবে।
১৩. আল্লাহর আনুগত্যের স্বাদ ফিরে পাবে।
১৪. ঈমানের মিষ্টতা অনুভব করবে।
১৫. আরশ বহনকারী ফেরেশতা ও আরশের চারপাশে আল্লাহর প্রশংসাকারী ফেরেশতাদের দু’আ লাভ করবে।
১৬. কেরামান কাতেবীন- দুইজন ফেরেশতা তার উপরে খুশি থাকবে এবং তারা তার জন্যে দু’আ করবে।
১৭. জ্ঞান, বুদ্ধি ও ঈমান বৃদ্ধি পাবে।
১৮. আল্লাহর ভালোবাসা অর্জিত হবে।
১৯. আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ কামনা করবে।
২০. তওবাহ করে পবিত্র জীবন-যাপনের উপরে সন্তুষ্ট থাকবে।
২১. আল্লাহ তাকে এমন সুখ ও শান্তি দান করবেন, যা সে যখন পাপ কাজে লিপ্ত ছিলো তা থেকে বঞ্চিত ছিলো।
[সূত্র : আল-ফাওয়ায়েদ, পৃ. ২৫৫]