1. amarpranerbd@gmail.com : news :
  2. amarpranerbangladesh@gmail.com : PRANER BD REPORTER : PRANER BD REPORTER
  3. editor.amarpranerbd.official@gmail.com : Newsdesk :
শিরোনাম :
ঢাকা-চট্টগ্রামে কাস্টমস গোয়েন্দার টানা অভিযান: সিগারেট, মোবাইল-এলসিডি, মাদারবোর্ড, মদ ও স্বর্ণসহ প্রায় ১ কোটি টাকার পণ্য জব্দ জুলাই গণঅভ্যুত্থান হত্যা মামলার আসামি কলিন্সের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ টেকনাফে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিউ জামাল মার্কেটের ১০-১৫ দোকান পুড়ে ছাই ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের দুই সার্ভিস সেতু চালু,যানজট কমার আশা, সহজ হবে ধউর-আশুলিয়ার যোগাযোগ ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের দুই সার্ভিস সেতু চালু ৯ নং ওয়ার্ডকে স্মার্ট ওয়ার্ড গড়তে চান কাউন্সিলর প্রার্থী সাইদুর রহমান ইসলামপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মিজানুর রহমান মিজান মাদক জুয়া ও সব ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছেন । নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে সিসি ক্যামেরা স্থাপনে BKMEA ও NCCI-এর পক্ষ থেকে জেলা পুলিশকে চেক হস্তান্তর টেকনাফ উপজেলার ৫নং বাহারছড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে ‘মোক্তার মেম্বার’কে দেখতে চান সমর্থকরা পেকুয়ায় মাছে বিষ প্রয়োগ করে বিক্রির অভিযোগে আটক ১

তথ্য অধিকার আইনের আলোকে পুলিশের জবাব নিয়ে আলোচনা,আপিল প্রক্রিয়া শুরু

মামুনুর রশীদ মামুন | বিশেষ প্রতিনিধি
  • Update Time : Tuesday, March 3, 2026,
  • 190 Time View

জনস্বার্থ-সংশ্লিষ্ট একাধিক ঘটনার বিষয়ে নথিভুক্ত তথ্য চেয়ে করা আবেদনের জবাবকে ঘিরে ময়মনসিংহে নতুন করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আবেদনকারীর অভিযোগ—নির্ধারিত সময় পেরিয়ে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এক পৃষ্ঠার সংক্ষিপ্ত তালিকা দেওয়া হয়েছে,যেখানে সুনির্দিষ্ট প্রশ্নগুলোর অধিকাংশের বিস্তারিত উত্তর,মামলা/জিডি নম্বর,তদন্তের বর্তমান অবস্থা, নজরদারি ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারের পদক্ষেপের তথ্য অনুপস্থিত। বিষয়টি ইতিমধ্যে তথ্য কমিশনে অভিযোগ এবং রেঞ্জ ডিআইজি বরাবর আপিল পর্যন্ত গড়িয়েছে। আবেদন ও চাওয়া তথ্য: গত জানুয়ারি মাসে তথ্য অধিকার আইন,২০০৯-এর ৮ ধারায় “ক” ফরমে আবেদন করেন সংবাদকর্মী-সম্পাদক ও ময়মনসিংহ মহানগর প্রেসক্লাবের সভাপতি আরিফ রেওগীর। আবেদনটি দেওয়া হয় ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে; একই সঙ্গে রেঞ্জ ডিআইজি ও কোতোয়ালি মডেল থানার ওসিকেও ভিন্নভাবে অনুলিপি দেওয়া হয়েছে বলে আবেদনকারী জানান। আবেদনে তিনটি পৃথক কিন্তু পরস্পর-

‎সম্পর্কযুক্ত ঘটনার বিষয়ে—আইনগত ব্যবস্থা,

‎তদন্তের অগ্রগতি,নজরদারি,এবং লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারের পদক্ষেপ—সংক্রান্ত বিস্তারিত নথিভুক্ত তথ্য ও অনুলিপি চাওয়া হয়। ঘটনা গুলোর মধ্যে ছিল: চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি,সরকারি কাজে বাধা ও হামলার অভিযোগ,এক সংবাদকর্মীর ওপর সশস্ত্র হামলা,জিম্মি করে স্বাক্ষর আদায় এবং দুইটি ইজিবাইক-নগদ অর্থ লুটের অভিযোগ। আবেদনকারী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ তথ্য সরবরাহের অনুরোধ জানান। ‘অসম্পূর্ণ’ জবাবের অভিযোগ: আবেদনকারী ও মহানগর প্রেসক্লাবের নেতাদের দাবি,নির্ধারিত সময় অতিক্রমের পর ১ মার্চ ২০২৬ তারিখে জেলা পুলিশ সুপারের দপ্তর থেকে স্মারক নং (৮০৪/২)–এর মাধ্যমে এক পৃষ্ঠার একটি তালিকা সরবরাহ করা হয়। তাদের বক্তব্য—এতে পৃথক প্রশ্নগুলোর বিস্তারিত জবাব,মামলা/জিডি নম্বর, তদন্তের বর্তমান অবস্থা এবং নজরদারি বা উদ্ধার-সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের তথ্য নেই। মহানগর প্রেসক্লাবের একাধিক নেতা বলেন,“তথ্য অধিকার আইনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ ও প্রাসঙ্গিক তথ্য দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। দায়সারা জবাব আইনের উদ্দেশ্যের পরিপন্থী।” তারা নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না হলে কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন। সরেজমিন তদন্ত বনাম প্রশাসনিক তথ্য এদিকে

‎সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে,উল্লিখিত ঘটনা গুলো সরেজমিনে তদন্ত করেছেন কোতোয়ালি থানার এসআই খোর্শেদ,এসআই সোহেল রানা,এসআই

‎রব্বানী,টিএসআই জহিরুল,এএসআই আনিস

‎ও এসআই জাহিদুল ইসলাম। সংশ্লিষ্টদের বিবৃতিতে ঘটনা গুলোর সত্যতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়াও ভুক্তভোগী মহল ঘটনার সময় নির্যাতন ও লুটপাট থেকে রক্ষা পেতে সংশ্লিষ্ট ওসিকে বারবার কল করেও কোন ফল পাননি বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি পুলিশ সুপারকেও কল করে বিষয় টি জানিয়েছিলেন ভুক্তভোগীদের অন্যতম এক সংবাদকর্মী, তারপরও তাৎক্ষিক কোন প্রতিকার মেলেনি! তবে অভিযোগ উঠেছে—কোতোয়ালি থানার ওসি,

‎জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রেরিত তথ্যে এসব সংবেদনশীল ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়নি মর্মে উল্লেখ করেছেন। এ কারণে তদন্ত-তথ্য ও প্রশাসনিক জবাবের মধ্যে অসামঞ্জস্য নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। স্থানীয় মহলের কেউ কেউ সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও তুলছেন; যদিও এ অভিযোগের পক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রমাণ উপস্থাপিত হয়নি। বিষয়টি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জোরদার করেছে। তথ্য কমিশনে অভিযোগ,ডিআইজি বরাবর আপিল: আবেদনকারী জানান,জেলা পুলিশের জবাবকে অসম্পূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর মনে হওয়ায় তিনি তথ্য কমিশনে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দিয়েছেন । পাশাপাশি বাংলাদেশ পুলিশের ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি বরাবর পুনরায় আপিল আবেদন জমা দিয়েছেন। একই আবেদনের অনুলিপি জেলা পুলিশ সুপার ও কোতোয়ালি থানার ওসিকেও দেওয়া হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। আইন কী বলছে?

‎তথ্য অধিকার আইন,২০০৯ অনুযায়ী,আবেদন পাওয়ার নির্দিষ্ট সময়-সীমার মধ্যে তথ্য সরবরাহের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তথ্য দিতে অস্বীকৃতি বা আংশিক/অসম্পূর্ণ তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে কারণ উল্লেখ করে লিখিত ভাবে জানাতে হয় এবং আবেদনকারী আপিল বা অভিযোগ করার অধিকার রাখেন। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে,জনস্বার্থ-সংশ্লিষ্ট অপরাধ ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক ঘটনায় গৃহীত পদক্ষেপের নথিভুক্ত তথ্য—যদি তা তদন্তের স্বার্থে নিষিদ্ধ না হয়—যথাযথ প্রক্রিয়ায় সরবরাহ করা উচিত; অন্যথায় জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়। পুলিশের বক্তব্য: এ বিষয়ে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রাপ্ত নথির ভিত্তিতে উত্তর দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে আবেদনকারী আপিল করতে পারেন।” তবে নির্দিষ্ট প্রশ্ন গুলোর বিস্তারিত জবাব ও নথির অনুলিপি কেন দেওয়া হয়নি—এ বিষয়ে তিনি স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেননি। বৃহত্তর প্রেক্ষাপট: ময়মনসিংহে সাম্প্রতিক সময়ে চাঁদাবাজি,হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন মহলে উদ্বেগ রয়েছে। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন,

‎তথ্য অধিকার আইনের যথাযথ প্রয়োগই পারে এসব প্রশ্নের স্বচ্ছ জবাব নিশ্চিত করতে। স্থানীয় সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা এখন তথ্য কমিশন ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছেন। তাদের ভাষ্য—আইনের শাসন ও প্রশাসনিক জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এই আবেদনের পূর্ণাঙ্গ,নিরপেক্ষ ও নথিভিত্তিক নিষ্পত্তি জরুরি;একই সঙ্গে তদন্ত-

‎তথ্য ও প্রশাসনিক জবাবের অসামঞ্জস্যের বিষয়ে স্বাধীন অনুসন্ধানই পারে বিতর্কের অবসান ঘটাতে।

Facebook Comments Box

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 প্রানের বাংলাদেশ