শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
জাতীয় স্মৃতিসৌধে আশুলিয়া থানা প্রেস ক্লাবের সাংবাদিক পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত আওয়ামী প্রতিহিংসার শিকার তিতাস গ্যাস কর্মচারী শ্রমিক দল নেতা চাকরিচ্যুত শওকত ইমামের মানবেতর জীবনযাপন। বাকেরগঞ্জে উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংবাদিকের নিরাপত্তা ও মালিকানার সংকট পঞ্চগড়ে গ্রাম আদালত কার্যক্রম শক্তিশালী করতে অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। রাজশাহী প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে রাসিক প্রশাসকের মতবিনিময় নির্মাণাধীন মসজিদুল আকবর কমপ্লেক্সের ছাঁদ ধসে ক্ষয়ক্ষতি ! কন্ট্রাকটর ও প্রকৌশলীর গাফিলতির অভিযোগ !! প্রেমের অনন্য উপাখ্যান: কাপাসিয়ায় মালয়েশিয়ান তরুণী হাফিজা ও রাকিবের বিয়েতে নায়িকা প্রিয়াংকা ফোরকান মাস্টারকে ঘিরে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সত্য, মানবিকতা ও সামাজিক সম্প্রীতির পক্ষে এলাকাবাসীর আহ্বান গংগাচড়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কার্যকরী পরিষদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত মানবিক সহায়তার আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে জি.আর চাল বিতরণ কোরবানির ঈদে পশুর সংকট নেই, ভারতীয় গরু ঠেকাতে কঠোর নজরদারি: সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ আগরদাঁড়ি ইউনিয়ন আমীরসহ তিন মরহুমের জানাজায় শোকাবহ পরিবেশ কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রে মিকাইল বিশ্বাসকে ঠেকানো যাবে না বললেন এলাকার সাধারণ জনগণ গাজীপুরে জুতা কারখানায় আগুন ভোলায় ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক, ৩ মাস ৭দিনের কারাদণ্ড। আত্রাইয়ে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান-চাল সংগ্রহের শুভ উদ্বোধন মুরাদনগরে মাদকবিরোধী অভিযানে বিদেশি মদ, ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ আটক ২ গাজীপুরে টিকটক করতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল ২ এসএসসি পরীক্ষার্থীর গাজীপুরে আলোচিত ৫ খুন: সেই ফোরকানের মরদেহ উদ্ধার পদ্মা নদীতে ঈদুল আযহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার চাল বিতর অনিয়মে জিরো টলারেন্সের ঘোষণা গাজীপুরের তুরাগ নদীতে তলিয়ে যাওয়া বন্ধুকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই কিশোরের মেয়ে থেকে ছেলেতে রূপান্তরিত নূরনবীকে দেখতে জনতার ভিড়! বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোসলেহ, সম্পাদক শামীমা পারভীন রাণীশংকৈলে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, ধর্ষক কিশোর গ্রেপ্তার প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিবের আস্থাভাজন ছাত্রনেতা তানভীর অসুস্থ, দোয়া কামনা ২০৬ পিস ইয়াবাসহ ঢাকা জেলা ডিবি (উত্তর)-এর পৃথক অভিযানে গ্রেফতার ৫ মাদক ব্যবসায়ী সাতকানিয়ায় ২স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে আটক-৪!ভিকটিমদেরকে উদ্ধার। আটিগ্রাম ভূমি অফিসের ছত্রছায়ায় চলছে অবৈধ ড্রেজার ও মাটি বাণিজ্য কৃষিজমি ধ্বংসের অভিযোগ, প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ স্থানীয়দের
জরুরী নোটিশ :
জরুরী নোটিশ এবং সতর্কবার্তা ""গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক  মিডিয়া ভুক্ত পত্রিকা দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশে কর্তব্যরত সকল সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ।  কিছু কুচুক্তি মহল বিভিন্ন গণমাধ্যমের আইডি কার্ড নকল করে বিভিন্ন প্রকার অপরাধে জড়াচ্ছে কিছুদিন পর পর পত্রিকার এসব খবরে আমরা বিভ্রান্ত। এরকম বেশ কয়েকজন অপরাধী দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার আইডি কার্ড নকল করেছে এমন প্রমাণিত হওয়াতে আমরা তাদের বিরুদ্ধে  তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছি। এবং সংবাদ প্রকাশ করে এসব অপরাধীদের সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নাই বলে আমরা ঘোষণা দিয়েছি।  সেই সাথে আমরা আমাদের প্রদত্ত বিগত দিনের সকল আইডি কার্ড পরিবর্তন করে স্ক্যানিং কোড সিস্টেম করে নতুন আঙ্গিকে আইডি কার্ড তৈরি করেছি।  দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশে কর্তব্যরত সকল সাংবাদিকদের কে সম্মানের সাথে জানাচ্ছি আপনারা  আপনাদের পুরনো আইডি কার্ড পত্রিকা অফিসে জমা দিয়ে সেই সাথে নতুন করে ভোটার আইডি কার্ড এবং  আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল সনদের সত্যায়িত ফটোকপি সহ জমা দিয়ে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নতুন আইডি কার্ড সংগ্রহ করার জন্য নির্দেশ দেয়া গেল। পত্রিকা কর্তৃপক্ষের এই নির্দেশ যারা অমান্য করবে তাদেরকে পত্রিকা কর্তৃপক্ষ বহিষ্কৃত বলে গণ্য করবেন। আপনাদের জ্ঞাতার্থে আরও জানাচ্ছি যে  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশক্রমে সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতার মান নির্ণয় সহ সাংবাদিকদের ডাটাবেজ তৈরি করছেন, মাননীয় সাবেক বিচারপতি প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ইতিমধ্যে এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতি দিয়েছেন। পুনরায় আপনার ভোটার আইডি কার্ড এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা অভিজ্ঞতার সনদ সকল কিছু সত্যায়িত করে নতুনভাবে দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার   কর্তৃপক্ষকে জমা দিয়ে পুরনো কার্ডটি ফেরত দিয়ে নতুন আইডি কার্ড নেওয়ার জন্য নির্দেশ রইল।  আদেশক্রমে --আব্দুল্লাহ আল মামুন--প্রকাশক ও সম্পাদক--দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ ।

হারিয়ে যাওয়া গ্রামীণ ঐতিহ্য- গোবরের লাকড়ি

শের ই গুল : / ৭০ Time View
Update : শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন

হারিয়ে যাওয়া গ্রামীণ ঐতিহ্য- গোবরের লাকড়ি

শের ই গুল :

ছায়া ঢাকা, পাখি ডাকা, ছবির মতো আঁকা, এঁকেবেঁকে সাপের মতো চলে যাওয়া মেটো পথ, বাড়ির পেছনেই জঙ্গল, পাখপাখালির কলরব, মনে করিয়ে দেয় ফেলে আসা গ্রামকে। যাদের জন্ম ও বেড়ে ওঠা গ্রামে, তারা দেখেছে, সকাল হতেই কৃষক গরু, লাঙল, জোঁয়াল কাঁধে নিয়ে মাঠে চলে যাওয়া, গোয়াল ঘর থেকে গরুগুলো বের করে খড়ের পুঞ্জিতে বেঁধে রাখা। কৃষাণি এসে গরুর গোবর জড়ো করে বাঁশের খাঁচায় নিয়ে যেতেন। একটু অবসর হলে কৃষাণি পাটশোলার চারপাশে গোবর দিয়ে ঢেকে মুঠো দিয়ে চেপে চেপে গোবরের লাকড়ি বানাতেন। তা রোদে শুকাতে দিতে হতো। শুকালে তা দিয়ে রান্না হবে, লাকড়ি হিসেবে।

গোবরের মুঠিয়াও বানান অনেকে। মানে গোবরের মুষ্টি। গ্রামে নিম্ন আয়ের মানুষ গোবর দিয়ে লাকড়ি বানান। অনেকে গাছের পাতা ঝাড় দিয়ে জড়ো করে খাঁচায় ভরে নিয়ে যান, যা রান্নার লাকড়ি হিসেবে ব্যবহৃত হবে। অনেকে গাছের মরা ডাল সংগ্রহ করেন। যা দিয়ে রান্না হবে লাকড়ি হিসেবে। গ্রামে খড় দিয়েও অনেকে রান্না করেন। বনাঞ্চল যদিও বিলুপ্তির পথে। গ্রামে এখন বড় কোনো গাছই চোখে পড়ে না। ইদানীং গ্রামে ইটের ভাটা যত্রতত্র হয়ে গেছে, সব গাছ চলে যাচ্ছে ইটভাটার পেটে। ফলে গাছের ডাল, পাতা দিয়ে লাকড়ি বানানোও হুমকির মুখে পড়েছে। লাকড়ি বানানোর সময় গোবরের সঙ্গে আংশিক ধানের তুষ মেশালে তা শুকানোর পর লাকড়ি হিসেবে জ্বলে বেশি। দুই তিন ফুট লম্বা বাঁশের চিকন লাঠি বা পাটকাঠি কিংবা কাঠখড়ি দিয়ে তৈরে করা হয় গোবরের লাকড়ি। বর্ষার দিন আষাঢ় -শ্রাবণ মাসে একটানা বৃষ্টি হয় পাঁচ-সাত দিন ধরে। গ্রামীণ জীবন হয়ে ওঠে কষ্টের। শুকনা লাকড়ির খুব অভাব দেখা দেয় তখন। গরুর জন্য ঘাস কেটে আনাও সমস্যা দেখা দেয়। দুর্দিনে রান্নার লাকড়ি হিসেবে তখন কাজে আসে গোবর দিয়ে বানানো লাকড়ি। অনেকে গোবর গোয়াইল ঘরের বাঁশ বা শোলায় নির্মিত বেড়ায় গোল করে চেপে লাগিয়ে রাখে। ওখানেই গোবর শুকিয়ে শক্ত হয়ে জমে থাকে। ভালো করে শুকানোর পর গোবার গোয়াইল ঘরের বেড়া থেকে উঠাতে হয়। এটা তখন রান্নার লাকড়ি হিসেবে লাকড়ির নির্দিষ্ট ঘরে রেখে দেওয়া হয়। গোবরের আগুন খুব শক্ত। তাই গ্রামে দেখা যেত গ্রামীণ কবিরাজরা গাছ-গাছালির ওষুধের উপাদান সিদ্ধ দিতেন গোবরের লাকড়ি দিয়ে। অনেকে ধানের খড় গোল করে পেঁচিয়ে তা গোবর দিয়ে মাখিয়ে দিয়ে রোদে শুকাতে দিতেন। অনেকে আবার পাটশোলা, কাঠখড়ি কোনো কিছুই ব্যবহার না করে শুধু গোবর দিয়ে হাতের মুষ্টি বানিয়ে তা রোদে শুকাতে দিতেন। গোবর রোদে ভালো করে শুকিয়ে তারপর রান্নার কাজে ব্যবহার হতো। আধুনিক যুগে নতুন প্রজন্ম গোবরে হাত দিতে নাক সিটকায়। শুকনো গোবরের এই লাকড়ির ব্যাপারে আজকালকার ছেলেমেয়েরা জানে না কিছুই। পাওয়ারটিলারে চাষাবাদ এসে গৃহস্থের এখন গরুর প্রয়োজন হয় না। সারাগ্রাম হেঁটে এলেও হালের গরু পাওয়া কঠিন হয়ে যাচ্ছে দিনকে দিন। গাভীও পালন করেন না আগের মতো। ফলে গোবরের অভাব এখন গ্রামে। সকাল হতেই বা গোসলের আগে কৃষক গোবরের গইডা বা গোবরের লাকড়ি বানাতে আর বসে না। কালের গর্ভে গ্রামীণ সব ঐতিহ্যই হারিয়ে যাচ্ছে। যা কেবল স্মৃতি জাগানিয়া হয়েই ঝুলে থাকবে, ভাবনার বিশদ ডালে।

লেখক: সাহিত্যিক আব্দুল্লাহ আল মামুন (শের ই গুল)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *