1. amarpranerbd@gmail.com : news :
  2. amarpranerbangladesh@gmail.com : PRANER BD REPORTER : PRANER BD REPORTER
  3. editor.amarpranerbd.official@gmail.com : Newsdesk :
শিরোনাম :
ঢাকা-চট্টগ্রামে কাস্টমস গোয়েন্দার টানা অভিযান: সিগারেট, মোবাইল-এলসিডি, মাদারবোর্ড, মদ ও স্বর্ণসহ প্রায় ১ কোটি টাকার পণ্য জব্দ জুলাই গণঅভ্যুত্থান হত্যা মামলার আসামি কলিন্সের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ টেকনাফে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিউ জামাল মার্কেটের ১০-১৫ দোকান পুড়ে ছাই ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের দুই সার্ভিস সেতু চালু,যানজট কমার আশা, সহজ হবে ধউর-আশুলিয়ার যোগাযোগ ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের দুই সার্ভিস সেতু চালু ৯ নং ওয়ার্ডকে স্মার্ট ওয়ার্ড গড়তে চান কাউন্সিলর প্রার্থী সাইদুর রহমান ইসলামপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মিজানুর রহমান মিজান মাদক জুয়া ও সব ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছেন । নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে সিসি ক্যামেরা স্থাপনে BKMEA ও NCCI-এর পক্ষ থেকে জেলা পুলিশকে চেক হস্তান্তর টেকনাফ উপজেলার ৫নং বাহারছড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে ‘মোক্তার মেম্বার’কে দেখতে চান সমর্থকরা পেকুয়ায় মাছে বিষ প্রয়োগ করে বিক্রির অভিযোগে আটক ১

আবারো পদ্মার ছোবল, লৌহজংয়ে জমি-বসতঘর নদীগর্ভে

Reporter Name
  • Update Time : Tuesday, September 23, 2025,
  • 67 Time View

 

শেখ মোঃ লিখন, লৌহজং প্রতিনিধি :

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে আবারো পদ্মা নদী তীরবর্তী এলাকায় ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরে পদ্মার প্রবল স্রোতের কারণে গাঁওদিয়া ইউনিয়নের হাড়িদিয়া পশ্চিমপাড়া শিমুলবাড়ি এলাকায় বহু জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। শতাধিক বসতঘর ও একটি মসজিদ ভাঙনের মুখে পড়েছে। ভাঙন আতঙ্কে দুই শতাধিক পরিবার নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে। অনেকেই ইতোমধ্যে নিরাপদ স্থানে সরে গেছেন। সর্বনাশা পদ্মার ছোবলে প্রতিবছরই আঘাত হানছে আড়াই লাখ জনসংখ্যার এই উপজেলার মানচিত্রে।

স্থানীয়রা জানান, গত কয়েক বছর ধরে হাড়িদিয়া ও গাঁওদিয়া গ্রামে পদ্মার ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। এই গ্রামটি এখনো স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের আওতাভুক্ত না হওয়ায় গত দুই বছরে শতাধিক বসতঘর নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। প্রায় দু’শ পরিবার অন্যত্র সরে যেতে বাধ্য হয়েছে। বর্ষার সময় ভাঙন শুরু হলে কর্তৃপক্ষ বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেললেও কয়েক মাসের মধ্যেই আবারো ভাঙন শুরু হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, হাড়িদিয়া পশ্চিমপাড়ার আল-মদিনা জামে মসজিদের অজুখানায় বড় ধরনের ফাটল ধরেছে। মসজিদের ভেতরেও ফাটল দেখা দিয়েছে। পদ্মার তীব্র স্রোত ও পানির ঘূর্ণিপাকে নদীর তলদেশ ধসে গিয়ে চারপাশে ভাঙন তীব্র হচ্ছে। স্থানীয়রা তাদের গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র সরিয়ে নিতে ব্যস্ত।

স্থানীয় বাসিন্দা ইসমাইল জানান, আমরা একশ খাম্বা দিয়ে বাঁধ দিয়েছিলাম, কিন্তু গত দু’দিনেই সেগুলো নদীতে ভেসে গেছে। এখন কেবল ২০টা খাম্বা টিকে আছে। আরেকজন বাসিন্দা নিজাম মাদবর বলেন, ২৫ বছর আগে ভাঙনে বসতবাড়ি হারিয়ে এখানে নতুন করে বসতি গড়েছি। এখন আবার নদী ভাঙতে শুরু করেছে, এ বাড়িও হয়তো থাকবে না।

হাড়িদিয়া গ্রামের সেলিম মল্লিক বলেন, আল-মদিনা জামে মসজিদের দুই পাশ নদীতে ভেঙে যাচ্ছে। দুদিন আগে ইউএনও মহোদয়ের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেছি। তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা বলবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন। স্থানীয় জলিল চকিদার, দানেশ মাদবরসহ মুসল্লিরা জানান, মসজিদটি ভেঙে গেলে নামাজ পড়তে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হবে। গত এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড স্রোতের ভাঙনে এ স্থানে ৪০-৫০ হাত গভীর গর্ত তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, বাঁধ নির্মাণের কাজ ধীরগতিতে চলছে। বর্ষা এলেই কিছু জিও ব্যাগ ফেলা হয়, কিন্তু বর্ষা শেষে আর কোনো কার্যকর অগ্রগতি দেখা যায় না। দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে এই ভাঙন সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনবে।

গাঁওদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান টিটু শিকদার বলেন, অতি দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে পদ্মার পাড়ের অসংখ্য পরিবার বসতভিটা হারাবে। স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের আওতায় এনে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নেছার উদ্দিন জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা বলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

Facebook Comments Box

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 প্রানের বাংলাদেশ