শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
পঞ্চগড়ে গ্রাম আদালত কার্যক্রম শক্তিশালী করতে অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। নান্দনিক চট্টলা ” কর্তৃক আয়োজিত ‘মা দিবস ম্মরণে, আলোকিত মা সম্মাননা প্রদান, গুণীজন সংবর্ধনা, ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর ১৬৮ সদস্য বিশিষ্ট চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা। মাধবদীতে শিল্পপতি রাজু ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে অপপ্রচার: সত্যের জয় আইনি বিজয়, গাছা প্রেসক্লাবের নির্বাচিত সভাপতি হামিদ খানের মৃত্যুতে গাছা সাংবাদিক ক্লাবের পক্ষ থেকে শোক প্রকাশ ঘুম থেকে উঠেই পেট ফাঁপা? জেনে নিন দূর করার উপায় জাতীয় স্মৃতিসৌধে আশুলিয়া থানা প্রেস ক্লাবের সাংবাদিক পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত আওয়ামী প্রতিহিংসার শিকার তিতাস গ্যাস কর্মচারী শ্রমিক দল নেতা চাকরিচ্যুত শওকত ইমামের মানবেতর জীবনযাপন। বাকেরগঞ্জে উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংবাদিকের নিরাপত্তা ও মালিকানার সংকট পঞ্চগড়ে গ্রাম আদালত কার্যক্রম শক্তিশালী করতে অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। রাজশাহী প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে রাসিক প্রশাসকের মতবিনিময় নির্মাণাধীন মসজিদুল আকবর কমপ্লেক্সের ছাঁদ ধসে ক্ষয়ক্ষতি ! কন্ট্রাকটর ও প্রকৌশলীর গাফিলতির অভিযোগ !! প্রেমের অনন্য উপাখ্যান: কাপাসিয়ায় মালয়েশিয়ান তরুণী হাফিজা ও রাকিবের বিয়েতে নায়িকা প্রিয়াংকা ফোরকান মাস্টারকে ঘিরে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সত্য, মানবিকতা ও সামাজিক সম্প্রীতির পক্ষে এলাকাবাসীর আহ্বান গংগাচড়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কার্যকরী পরিষদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত মানবিক সহায়তার আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে জি.আর চাল বিতরণ কোরবানির ঈদে পশুর সংকট নেই, ভারতীয় গরু ঠেকাতে কঠোর নজরদারি: সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ আগরদাঁড়ি ইউনিয়ন আমীরসহ তিন মরহুমের জানাজায় শোকাবহ পরিবেশ কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রে মিকাইল বিশ্বাসকে ঠেকানো যাবে না বললেন এলাকার সাধারণ জনগণ গাজীপুরে জুতা কারখানায় আগুন ভোলায় ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক, ৩ মাস ৭দিনের কারাদণ্ড। আত্রাইয়ে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান-চাল সংগ্রহের শুভ উদ্বোধন মুরাদনগরে মাদকবিরোধী অভিযানে বিদেশি মদ, ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ আটক ২ গাজীপুরে টিকটক করতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল ২ এসএসসি পরীক্ষার্থীর গাজীপুরে আলোচিত ৫ খুন: সেই ফোরকানের মরদেহ উদ্ধার পদ্মা নদীতে ঈদুল আযহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার চাল বিতর অনিয়মে জিরো টলারেন্সের ঘোষণা গাজীপুরের তুরাগ নদীতে তলিয়ে যাওয়া বন্ধুকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই কিশোরের মেয়ে থেকে ছেলেতে রূপান্তরিত নূরনবীকে দেখতে জনতার ভিড়! বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
জরুরী নোটিশ :
জরুরী নোটিশ এবং সতর্কবার্তা ""গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক  মিডিয়া ভুক্ত পত্রিকা দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশে কর্তব্যরত সকল সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ।  কিছু কুচুক্তি মহল বিভিন্ন গণমাধ্যমের আইডি কার্ড নকল করে বিভিন্ন প্রকার অপরাধে জড়াচ্ছে কিছুদিন পর পর পত্রিকার এসব খবরে আমরা বিভ্রান্ত। এরকম বেশ কয়েকজন অপরাধী দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার আইডি কার্ড নকল করেছে এমন প্রমাণিত হওয়াতে আমরা তাদের বিরুদ্ধে  তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছি। এবং সংবাদ প্রকাশ করে এসব অপরাধীদের সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নাই বলে আমরা ঘোষণা দিয়েছি।  সেই সাথে আমরা আমাদের প্রদত্ত বিগত দিনের সকল আইডি কার্ড পরিবর্তন করে স্ক্যানিং কোড সিস্টেম করে নতুন আঙ্গিকে আইডি কার্ড তৈরি করেছি।  দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশে কর্তব্যরত সকল সাংবাদিকদের কে সম্মানের সাথে জানাচ্ছি আপনারা  আপনাদের পুরনো আইডি কার্ড পত্রিকা অফিসে জমা দিয়ে সেই সাথে নতুন করে ভোটার আইডি কার্ড এবং  আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল সনদের সত্যায়িত ফটোকপি সহ জমা দিয়ে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নতুন আইডি কার্ড সংগ্রহ করার জন্য নির্দেশ দেয়া গেল। পত্রিকা কর্তৃপক্ষের এই নির্দেশ যারা অমান্য করবে তাদেরকে পত্রিকা কর্তৃপক্ষ বহিষ্কৃত বলে গণ্য করবেন। আপনাদের জ্ঞাতার্থে আরও জানাচ্ছি যে  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশক্রমে সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতার মান নির্ণয় সহ সাংবাদিকদের ডাটাবেজ তৈরি করছেন, মাননীয় সাবেক বিচারপতি প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ইতিমধ্যে এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতি দিয়েছেন। পুনরায় আপনার ভোটার আইডি কার্ড এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা অভিজ্ঞতার সনদ সকল কিছু সত্যায়িত করে নতুনভাবে দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার   কর্তৃপক্ষকে জমা দিয়ে পুরনো কার্ডটি ফেরত দিয়ে নতুন আইডি কার্ড নেওয়ার জন্য নির্দেশ রইল।  আদেশক্রমে --আব্দুল্লাহ আল মামুন--প্রকাশক ও সম্পাদক--দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ ।

এলজিইডি ময়মনসিংহে বিল বাণিজ্যের অভিযোগ: কমিশন,সাইট অনিয়ম ও নীরবতার সংস্কৃতি—উচ্চ পর্যায়ের হস্তক্ষেপ দাবি

মামুনুর রশীদ মামুন: / ৩৩৯ Time View
Update : শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ন

ময়মনসিংহে (এলজিইডি)-এর নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়কে কেন্দ্র করে কমিশন বাণিজ্য,অনিয়ম ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির একটি সুসংগঠিত চক্র সক্রিয় রয়েছে—এমন গুরুতর অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার,ভুক্তভোগী ও অভ্যন্তরীণ একাধিক সূত্রের কাছ থেকে। অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্য,অডিও বক্তব্য এবং বিল সংক্রান্ত নথিপত্র বিশ্লেষণে উঠে এসেছে—প্রকল্পের বিল ছাড়ে নির্দিষ্ট হারে কমিশন আদায়, সাইট পরিদর্শনে অনিয়ম এবং বিভিন্ন স্তরে অর্থ লেনদেনের একটি দীর্ঘস্থায়ী পদ্ধতি কার্যকর রয়েছে,যা দীর্ঘদিন ধরেই আড়ালে থেকে গেছে। বিল ছাড়ে ‘৩% পার্সেন্টিজ’—প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে অভিযোগ! একাধিক ঠিকাদারের অভিযোগ,নির্মাণ ও মেরামত প্রকল্পের বিল ছাড়ের আগে প্রায় ৩ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ কমিশন হিসেবে দিতে বাধ্য করা হয়। এই অর্থ প্রদান না করলে বিল প্রক্রিয়ায় বিলম্ব, ফাইল আটকে রাখা কিংবা প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। সূত্র জানায়,এই কমিশন আদায়ের প্রক্রিয়া অনানুষ্ঠানিক হলেও একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর মাধ্যমে পরিচালিত হয়,যেখানে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে তা বণ্টন করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি এতটাই প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে যে,ঠিকাদারদের অনেকেই এটিকে “অঘোষিত নিয়ম” হিসেবে মেনে নিতে বাধ্য হচ্ছেন। সাইট পরিদর্শনে অনিয়ম: উপস্থিতি ছাড়াই ইতিবাচক প্রতিবেদন! প্রকল্প বাস্তবায়নের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ—সাইট পরিদর্শন নিয়েও উঠেছে গুরুতর প্রশ্ন। অভিযোগ অনুযায়ী,নির্ধারিত অর্থ প্রদান করলে অনেক ক্ষেত্রে সরেজমিনে উপস্থিত না হয়েই ইতিবাচক প্রতিবেদন দেওয়া হয়
বিপরীতে,অর্থ লেনদেন না হলে মানসম্মত কাজেও নেতিবাচক প্রতিবেদন দিয়ে প্রশাসনিক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়
এতে করে শুধু প্রকল্পের মান নয়, সরকারি অর্থ ব্যবহারের স্বচ্ছতাও মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।
NOA,চুক্তিপত্র ও ফাইল যাচাইয়ে অতিরিক্ত অর্থ দাবি! অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছে—নোটিফিকেশন অব অ্যাওয়ার্ড (NOA) ও চুক্তিপত্র সম্পাদনের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয়! বিল ফাইল যাচাইয়ের সময় প্রতিটি ফাইলে নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থ গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে!
প্রকল্পের ব্যয় যত বড়, দাবিকৃত অর্থের পরিমাণও তত বেশি
এতে করে প্রকল্প বাস্তবায়নের পুরো প্রক্রিয়াই একটি আর্থিক চাপে পরিচালিত অনৈতিক ব্যবস্থায় পরিণত হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। যন্ত্রপাতি ব্যবহারে অনিয়ম: অতিরিক্ত অর্থ না দিলে জটিলতা! প্রকল্পে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি—বিশেষ করে রোলার ব্যবহারের ক্ষেত্রেও অভিযোগ রয়েছে। ঠিকাদারদের দাবি,সরকারি নির্ধারিত খরচের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান না করলে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি পেতে বিলম্ব বা বাধা সৃষ্টি করা হয়। নীরবতার সংস্কৃতি: ভয়,চাপ ও প্রতিশোধের আশঙ্কা! অভ্যন্তরীণ একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ঠিকাদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ গুলোর সত্যতা সম্পর্কে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তাদের ভাষ্য—অভিযোগ প্রকাশ পেলে প্রশাসনিক চাপ,বদলি কিংবা ব্যক্তিগত হয়রানির আশঙ্কা রয়েছে, ফলে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পাচ্ছেন না। নির্বাহী প্রকৌশলীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন! অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলীর ভূমিকা। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে,অ্যাকাউন্টেন্ট শহিদুল ইসলাম নির্বাহী প্রকৌশলীর অলিখিত নির্দেশে বিল ছাড়ে ‘৩% পার্সেন্টিজ’ আদায় করেন—এমন অভিযোগ একাধিক পক্ষ থেকে উঠে এসেছে। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের ছায়া—অভিযোগ চাপা পড়ার আশঙ্কা! সংশ্লিষ্টদের দাবি,অভিযুক্তদের একটি অংশ প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের সঙ্গে যুক্ত থাকায় অতীতেও অভিযোগগুলো কার্যকরভাবে তদন্ত হয়নি। ফলে একই ধরনের অনিয়ম বারবার ঘটলেও দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।জরুরি তদন্তের দাবি: হাইকমান্ডের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। সুশীল সমাজ ও সংশ্লিষ্ট মহলের জোর দাবি—দ্রুত একটি নিরপেক্ষ ও উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন,তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্টদের সাময়িক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি,পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা,
বিশেষজ্ঞদের মতে,সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে এমন অনিয়ম অব্যাহত থাকলে তা জনস্বার্থ, অর্থনীতি ও রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন কাঠামোর জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। এখনই পদক্ষেপ না নিলে ভয়াবহ পরিণতি!ময়মনসিংহের এলজিইডিকে ঘিরে ওঠা এই অভিযোগগুলো যদি নিরপেক্ষ তদন্তে প্রমাণিত হয়,তবে তা কেবল একটি দপ্তরের অনিয়ম নয়—
বরং রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন ব্যবস্থার ভেতরে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির গভীর সংকেত বহন করে। এখন দেখার বিষয়—সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়,সচিবালয় ও হাইকমান্ড কত দ্রুত,কতটা গুরুত্ব দিয়ে এই অভিযোগ আমলে নেয় এবং দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করে। কারণ,
এখনই ব্যবস্থা না নিলে—“৩% কমিশন” সংস্কৃতি ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত ও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *