উত্তরের জনপদ তিস্তা নদী–বিধৌত চরাঞ্চল; যেখানে বন্যা ও নদীভাঙনই প্রতিদিনের চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে রংপুর বিভাগ–এর বিস্তীর্ণ চরে অনিশ্চয়তার মাঝেই জীবনযুদ্ধ।
এই বাস্তবতায় সমাজসেবক আলমগীর হয়ে উঠেছেন নির্ভরতার নাম। করোনা সংকট থেকে শুরু করে বন্যা-ভাঙন—প্রতিটি দুর্যোগে তিনি দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দিয়েছেন। খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, ঢেউটিন কিংবা জরুরি সামগ্রী—সবই গেছে সরাসরি উপকারভোগীদের হাতে।
তবে তাঁর কাজ শুধু ত্রাণে সীমাবদ্ধ নয়। নারীদের দক্ষতা উন্নয়ন, সেলাই প্রশিক্ষণ, গবাদিপশু বিতরণ ও কৃষি সহায়তার মাধ্যমে টেকসই জীবিকায়নের পথ তৈরি করেছেন তিনি।
স্থানীয়দের ভাষায়, “আলমগীর ভাই মানেই ভরসা।”
দুর্যোগপ্রবণ তিস্তা চরে তাই আলমগীর এখন শুধু একজন সমাজসেবক নন—তিনি পরিবর্তনের এক চলমান উদ্যোগ, মানবতার এক আধুনিক মুখ।