1. amarpranerbd@gmail.com : news :
  2. amarpranerbangladesh@gmail.com : PRANER BD REPORTER : PRANER BD REPORTER
  3. editor.amarpranerbd.official@gmail.com : Newsdesk :
শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে চৈতী কম্পোজিট  লিঃকে ৭৫ লক্ষ ৪ হাজার টাকা জরিমান ধার্য করা হয়  প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মোহনগঞ্জে পতাকা উত্তোলন ও রেলিতে এমপি বাবর- নবনির্মিত প্রশাসনিক ভবন উদ্বোধন ও বৃক্ষরোপণ মানুষের কল্যাণে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম – মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে ৪ নং পৈল ইউনিয়ন বাসীকে ভালবাসা ও শুভেচ্ছা জানালেন ফ্রান্স প্রবাসী ৪ নং পৈল ইউনিয়নের  চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শেখ সোহেল রানা ভাই ।  শিবচরে গণউন্নয়ন সমবায় সমিতির প্রতারণায় নিঃস্ব নিম্নআয়ের মানুষ মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন বিএনপি’র ৪৮- তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে শীতলক্ষ্যা নদীতে মৎস্য অবমুক্ত করন। বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালী করতে ২৪ লাখ ডলারের চিকিৎসা সরঞ্জাম দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র টঙ্গীর মাজার বস্তির তিন বিঘা জমি দখলমুক্ত করে বুঝে নিল রাজউক এমপি না হয়েও প্রতিশ্রুতি রাখছেন বাপ্পী; ২১৮ প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৪ কোটি টাকা বরাদ্দ নীলফামারীতে ৭৯৪ বস্তা অবৈধ সার জব্দ, দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা

ফান্ডের তীব্র সংকট : নিরাপত্তার ঝুঁকি নিয়েই ট্রানজিট ক্যাম্প থেকে মূল ক্যাম্পে ফিরছেন রোহিঙ্গারা।

মোহাম্মদ নুর
  • Update Time : Sunday, July 26, 2026,
  • 67 Time View

উখিয়া টেকনাফ রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্প থেকে গত ১০ বছরে বিভিন্ন সময়ে ঘটে যাওয়া অগ্নিকাণ্ড, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা বিভিন্ন ক্যাম্পে সশস্ত্র গ্রুপের হামলা ও প্রাণনাশের হুমকি থেকে বাঁচতে যাদের ঠাঁই হয়েছিল ট্রানজিট ক্যাম্পে, তাদের আবারও অনিশ্চয়তার মুখে ফিরতে হচ্ছে আগের স্থানগুলোতে অথবা নতুন কোন ক্যাম্প শেল্টারে। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)-এর ফান্ড সংকটের কারণে ট্রানজিট ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গা পরিবারগুলোকে স্ব-স্ব ক্যাম্পে কিংবা নতুন করে অস্থায়ী শেল্টার নির্মাণ করে স্থানান্তর করা হচ্ছে।
​তবে ক্ষতিগ্রস্ত ও অপরাধী চক্রের ভয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা বলছেন, ফান্ড না থাকার অজুহাতে নিরাপত্তার চরম ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও তাদের পুনরায় ক্যাম্পে পাঠানো হচ্ছে। এতে করে খাদ্য, চিকিৎসা ও নিরাপত্তার মতো মৌলিক বিষয়গুলো নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা।

​সাধারণত প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অগ্নিকাণ্ডে গৃহহারা রোহিঙ্গাদের সাময়িক স্থান হতো উখিয়ার কুতুপালং ট্রানজিট ক্যাম্পে। কিন্তু এ ক্যাম্পের অনেক বাসিন্দার জীবনের গল্প সম্পূর্ণ ভিন্ন। বিভিন্ন ক্যাম্পে রাতের আঁধারে সক্রিয় সশস্ত্র গ্রুপ ও অপরাধী চক্রের হাতে খুন, গুম কিংবা ধর্ষণের শিকার পরিবারগুলোকে নিরাপত্তার স্বার্থে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংস্থাগুলো এই ট্রানজিট ক্যাম্পে আশ্রয় দিয়েছিল।
​বর্তমানে এই ক্যাম্পটি ছাড়তে হওয়ায় পরিবারগুলো নতুন করে প্রাণনাশের আতঙ্কে ভুগছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ট্রানজিট ক্যাম্পের এক বাসিন্দা জানান, “আমরা ক্যাম্পের সন্ত্রাসী গ্রুপের হাত থেকে বাঁচতে এখানে আশ্রয় নিয়েছিলাম। এখন আবার সেখানেই ফেরত পাঠানো হচ্ছে। ফান্ডের অভাবে আমাদের জীবন এখন চরম ঝুঁকির মুখে।”

​মান মানবিক সংস্থাগুলোর বিশ্বব্যাপী বাজেট ছাঁটাইয়ের কারণে ট্রানজিট ক্যাম্পসহ সাধারণ ক্যাম্পগুলোতে খাদ্য সহায়তা ও স্বাস্থ্যসেবা আগেই সংকুচিত করা হয়েছে। ট্রানজিট ক্যাম্পে দীর্ঘমেয়াদে শরণার্থী রাখার মতো আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় কর্তৃপক্ষ তাদের স্ব-স্ব ক্যাম্পে পুনর্বাসিত করছে। ফলে একদিকে ফান্ডের অভাবে খাবারের অভাব, অন্যদিকে ক্যাম্পের ভেতরের অপরাধীদের ভয়—দুটো মিলেই রোহিঙ্গাদের জীবন এখন পুরোপুরি কোণঠাসা।

এই ​বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মিজানুর রহমান জানান, ট্রানজিট ক্যাম্পের মূল উদ্দেশ্যই হলো সাময়িক আশ্রয় দেওয়া।
​তিনি বলেন ট্রানজিট ক্যাম্পটি সম্পুর্ন একটা অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র কোন ধরনের দুর্ঘটনা, অগ্নিকাণ্ড বা বিশেষ পরিস্থিতিতে সাময়িকভাবে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও সহায়তার জন্য রাখা হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে কিংবা অবস্থার উন্নতি হলে নিয়ম অনুযায়ী তাদের পুনরায় স্ব-স্ব ক্যাম্পে পাঠানো হয়। এখনো সেই সাধারণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই তাদের পাঠানো হচ্ছে।

Facebook Comments Box

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 প্রানের বাংলাদেশ