1. amarpranerbd@gmail.com : news :
  2. amarpranerbangladesh@gmail.com : PRANER BD REPORTER : PRANER BD REPORTER
  3. editor.amarpranerbd.official@gmail.com : Newsdesk :
শিরোনাম :
সরফভাটা ওয়েলফেয়ার সোসাইটির উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবী ও গুণীজন সংবর্ধনা কবে হবে সুন্দরবন দস্যুমুক্ত আজ থেকে নিষেধাজ্ঞা শেষে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বনে ফিরছেন জেলে-বাওয়ালিরা কেশবপুরে জামায়াতে ইসলামীর ইউনিট দায়িত্বশীল সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত সওজ’র গাফলতি চরমে,অকেজো হচ্ছে কোটি টাকার ফেরি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে চৈতী কম্পোজিট  লিঃকে ৭৫ লক্ষ ৪ হাজার টাকা জরিমান ধার্য করা হয়  প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মোহনগঞ্জে পতাকা উত্তোলন ও রেলিতে এমপি বাবর- নবনির্মিত প্রশাসনিক ভবন উদ্বোধন ও বৃক্ষরোপণ মানুষের কল্যাণে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম – মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে ৪ নং পৈল ইউনিয়ন বাসীকে ভালবাসা ও শুভেচ্ছা জানালেন ফ্রান্স প্রবাসী ৪ নং পৈল ইউনিয়নের  চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শেখ সোহেল রানা ভাই ।  শিবচরে গণউন্নয়ন সমবায় সমিতির প্রতারণায় নিঃস্ব নিম্নআয়ের মানুষ মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন বিএনপি’র ৪৮- তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে শীতলক্ষ্যা নদীতে মৎস্য অবমুক্ত করন।

টেন্ডার বাণিজ্যে কোটি টাকার লেনদেনের অভিযোগ গণপূর্ত নির্বাহী প্রকৌশলী আজাদের বিরুদ্ধে

স্টাফ রিপোর্টার:
  • Update Time : Tuesday, June 23, 2026,
  • 94 Time View

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ঢাকা গণপূর্ত বিভাগের অন্য কোনো সিভিল বিভাগ যেখানে ওটিএম পদ্ধতিতে এ ধরনের ঢালাও দরপত্র আহ্বান করেনি, সেখানে আরবরিকালচার বিভাগের এই কর্মকর্তার ওটিএম প্রীতি এবং রেট নিয়ে কারসাজির বিষয়টি বড় ধরনের প্রশাসনিক ও আর্থিক কেলেঙ্কারির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এলটিএম (Limited Tendering Method) পদ্ধতির পরিবর্তে অভিনব কায়দায় ওটিএম (Open Tendering Method) পদ্ধতিতে একের পর এক দরপত্র আহ্বান করে বিশাল ‘টেন্ডার বাণিজ্য’ ও কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ঢাকা আরবরিকালচার গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে। সাধারণ নিয়ম ও স্বচ্ছতা নীতিকে তোয়াক্কা না করে গত জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসেই তিনি প্রায় ৩৯টি ওটিএম দরপত্র আহ্বান করেছেন, যা নিয়ে খোদ গণপূর্ত অধিদপ্তরের ভেতরে-বাইরে তীব্র গুঞ্জন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
দেড় মাসে ৩৯টি ওটিএম দরপত্রের ‘রেকর্ড’
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের ১৫ জানুয়ারি, ২৭ জানুয়ারি এবং ৪ ফেব্রুয়ারি— এই তিন দিনেই মূলত ওটিএম পদ্ধতিতে দরপত্রের বন্যা বইয়ে দেওয়া হয়েছে। এই স্বল্প সময়ের মধ্যে আহ্বান করা উল্লেখযোগ্য ৩৯টি দরপত্র আইডি (Tender ID) নিচে তুলে ধরা হলো:

দরপত্র আহ্বানের তারিখ সংশ্লিষ্ট দরপত্র আইডি (Tender IDs)
১৫ জানুয়ারি, ২৭ জানুয়ারি ও ০৪ ফেব্রুয়ারি (২০২৫) 1062648, 1062651, 1062652, 1062649, 1062654, 1062653, 1056143, 1056144, 1060358, 1062671, 1062647, 1062396, 1056147, 1062385, 1069899, 1071271, 1071766, 1069900, 1069901, 1068865, 1070729, 1071778, 1071779, 1071780, 1069462, 1068870, 1056141, 1068864, 1068901, 1057944, 1057946, 1068860, 1068896, 1069173, 1062672, 1068863, 1068859, 1068851, 1057813
অভিযোগ রয়েছে, উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার নামে ওটিএম করা হলেও পর্দার আড়ালে নির্দিষ্ট চক্রের সাথে সমঝোতা (রেট ফিক্সিং) করে এই বিপুল সংখ্যক টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে, যার মূল লক্ষ্যই হলো কোটি কোটি টাকার আর্থিক সুবিধা বা কমিশন হাতিয়ে নেওয়া।

‘১০ শতাংশ কমিশন ছাড়া সই হয় না ফাইল’
প্রকল্প তদারকি, ফাইল প্রক্রিয়াকরণ এবং প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ঠিকাদার ও বিভাগীয় সূত্রগুলোর দাবি বড় অংকের কমিশন বা ব্যক্তিগত আর্থিক সুবিধা ছাড়া এই দপ্তরে কোনো ফাইল নড়ে না।

অভিযোগের মূল বক্তব্য: “আরবরিকালচার গণপূর্ত বিভাগে প্রায় প্রতিটি ফাইলের বিপরীতে সাধারণত ১০ শতাংশ (১০%) পর্যন্ত কমিশন দাবি করা হয়। এই নির্ধারিত পার্সেন্টেজ বা ঘুষের টাকা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কোনো ফাইলে স্বাক্ষর করেন না নির্বাহী প্রকৌশলী।”

সরকারি বড় প্রকল্পগুলোতে যেখানে জনগণের ট্যাক্সের কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ থাকে, সেখানে একজন শীর্ষ কর্মকর্তার এমন নীতিহীন ভূমিকার কারণে প্রকল্পের ব্যয় যেমন বাড়ছে, তেমনি কাজের গুণগত মান নিয়েও বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশের আইন ও সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মকর্তা ব্যক্তিগত লাভের জন্য জনসম্পদ বা ক্ষমতার অপব্যবহার করতে পারেন না। আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে ওঠা এই সুনির্দিষ্ট অভিযোগগুলো সরকারি ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা, অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা এবং প্রশাসনিক বিশ্বাসযোগ্যতাকে মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে ফেলেছে।

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের দুর্নীতির মহোৎসব বন্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দ্রুত হস্তক্ষেপ করা প্রয়োজন। দুদক আইন অনুযায়ী, এ ধরনের সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে প্রাথমিক অনুসন্ধান চালিয়ে অপরাধের সত্যতা মিললে আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে।

জনস্বার্থে এবং সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর সুষ্ঠু বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঢাকা আরবরিকালচার গণপূর্ত বিভাগের এই ওটিএম দরপত্রগুলোর চুলচেরা বিশ্লেষণ ও নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত এখন সময়ের দাবি।

Facebook Comments Box

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 প্রানের বাংলাদেশ