
অনাবাদি পতিত জমি ও বসতবাড়ির আঙিনাকে কাজে লাগিয়ে পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে “অনাবাদি পতিত জমি ও বসতবাড়ির আঙ্গিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন” প্রকল্পের আওতায় দুই দিনব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।১২ মে সকালে প্রশিক্ষণে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্ভিদ সংরক্ষণ) শাহিনা বেগম এবং উপজেলা কৃষি অফিসার মীর হাসান আল বান্না। এ সময় তারা কৃষকদের উদ্দেশ্যে পুষ্টিকর সবজি উৎপাদন, পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন, জৈব সার ব্যবহার ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির নানা দিক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
বক্তারা বলেন, বাড়ির আঙিনা কিংবা দীর্ঘদিনের অনাবাদি জমিকে সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে কাজে লাগানো গেলে পরিবারের পুষ্টি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি অতিরিক্ত সবজি বিক্রি করে বাড়তি আয়ও সম্ভব। এতে একদিকে যেমন খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে গ্রামীণ অর্থনীতিতেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
প্রশিক্ষণে কৃষকদের হাতে-কলমে বিভিন্ন সবজির চাষাবাদ, পরিচর্যা, রোগবালাই দমন এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের কৌশল শেখানো হয়। অংশগ্রহণকারী কৃষকরা জানান, এ ধরনের প্রশিক্ষণ তাদেরকে আধুনিক ও লাভজনক কৃষিকাজে আরও উৎসাহিত করবে।
স্থানীয় কৃষি বিভাগের এমন উদ্যোগে এলাকাজুড়ে পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধি ও সবুজায়নের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।