শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
জাতীয় স্মৃতিসৌধে আশুলিয়া থানা প্রেস ক্লাবের সাংবাদিক পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত আওয়ামী প্রতিহিংসার শিকার তিতাস গ্যাস কর্মচারী শ্রমিক দল নেতা চাকরিচ্যুত শওকত ইমামের মানবেতর জীবনযাপন। বাকেরগঞ্জে উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংবাদিকের নিরাপত্তা ও মালিকানার সংকট পঞ্চগড়ে গ্রাম আদালত কার্যক্রম শক্তিশালী করতে অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। রাজশাহী প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে রাসিক প্রশাসকের মতবিনিময় নির্মাণাধীন মসজিদুল আকবর কমপ্লেক্সের ছাঁদ ধসে ক্ষয়ক্ষতি ! কন্ট্রাকটর ও প্রকৌশলীর গাফিলতির অভিযোগ !! প্রেমের অনন্য উপাখ্যান: কাপাসিয়ায় মালয়েশিয়ান তরুণী হাফিজা ও রাকিবের বিয়েতে নায়িকা প্রিয়াংকা ফোরকান মাস্টারকে ঘিরে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সত্য, মানবিকতা ও সামাজিক সম্প্রীতির পক্ষে এলাকাবাসীর আহ্বান গংগাচড়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কার্যকরী পরিষদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত মানবিক সহায়তার আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে জি.আর চাল বিতরণ কোরবানির ঈদে পশুর সংকট নেই, ভারতীয় গরু ঠেকাতে কঠোর নজরদারি: সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ আগরদাঁড়ি ইউনিয়ন আমীরসহ তিন মরহুমের জানাজায় শোকাবহ পরিবেশ কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রে মিকাইল বিশ্বাসকে ঠেকানো যাবে না বললেন এলাকার সাধারণ জনগণ গাজীপুরে জুতা কারখানায় আগুন ভোলায় ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক, ৩ মাস ৭দিনের কারাদণ্ড। আত্রাইয়ে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান-চাল সংগ্রহের শুভ উদ্বোধন মুরাদনগরে মাদকবিরোধী অভিযানে বিদেশি মদ, ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ আটক ২ গাজীপুরে টিকটক করতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল ২ এসএসসি পরীক্ষার্থীর গাজীপুরে আলোচিত ৫ খুন: সেই ফোরকানের মরদেহ উদ্ধার পদ্মা নদীতে ঈদুল আযহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার চাল বিতর অনিয়মে জিরো টলারেন্সের ঘোষণা গাজীপুরের তুরাগ নদীতে তলিয়ে যাওয়া বন্ধুকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই কিশোরের মেয়ে থেকে ছেলেতে রূপান্তরিত নূরনবীকে দেখতে জনতার ভিড়! বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোসলেহ, সম্পাদক শামীমা পারভীন রাণীশংকৈলে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, ধর্ষক কিশোর গ্রেপ্তার প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিবের আস্থাভাজন ছাত্রনেতা তানভীর অসুস্থ, দোয়া কামনা ২০৬ পিস ইয়াবাসহ ঢাকা জেলা ডিবি (উত্তর)-এর পৃথক অভিযানে গ্রেফতার ৫ মাদক ব্যবসায়ী সাতকানিয়ায় ২স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে আটক-৪!ভিকটিমদেরকে উদ্ধার। আটিগ্রাম ভূমি অফিসের ছত্রছায়ায় চলছে অবৈধ ড্রেজার ও মাটি বাণিজ্য কৃষিজমি ধ্বংসের অভিযোগ, প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ স্থানীয়দের
জরুরী নোটিশ :
জরুরী নোটিশ এবং সতর্কবার্তা ""গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক  মিডিয়া ভুক্ত পত্রিকা দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশে কর্তব্যরত সকল সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ।  কিছু কুচুক্তি মহল বিভিন্ন গণমাধ্যমের আইডি কার্ড নকল করে বিভিন্ন প্রকার অপরাধে জড়াচ্ছে কিছুদিন পর পর পত্রিকার এসব খবরে আমরা বিভ্রান্ত। এরকম বেশ কয়েকজন অপরাধী দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার আইডি কার্ড নকল করেছে এমন প্রমাণিত হওয়াতে আমরা তাদের বিরুদ্ধে  তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছি। এবং সংবাদ প্রকাশ করে এসব অপরাধীদের সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নাই বলে আমরা ঘোষণা দিয়েছি।  সেই সাথে আমরা আমাদের প্রদত্ত বিগত দিনের সকল আইডি কার্ড পরিবর্তন করে স্ক্যানিং কোড সিস্টেম করে নতুন আঙ্গিকে আইডি কার্ড তৈরি করেছি।  দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশে কর্তব্যরত সকল সাংবাদিকদের কে সম্মানের সাথে জানাচ্ছি আপনারা  আপনাদের পুরনো আইডি কার্ড পত্রিকা অফিসে জমা দিয়ে সেই সাথে নতুন করে ভোটার আইডি কার্ড এবং  আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল সনদের সত্যায়িত ফটোকপি সহ জমা দিয়ে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নতুন আইডি কার্ড সংগ্রহ করার জন্য নির্দেশ দেয়া গেল। পত্রিকা কর্তৃপক্ষের এই নির্দেশ যারা অমান্য করবে তাদেরকে পত্রিকা কর্তৃপক্ষ বহিষ্কৃত বলে গণ্য করবেন। আপনাদের জ্ঞাতার্থে আরও জানাচ্ছি যে  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশক্রমে সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতার মান নির্ণয় সহ সাংবাদিকদের ডাটাবেজ তৈরি করছেন, মাননীয় সাবেক বিচারপতি প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ইতিমধ্যে এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতি দিয়েছেন। পুনরায় আপনার ভোটার আইডি কার্ড এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা অভিজ্ঞতার সনদ সকল কিছু সত্যায়িত করে নতুনভাবে দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার   কর্তৃপক্ষকে জমা দিয়ে পুরনো কার্ডটি ফেরত দিয়ে নতুন আইডি কার্ড নেওয়ার জন্য নির্দেশ রইল।  আদেশক্রমে --আব্দুল্লাহ আল মামুন--প্রকাশক ও সম্পাদক--দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ ।

পার্কিং অব্যবস্থাপনা আর অবৈধ কাউন্টার বাড়াচ্ছে ঢাকার যানজট

মোঃ জাহিদুল ইসলাম  / ৩০ Time View
Update : শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন

ঢাকার রাস্তাঘাটে অসহনীয় যাটজট দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় থাকলেও সমাধান মেলে না। বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে যানজট নিরসনে বিভিন্ন উদ্যোগ নিলেও এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই বিভিন্ন নির্দেশনা দিলেও বাস্তবায়ন এখনও সুদূরপরাহত। রাজধানীর যে যাটজটে ঘন্টার পর ঘন্টা আটকে থেকে যে বিপুল পরিমাণ ক্ষতি হচ্ছে তার প্রধান দুটি কারণ মূলত- যত্রতত্র পার্কিং করে যাত্রী ওঠানামা এবং যেখানে-সেখানে গড়ে ওঠা অবৈধ কাউন্টার। সামপ্রতিক সরেজমিন পর্যবেক্ষণ ও বাসিন্দাদের অভিযোগে দেখা যায়, যেখানে যেখানে স্থান মেলে, চালকরা সেখানে গাড়ি রেখে দিচ্ছেন- ফুটপাত, গলি, প্রধান সড়ক- সবই এখন পার্কিংয়ের শিকার। শুধু প্রাইভেটকারই নয়, বাস, ট্রাক ও অন্যান্য ভারী যানবাহনও নিয়মবহির্ভূতভাবে সারি সারি পার্কিং করে রাখছে; ফলে দিনের অধিকাংশ সময়েই রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো জ্যামে আটকে পড়ে। মহাখালী আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল এই বিশৃঙ্খলার সবচেয়ে বড় উদাহরণ। টার্মিনালের ধারণক্ষমতা আনুমানিক ৩৫০টি বাস রাখার জন্য নির্ধারিত হলেও বিআরটিএ কর্তৃক বিভিন্ন রুটে হাজারেরও বেশি বাসকে অনুমোদন দেওয়ার ফলে বাস্তবে প্রতিদিন টার্মিনালের আশপাশে শত শত বাস সড়কে দাঁড়িয়ে থাকে। টার্মিনালের ভেতরে স্থান না পাওয়ায় চালকরা রাস্তায় গাড়ি রেখে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন; এতে মহাখালী থেকে বনানী পর্যন্ত প্রধান সড়কগুলো প্রায় সারাদিনই জ্যামে ভরে থাকে। বাস চালকরা বলছেন, টার্মিনালে ঢুকতে না পারায় বাধ্য হয়ে রাস্তায় দাঁড়াতে হয়; আর রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা বাসই মূলত যানজটের কারণ। এদিকে, ফুটপাত এখন আর পথচারীদের জন্যই নয়; প্রাইভেটকারের পার্কিংও ফুটপাত দখল করে ফেলেছে। গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি, মতিঝিল- এসব এলাকায় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ফুটপাত ও গলিতে গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকে। ফলে পথচারী, প্রতিবন্ধী ও বয়স্কদের চলাচলে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। বনানীর একজন বলেন, পুরো একটা লেন দখল করে সারি সারি গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকে; বাকি লেনে গাদাগাদি করে গাড়ি চলতে হয়, দিনভর জ্যাম লেগেই থাকে। ধানমন্ডির অলিগলি ও মিরপুর রোড সংলগ্ন এলাকায়ও একই চিত্র- অবৈধ পার্কিংয়ের কারণে গলিগুলো প্রায়ই বন্ধ হয়ে পড়ে। পার্কিং নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন- ঢাকা দক্ষিণ (ডিএসসিসি) ও ঢাকা উত্তর (ডিএনসিসি)- এর ওপর থাকলেও বাস্তবে কার্যকর উদ্যোগের অভাব স্পষ্ট। ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষ জানায়, নগরে প্রায় ৩০টির মতো নির্ধারিত পার্কিং জোন রয়েছে এবং আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা আছে; তবু জমির স্বল্পতা ও বাজেট সংকট বাস্তবায়নে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ডিএসসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান বলেন, সিটি করপোরেশন যে পরিকল্পনাই নিক, সেখানে পার্কিং সংযুক্ত রাখা হয় যাতে সড়কের ওপর যানবাহন পার্কিং না করতে পারে। বাস্তবে যদিও ভ্রাম্যমাণ আদালত ও ট্রাফিক পুলিশের অভিযান হয়, তা অনেক সময় সাময়িক এবং পুনরাবৃত্তি রোধে অপ্রতুল। মতিঝিলের মতো বাণিজ্যিক কেন্দ্রে ডিএসসিসি কিছু পার্কিং ব্যবস্থা করেছে- সিটি সেন্টারে প্রায় পাঁচ শতাধিক এবং দিলকুশা ও বায়তুল মোকাররম মসজিদের পাশেও আরও পাঁচ শতাধিক পার্কিং স্পেস থাকলেও আশপাশের হাজার হাজার গাড়ি সড়ক ও ফুটপাতে পার্কিং করে রাখায় প্রধান সড়কগুলো দিনের অধিকাংশ সময়ই কার্যত অচল হয়ে পড়ে। গুলশান‑বাড়িধারা‑বনানী অঞ্চলে ডিএনসিসির পার্কিং সুবিধা সীমিত; আবাসিক ভবনগুলোর অতিথি পার্কিংয়ের নির্দেশ থাকলেও বাইরে কোথায় পার্কিং করা যাবে- এমন কোনো নির্দিষ্ট স্থান নেই। ফলে অতিথি বা বাইরের যানবাহনগুলো সড়কেই দাঁড়ায়। এদিকে, আইনগত দিক থেকেও পরিস্থিতি জটিল। ১৯৮৩ সালের মোটরযান আইন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের ট্রাফিক ও পার্কিং লঙ্ঘনের জন্য জরিমানা ধার্য আছে- প্রকাশ্য সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে ৫০০ টাকা জরিমানা, নিরাপত্তাহীন অবস্থায় গাড়ি চালালে ২৫০ থেকে ১০০০ টাকা জরিমানা ইত্যাদি। তবু বাস্তবে জরিমানা আর মামলা প্রয়োগের ধারাবাহিকতা নেই; কোথাও পুলিশ কড়া ব্যবস্থা নিচ্ছে, আবার কোথাও কোনো নজরই নেই- এই অনিয়মই চালকদের উৎসাহ দিচ্ছে। অনেক সময় অভিযানের পরে গাড়ি সরানো হলেও কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আবার একই অবস্থা ফিরে আসে। রাজধানীর যত্রতত্র গড়ে উঠেছে দূরপাল্লার বাসের শত শত কাউন্টার। আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবনের পাশাপাশি ফুটপাত, এমনকি ব্যস্ত সড়কের পাশে এসব কাউন্টার পরিচালিত হচ্ছে। ফলে যেখানে-সেখানে গাড়ি থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা করছেন চালকরা। এতে সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত সড়কগুলোতে তীব্র যানজট বাঁধছে। একই সঙ্গে বাসের জন্য ফুটপাত বা সড়কের ধারে মালামাল নিয়ে অপেক্ষায় থাকা যাত্রীরা নিজে যেমন রোদ-বৃষ্টিতে ভোগান্তিতে পড়ছেন, তেমনি পথচারীরা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। এ অব্যবস্থাপনা সবচেয়ে বড় বিপত্তি সৃষ্টি করছে প্রগতি সরণিতে। এছাড়া যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ, ধোলাইপাড়, জুরাইন, কমলাপুর, আরামবাগ, ফকিরাপুল,পান্থপথ, কলাবাগান, শ্যামলী, গাবতলী, উত্তরা ও আবদুল্লাহপুরে অনেক বাস কাউন্টার গড়ে উঠেছে। যার অধিকাংশের অনুমোদন নেই। সেখানে রাস্তার পাশে বা মোড়ে যাত্রী ওঠানামা করানো হয়। এতে সড়কের একাংশ কার্যত দখল হয়ে যায়। ফলে যানবাহনের স্বাভাবিক গতি ব্যাহত এবং দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে অফিস সময় ও সন্ধ্যায় সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করে। নগরবাসীর অভিযোগ, প্রতিদিনের যানজট ও জনদুর্ভোগের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে অবৈধ বাস কাউন্টারগুলো। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে বসানো এসব কাউন্টার কার্যত রাজধানীর পরিবহন ব্যবস্থা বিশৃঙ্খল করে তুলছে। অথচ ঢাকা থেকে দূরপাল্লার বাস চলাচলের জন্য নির্ধারিত টার্মিনাল- সায়েদাবাদ, মহাখালী, গাবতলী ও ফুলবাড়িয়া রয়েছে। কিন্তু এসব টার্মিনাল ব্যবহার না করে পরিবহন মালিকরা শহরের ভেতরে সুবিধাজনক জায়গায় কাউন্টার স্থাপন করছেন, যাতে যাত্রী সংগ্রহ সহজ হয়। এতে তাদের ব্যবসায়িক লাভ বাড়লেও নগরবাসীকে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। যদিও সায়েদাবাদ আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের আশপাশ থেকে প্রায় আড়াইশ অবৈধ কাউন্টার অপসারণে টানা অভিযান পরিচালনা করছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। কিন্তু এর বাইরে অন্য এলাকার অবৈধ কাউন্টার উচ্ছেদে তাদের কোনো পরিকল্পনা জানা যায়নি। অন্যদিকে, প্রগতি সরণিসহ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকার অবৈধ কাউন্টার অপসারণেও কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। সমাধান হিসেবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নগর পরিকল্পনায় পার্কিং জোন নির্ধারণ করে দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে; ভবন নির্মাণের সময় পার্কিং নীতিমালা কঠোরভাবে প্রয়োগ ও তদারকি করতে হবে; ট্রাফিক পুলিশ ও সিটি করপোরেশনের সমন্বিত অভিযান ও নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত কার্যকর করতে হবে যাতে জরিমানা ও মামলা পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর হয়। এছাড়া মহাখালী টার্মিনালের মতো কেন্দ্রীয় পরিবহন হাবগুলোর জন্য বাস্তবসম্মত রুট‑পারমিট নির্ধারণ ও টার্মিনালের অবকাঠামো সমপ্রসারণ জরুরি; বিআরটিএকে টার্মিনালের ধারণক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে রুট অনুমোদন দিতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *